মহিলাদের জন্য মসজিদে যাওয়া হারাম হওয়ার উপর উম্মতের ইজমা’ বা ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং যুগ যুগ ধরে সারা বিশ্বে তা অনুসৃত হয়ে আসছে। সম্মানিত ইজমা’ ও সম্মানিত ক্বিয়াস যেহেতু পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফেরই অন্তর্ভুক্ত ও সমর্থিত, সেহেতু উক্ত ইজমা’কে অস্বীকার করা বা মু’মিনদের প্রচলিত পথের বিরোধিতা করা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের দৃষ্টিতে প্রকাশ্য গোমরাহী। খাছ ফতওয়া মুতাবিক মহিলাদের জামাআতের জন্য মসজিদ ও ঈদগাহে যাওয়া কুফরী। আর আম বা সাধারণ ফতওয়া মুতাবিক মহিলাদের জামাআতের জন্য মসজিদ ও ঈদগাহে যাওয়া হারা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ্ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফের মধ্যে উল্লেখ করেছেন-
هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ
“তারা (মহিলারা) হচ্ছে তোমাদের আবরণ, তোমরাও তাদের আবরণ। তারা তোমাদের হিফাযতকারী, তোমরাও তাদের হিফাযতকারী। একজন আহাল বা স্বামীর হিফাযতকারিণী হচ্ছে তার আহলিয়া বা স্ত্রী। আর আহলিয়া বা স্ত্রীর হিফাযতকারী হচ্ছে আহাল বা স্বামী। মহান আল্লাহ্ পাক তিনি সেটা উল্লেখ করে দিয়েছেন, যাদের সামর্থ রয়েছে তারা বিবাহ-শাদী করে নাও। আর যাদের সামর্থ নেই, তারা রোযা রেখে নিজেদেরকে হিফাযত করো, নিজেদেরকে কন্ট্রোল করো। কিন্তু কখনোই মহান আল্লাহ্ পাক উনার বাকি অংশ পড়ুন...
কাঁধের জোড়ার নিজস্ব সমস্যার বাইরেও শরীরের বিভিন্ন স্থানের সমস্যার কারণে কাঁধে ব্যথা হতে পারে। ঘাড়ের সমস্যায়, পিত্তথলির প্রদাহ বা প্রদাহের ক্ষেত্রে কিংবা ফুসফুসের সমস্যাতেও কাঁধে ব্যথা হয়। কাঁধে ব্যথার অন্যতম একটি কারণ হলো আঘাত। সাধারণত যে কারণে ভুক্তভোগী মারাত্মক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন তার মধ্যে ফ্রোজেন শোল্ডার’ অন্যতম। প্রাথমিকভাবে এটা হলো কাঁধের নরম কলাগুলোর প্রদাহজনিত অবস্থা। পেরি আর্থ্রাইটিস, অসটিও আর্থ্রাইটিস, হাড় ভেঙে গেলে কিংবা স্থানচ্যুত হলে ফ্রোজেন শোল্ডার হয়। পেশি, টেনডন, লিগামেন্ট- সবকিছুই আক্রান্ত হয়। বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হিজরত মুবারক করে পবিত্র মদীনা শরীফে আগমন করার পর হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা স্বীয় পুত্র হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে সঙ্গে নিয়ে উনার খিদমতে উপস্থিত হন এবং বলেন, আমার পুত্র আনাসকে আপনার খিদমতে পেশ করছি। আপনি তাকে কবুল করুন এবং তার জন্য দোয়া করুন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার জন্য দোয়া মুবারক করলেন। মদীনা শরীফে মুহাজির ও আনছারদের মধ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
১. ছারীদ (ثَرِيْدٌ)
২. গোশত (لَـحْمٌ) লাহমুন
৩. শুকনা গোশত (لَـحْمٌ مُصْلَحٌ/اللحوم الـجافة/لَـحْمٌ قَدِيْدٌ)
৪. সামুদ্রিক মাছ
৫. ডিম (بَيْضٌ) বাইদ্বুন
৬. যব ( الشَّعِيْر)
৭. তালবীনাহ (اَلتَّلْبِيْنَةُ)
৮. হাইস (حَيْسٌا)
৯. হারীসাহ্ (هَرِيْسَة)
১০. ছাতু (فَاجْدَحْ) ফাজদাহ
১১. যবের রুটি (خُبْزُ الشَّعِيْرِ) খ্বুবযুশ শা‘য়ীর
১২. গমের রুটি/ লাল আটার রুটি (الـحِنْطَةٌ/خُبْزٌ الْبُرِّ) খ্বযুল হিনত্বহ
১৩. রুটি-গোশত
১৪. রুটি-খেজুর
১৫. সিরকা (خَلٌّ) খ্বল
১৬. জয়তুন/ জয়তুনের তেল
১৭. কদু (اَلدُّبَّاءُ) দুব্বা
১৮. পিঁয়াজ (الثُّومَ) ছূম ও রসুন (الْبَصَلَ) বাছাল
১৯. আদা (زَنْـجَبِيْلٌ) যাঞ্জাবীল
২০. মেথি (الْـحُلْبَةِ) হুলবাহ্
২১. কাল বাকি অংশ পড়ুন...
