একদিন এক বেদুঈন (গ্রাম্য লোক) আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দরবার শরীফে এসে আরজ করলেন: ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে কয়েকটি সুওয়াল করতে চাই।
আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন: আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি কি কি বিষয়ে সুওয়াল করতে চান- তা বলুন।
তখন উক্ত বেদুঈন (গ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ الَّذِيْنَ يُحَآدُّوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ اُولـٰـٓئِكَ فِى الْاَذَلِّيْنَ
অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের বিরোধিতা করবে, তারা লাঞ্ছিতদের অন্তর্ভুক্ত।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মুজাদালাহ্ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২০)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় ‘তাফসীরে মুক্বাতিল’ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছেন,
قَوْلُهٗ اِنَّ الَّذِيْنَ يُحَآدُّوْ বাকি অংশ পড়ুন...
উস্তুনে হান্নানা উনার ঈমান জাগরনী ওয়াক্বিয়া মুবারক
‘দারিমী, শারহুয যারক্বানী, তারীখুল খমীস, বাহ্জাতুল মাহাফিল, আস সীরাতুল হালাবিয়্যাহ, শিফা শরীফসহ’ আরো অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
وَفِي حَدِيث حَضْرَتْ بُرَيْدَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قال النبىّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنْ شِئْتَ أَرُدُّكَ إِلَى الْحَائِطِ الَّذِي كُنْتَ فِيهِ تَنْبُتُ لَكَ عُرُوقُكَ وَيَكْمُلُ خلقك وَيُجَدَّدُ لَكَ خُوصٌ وَثَمَرَةٌ وَإِنْ شِئْتَ أَغْرِسكَ فِي الجَنَّةِ فَيَأْكُلُ أَوْلِيَاءُ اللَّه من ثَمَرِكَ ثُمَّ أَصْغَى لَهُ النَّبِيّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَمِعُ مَا يَقُولُ فَقَالَ بَلْ تَغْرِسُنِي فِي الجَنَّةِ فَيَأْكُلُ مِنّي أَوْلِيَاءُ اللَّه وَأ বাকি অংশ পড়ুন...
১৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কপাল মুবারক نُوْرُ الْـمَلَاحَةِ مُبَارَكٌ নূরুল মালাহাহ্ মুবারক
১৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক উনার পশম মুবারক نُوْرُ الصَّفَاءِ مُبَارَكٌ নূরুছ ছফা’ মুবারক
১৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চক্ষু মুবারক نُوْرُ الْـمُنَوَّرِ مُبَارَكٌ নূরুল মুনাওওয়ার মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُوْنَ حَتّٰى يُحَكِّمُوْكَ فِيْمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوْا فِىْٓ اَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوْا تَسْلِيْمًا
অর্থ: “আপনার রব তা‘য়ালা মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! তারা কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না; যতক্ষণ পর্যন্ত তারা আপনাকে তাদের সমস্ত বিষয়ে ফয়সালাকারী হিসেবে মেনে না নিবে। (এবং আপনার ফয়সালা সম্পর্কে) তাদের অন্তরে কোনোরূপ সংকীর্ণতা অনুভব করবে না। অতঃপর তারা আপনার ফয়সালাকে বিনা চূ-চেরা, ক্বীল-ক্বালে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে মেনে না নিবে।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা নিসা শরীফ : বাকি অংশ পড়ুন...
উস্তুনে হান্নানা উনার ঈমান জাগরণী ওয়াক্বিয়া মুবারক
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لَوْ لَمْ أَحْتَضِنْهُ لَحَنَّ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ
অর্থ: “যদি আমি দয়া করে সেই শুকনো খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা উনাকে জড়িয়ে সান্ত¡না না দিতাম, তাহলে তা কিয়ামত পর্যন্ত কান্না করতে থাকতেন।” সুবহানাল্লাহ! (ইবনে মাজাহ্ শরীফ, মুসনাদে আহমাদ, মুছান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ্, মুসনাদে আবী ইয়ালা, মুসনাদে আবদ ইবনে হুমাইদ ইত্যাদি)
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছেন,
أَنَّ النَّبِيّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَعَاهُ إلى نفسه فجاءه বাকি অংশ পড়ুন...
