কারো প্রতি মুহব্বত প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ দাবি বা অংশ হচ্ছে ঐ ব্যক্তির আদেশ মেনে চলা, তার চিন্তা ও আদর্শকে জীবনে ধারণ করা।
হযরত মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্না উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি যে গভীর মুহব্বত মুবারক পোষণ করতেন তা উনাদের প্রতিটি আমলের মাধ্যমে নিয়মিতই প্রকাশ পেত।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একবার সম্মানিত মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন নারী-পুরুষ পাশাপাশি পথ চলছে। তখন (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবু উছমান আন নাহদি রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন; নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যদি কাউকে ফুল উপহার দেয়া হয়, সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়। কেননা তা জান্নাত থেকে আনা হয়েছে। (তিরমিযী শরীফ)
চামেলী ফুল থেকে তেল তৈরী করে তা বিভিন্ন প্রসাধনীতে ব্যবহার করা হয়। গন্ধসার তৈরীর জন্যে চামেলী ফুল বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়। চামেলী ফুল থেকে তৈরী ঔষধ দাদ নিরাময়কারী।
বাকি অংশ পড়ুন...
পঞ্চম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাযযালী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার আল মুরশিদুল আমীন কিতাবে উল্লেখ করেন, “একবার মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হুজরা শরীফ-এ অবস্থান মুবারক করছিলেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাক্ষাৎ মুবারক করার অনুমতি চাইলেন। এ সংবাদ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ বাকি অংশ পড়ুন...
(গত ২৮ মুহররমুল হারাম শরীফের পর)
মাইলস্টোন: তৃতীয় মাস
পেটের উপর শুয়ে থাকলে বুক ও মাথা উপরে তুলতে পারে।
শুয়ে থাকা অবস্থায় হাত পা ছুড়তে পারে।
হাতের মুঠি খোলা বাধা করতে পারে।
দাঁড় করালে পায়ের উপর ভর দিতে পারে।
হাত মুখে দিতে পারে।
কিছু হাত দিয়ে ধরতে চেষ্টা করে বা হাতে ধরলে ঝাঁকাতে চেষ্টা করে।
মানুষের চেহারার দিকে মনোযোগ দেবে।
চোখ দিয়ে জিনিস অনুসরণ করবে।
বাবা মায়ের গলা শুনলে হাসার চেষ্টা করবে।
গলার আওয়াজ অনুকরণ করার চেষ্টা করবে।
বিপদ চিহ্ন :
চলন্ত কিছুর দিকে দৃষ্টি না দেয়া।
তীব্র আলো বা শব্দে প্রতিক্রিয়া না দে বাকি অংশ পড়ুন...
নির্জনবাসের নিষিদ্ধ সময়:
১. আহলিয়ার স্বাভাবিক মাজূরতার (হায়েয অবস্থায়) সময় নির্জনবাস হারাম। তবে তার সাথে একত্রে ঘুমানো, খানা খাওয়া, তার খিদমত নেয়া ইত্যাদি সুন্নত মুবারকের অন্তর্ভুক্ত।
২. দৈনিক: নামাযের নিষিদ্ধ সময়গুলো অর্থাৎ সূর্য উদয় হওয়াকালীন ২৩ মিনিট সময়, অস্ত যাওয়াকালীন ২৩ মিনিট সময় এবং দুপুরে সূর্য মাথার উপর অবস্থান করাকালীন ১ ঘন্টা সময়।
৩. সাপ্তাহিক: সপ্তাহে দুইদিন। (ক) ইয়াওমুল আহাদ (রোববার দিন ও রোববার রাত) (খ) ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার দিন ও বুধবার রাত)
৪. মাসিক: প্রত্যেক আরবী মাসের ১লা তারিখ- রাত ও দিন। ১৫ তারিখ -রাত ও দিন এবং শ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৩ জন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়ার ধারাবাহিকক্রম মুবারক অনুযায়ী উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাদিসাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘আস সাদিসাহ্ তথা ৬ষ্ঠ’। এজন্য উনাকে ‘উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাদিসাহ্ আলাইহাস সালাম’ বলা হয়। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক হচ্ছেন- ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত হিন্দ আল বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবু উছমান আন নাহদি রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন; নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যদি কাউকে ফুল উপহার দেয়া হয়, সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়। কেননা তা জান্নাত থেকে আনা হয়েছে। (তিরমিযী শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
ইলিশ ভাজা আর সাদা ভাত, মুখে তুলতেই যেন অকৃত্রিম স্বাদ। তাতে যদি স্বাদে নতুন মাত্রা যোগ হয়, ক্ষতি কী? তাই স্বাদ বদলাতে খেতে পারেন ইলিশ পোলাও।
বাঙালি ও ইলিশ মাছ। যেন আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। সর্ষে, ভাপা, পাতলা সুরূয়া, ঝাল, ভাজা, পাতুরিসহ ইলিশের পদগুলি যেন অসাধারণ। শুধু স্বাদেই নয় ইলিশের শক্তিও কিন্তু ভয়ানক। এক সময় ইংরেজদেরও নাকানি চোবানি খাইয়েছিল এই রুপালি ইলিশ। আজ তাই আমাদের রেসিপি জনপ্রিয় ইলিশ পোলাও। কিছুটা হলেও আপনার মুখের স্বাদ বদল হবে। আর বজায় থাকবে ইলিশের সাবেকিয়ানাও।
যা যা লাগবে: ইলিশ মাছ ৪ টুকরা, পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, আস্ত সর্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার যিনি হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে নিয়ে এবং মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্নাগণকে নিয়ে ছফর করতেন। যেমন যুদ্ধ-জিহাদে গিয়েছেন, হজ্জ ও উমরাহ করেছেন ইত্যাদি।
এ প্রসঙ্গে “বুখারী শরীফের” ইফকের ঘটনার পরিচ্ছেদে উল্লেখ আছে, “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীকাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন বাকি অংশ পড়ুন...