আলবার্ট আইনস্টাইন ইনস্টিটিউটের সাথে যুক্ত ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ রবার্ট, তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহিলাদের ইদ্দত পালন সম্পর্কিত পবিত্র আয়াত শরীফ গবেষণা করতে গিয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। যার একমাত্র কারণ ছিল, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে তালাক প্রাপ্ত মহিলাদের ইদ্দতের আদেশ সম্পর্কিত পবিত্র আয়াত শরীফ এবং তালাকপ্রাপ্ত মহিলার ইদ্দত পালনের জন্য তিন মাস ও বিধবা মহিলার ক্ষেত্রে চার মাস দশ দিনের সীমা নির্ধারণের পেছনের রহস্য ও হিকমত অনুধাবন করা।
পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি কোনো তালাক প্রাপ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মূলতঃ প্রথম যুগে নামাযসহ সকল অনুষ্ঠানাদিতে মহিলাদের উপস্থিত হওয়ার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল তা’লীম গ্রহণ করা। তদুপরি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন এবং সে সময় ফিতনার আশঙ্কা কল্পনাও করা যায় না। তথাপি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহিলাদেরকে সুসজ্জিতভাবে, সুগন্ধি ব্যবহার করে মসজিদে যেতে নিষেধ করেন এবং তিনি আরো বলেন, “সুগন্ধি ব্যবহারকারিণী মহিলা বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে অন্যায়-অবিচারে ভরপুর। সুদ, ঘুষ, অবৈধ উপার্জন, দুর্নীতি, হত্যা, রাহাজানি, চুরি, ছিনতাই, অবৈধ আকাঙ্খায় সয়লাব। রাষ্ট্রীয় পদ্ধতিতে এই সমস্ত অন্যায় অবিচার হ্রাসে অনেক আইন-কানুন করা হয়েছে, অনেক নীতি নৈতিকতারও শিক্ষা দেয়া হচ্ছে, কিন্তু কিছুতেই যেন অন্যায়-অপরাধের হ্রাস হচ্ছে না, বরং বেড়েই চলেছে।
মূলতঃ এ সমস্ত অপরাধ যেখান থেকে উৎপত্তি সেখানে যদি শুদ্ধতা না আনা হয়, তবে হাজারো চেষ্টা করেও এ অপরাধ হ্রাস করার কোন উপায় নেই। হাদীছ শরীফে আছে, মানুষের শরীরে এক টুকরা গোশত আছে, যখন তা পরিশুদ্ধ হয়, তখন পুরো দেহ পরিশুদ্ধ হয়। সেই গোশত টুকরাটা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছেÑ
عَنْ حَضْرَت أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ رَضِىَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ أَبَاهُ أُسَامَةَ رَضِىَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَسَانِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُبْطِيَّةً كَثِيفَةً كَانَتْ مِمَّا أَهْدَاهَا دَحْيَةُ الْكَلْبِيُّ رَضِىَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَسَكَوْتُهَا امْرَأَتِيْ فَقَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَالَكَ لَمْ تَلْبَسِ الْقُبْطِيَّةَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ كَسَوْتُهَا امْرَأَتِي فَقَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرْهَا فَلْتَجْعَلْ تَحْتَهَا غِلالَةً إِنِّي أَخَافُ أَنْ يَصِفَ حَجْمَ عِظَامِهَا-
অর্থ: হযরত উসামা ইবনে যায়িদ রদ্বিয়াল্লাহু তায় বাকি অংশ পড়ুন...












