সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেসব খাবার মুবারক গ্রহণ করেছেন অর্থাৎ খেয়েছেন, তা ছিল সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং সেই মহাসম্মানিত খাবার মুবারক গুলোর গুণাগুণ ও মানবদেহের জন্য সেগুলোর উপকারীতা ও প্রয়োজনীয়তা অতুলনীয়।
সুন্নতী খাবারের মধ্যে অন্যতম একটি সুন্নতী খাবার হচ্ছে, খরগোশের গোশত।
কেউ যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারকে খরগোশের গোশত হাদিয়া নিয়ে আসত বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সিরকা কতোইনা উত্তম খাদ্য, হে মহান আল্লাহ পাক! সিরকার উপর আপনার অশেষ রহমত কেননা এটি আমার পূর্ববর্তী হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরও খাদ্য ছিল এবং যে ঘরে সিরকা থাকবে সে ঘর কখনো দারিদ্রতার মুখ দেখবে না।”
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরও ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ঘরে সিরকা আছে, সে ঘর তরকারীশূন্য নয়।”
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূ বাকি অংশ পড়ুন...
বকরীর গোশ্তকে আরবীতেلَـحْمُ الشَّاةِ (লাহমুশ শাত্) বলা হয়। বকরীর গোশ্ত খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার মধ্যেই রয়েছে সর্বপ্রকার ভালাই। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে খইরে কাছির অর্থাৎ সর্বপ্রকার ভালাই হাদিয়া মুবারক করেছেন। আর তিনি যে সমস্ত খাদ্যসমূহ গ্রহণ করেছেন সেই খাদ্যসমূহ উনাদের মধ্যেই রয়েছে সর্বপ্রকার শিফা। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَمْر বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক: একটি জিহাদের সময় হযরত ছাবাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনারা একটি সামুদ্রিক মাছ কুদরতী রিযিক হিসেবে পেয়ে সেটা গ্রহণ করেন। এবং জিহাদ শেষে উনারা তার একটি অংশ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে পেশ করলেন এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তা থেকে খেলেন।” সুবহানাল্লাহ!
সুন্নতী খাদ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরণের সুন্নতী সামগ্রী পেতে যোগাযোগ করুন-
আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র, সাইয়্যিদুল বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে রকম মহাসম্মানিত কোর্তা বা ক্বমীছ মুবারক পরিধান করেছেন, সেই মহাসম্মানিত কোর্তা বা ক্বমীছ মুবারককে সুন্নতী কোর্তা বলা হয়।
সুন্নতী কোর্তা লম্বায় “নিছফে সাক্ব” অর্থাৎ হাঁটু ও গিরার মাঝামাঝি হবে এবং কোনাবন্ধ ও গোল হতে হবে। কোনা ফাঁড়া হতে পারবে না। কারণ কোনা ফাঁড়া পাঞ্জাবী বা কোর্তা সুন্নত নয়।
ফতওয়ার কিতাবে উল্লেখ রয়েছে, কোনা বন্ধ অর্থাৎ গোল ক্বমীছ বা কোর্তা পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক। এর ব্যতিক্রমগুলো মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক: ছারীদ হলো গোশতের শুরুয়াতে ভেজানো টুকরো টুকরো রুটি দিয়ে তৈরি এক প্রকার বিশেষ খাদ্য। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রকার খাদ্য সামগ্রীর উপর ছারীদকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুই প্রকার ছারীদ গ্রহণ করেছেন বলে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনায় পাওয়া যায়। যেমন- ১. রুটির ছারীদ ও ২. হাইসের ছারীদ।
ছারীদসহ বিভিন্ন ধরণের সুন্নতী খাদ্যসামগ্রী তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে রাজারবাগ দরবার শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে সম্মানিত হানাফী মাযহাব অনুযায়ী “পবিত্র ছলাতুত তাসবীহ” আদায় করার নিয়মটিই উল্লেখ করা হলো।
প্রথমতঃ এই বলে নিয়ত করতে হবে-
نَوَيْتُ أَنْ اُصَلِّىَ لِلّٰهِ تَعَالٰى رَكْعَتَىْ صَلٰوةِ التَّسْبِيحِ سُنَّةُ رَسُوْلِ اللّٰهِ تَعَالٰى مُتَوَجِهَا إلى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيفَةِ اللهُ أَكْبَرُ.
অতঃপর পবিত্র তাকবীরে তাহরীমা বেঁধে পবিত্র ছানা শরীফ পাঠ করবে, পবিত্র ছানা শরীফ পাঠ করে পবিত্র সূরা-ক্বিরাআত পাঠ করার পূর্বেই ১৫ বার নিম্নোক্ত তাসবীহ মুবারক পাঠ করবে।
سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ وَلَا اِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ.
উচ্চারণ: “সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পাগড়ীর উপর রুমাল ব্যবহার উভয়টাই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সুন্নত। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনারাও রুমাল ব্যবহার করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া সুন্নত মুবারক পুনরায় জিন্দাআ করে জারি করার উদ্দেশ্যেই রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম আলাইহিস সালাম তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন “আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্র। ” সুবহানাল্লাহ! সুন্নতী রুমাল-পাগড়ীসহ বিভিন্ন ধরণে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ صامَ يَوْمَ السَّابِعِ والعِشْرِيْنَ مِنْ رَجَب كَتَبَ لَهُ ثواب صيام ستين شهرا.
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাসের ২৭ তারিখ দিনে রোযা রাখবে তার আমলনামায় ৬০ মাসের রোযা রাখার ছওয়াব লেখা হবে। সুবহানাল্লাহ! (আল ইতহাফ ৫ম খ- পৃষ্ঠা বাকি অংশ পড়ুন...