১০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক نُوْرُ الْـمَغْفِرَةِ مُبَارَكٌ নূরুল মাগফিরাত মুবারক
১১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পা মুবারক نُوْرُ الدَّرَجَةِ مُبَارَكٌ নূরুদ দারাজাত মুবারক
১২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক نُوْرُ الْـمُجَسَّمِ مُبَارَكٌ নূরুল মুজাসসাম মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্য শাসক খসরু পারভেজ:
পারস্য শাসক কিসরা উনাকে এগিয়ে আসতে দেখেই দরবারের একজনকে ইঙ্গিত করলো চিঠি মুবারক উনার থেকে নেওয়ার জন্য।
তিনি অন্য কারো হাতে চিঠি মুবারক দিতে অস্বীকার করে বললেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এটা সরাসরি পারস্যের শাসকের হাতে দিতেই আমাকে আদেশ মুবারক করেছেন। কিসরা বললো, ‘তাহলে উনাকে আসতে দাও।’ তিনি কিসরার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সরাসরি তার হাতে চিঠি মুবারক হস্তান্তর করলেন।
এরপর কিসরা ইরাকের হীরা-অঞ্চলের একজন আরবী জানা লোককে ডেকে চিঠির বক্তব্য পারস্যভাষায় তাকে বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
مَلْعُوْنِيْنَ اَيْنَمَا ثُقِفُوْاۤ اُخِذُوْا وَقُتِّلُوْا تَقْتِيْلًا
অর্থ: “(এরা হচ্ছে লা’নতগ্রস্ত) লা’নতগ্রস্ত অবস্থায় তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই পাকড়াও করা হবে এবং অবশ্যই তাদেরকে অত্যন্ত কঠিনভাবে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৬১)
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّ اَعْمٰى كَانَتْ لَهٗ اُمُّ وَلَدٍ تَشْتُمُ النَّبِىّ বাকি অংশ পড়ুন...
উস্তুনে হান্নানা উনার ঈমান জাগরণী ওয়াক্বিয়া মুবারক
হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি সেই খেজুর গাছের খুঁটি মুবারক উনার অবস্থা বর্ণনা করে বলেন,
فَصَاحَتِ النَّخْلَةُ صِيَاحَ الصَّبِيِّ ثُمَّ نَزَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَضَمَّهُ إِلَيْهِ تَئِنُّ أَنِينَ الصَّبِيِّ الَّذِي يُسْكَنُ يُسَكَّنُ
অর্থ: “(শুকনো) খেজুর বৃক্ষ মুবারকখানা বাচ্চা শিশুর ন্যায় উচু আওয়াজ মুবারক-এ কান্না শুরু করে দিলেন। অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দয়া করে (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মিম্বর শরীফ থেকে নিচে) ম বাকি অংশ পড়ুন...
৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রূহ্ মুবারক نُوْرُ الْاَمْرِ مُبَارَكٌ নূরুল আম্র মুবারক
৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক نُوْرُ الرَّحْمَةِ مُبَارَكٌ নূরুর রহ্মাত মুবারক
৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ভ্রু মুবারক نُوْرُ التَّنْوِيْرِ مُبَارَكٌ নূরুত তানউইর মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
কাট্টা কাফির আবূ রফেকে হত্যা:
আল ইমামুল কাবীর, মাফ্খরাতুল মাগরিব হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায ইবনে মূসা আল ইয়াহ্চুবী আস সাব্তী আল মালিকী আন্দালুসী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ৪৭৬ হিজরী শরীফ এবং বিছাল শরীফ ৫৪৪ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আশ শিফা বিতা’রীফি হুকূকিল মুছত্বফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনার ২য় খ-ের ২২১ পৃষ্ঠায় বলেন-
فَدَلَّ اَنَّ قَتْلَهٗ اِيَّاهُ لِغَيْرِ الْاِشْرَاكِ بَلْ لِلْاَذٰى وَكَذٰلِكَ قَتَلَ اَبَا رَافِعٍ قَالَ حَضْرَتْ اَلْبَرَاءُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ وَكَانَ يُؤْذِىْ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيُعِيْنُ عَلَيْهِ وَكَذٰ বাকি অংশ পড়ুন...












