আহলু বাইতি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার ১২ই জুমাদাল উখরা শরীফ জুমু‘আহ্ শরীফ-এ আলোচনা মুবারক উনার শুরুতে ইরশাদ মুবারক করেন, “আজকের খুৎবা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে ঊলা বা প্রথমা, কুবরা বা মূল, বড়। ” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ كَانَ مَعِىَ فِـى الْـجَنَّةِ
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে সম্মান করবেন, তিনি সম্মানিত জ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
لَوْلَاكَ مَا اَظْهَرْتُ الرُّبُوْبِـيَّـةَ
অর্থ: “আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে সৃষ্টি মুবারক না করলে, আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রুবূবিয়াত মুবারকও প্রকাশ করতাম না। ” সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যদিুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবয়্যিীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানতি ও মহাপবত্রি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহমিুস সালাম উনাদরে সকলরে মহাস বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ আসার পূর্বে উনার সম্মানিত শাদী মুবারক
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, “জাহিলী যুগে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম তিনি মাস‘ঊদ ইবনে আমর ইবনে উমায়ের ছাক্বাফীর নিকট ছিলেন। তার থেকে জুদা হওয়ার পর উনার সম্মানিত শাদী মুবারক হয় হযরত আবূ রুহ্ম ইবনে আব্দুল উয্যা ইবনে আবূ ক্বইস ইবনে আবদে উদ্দ ইবনে নছ্র ইবনে মালিক ইবনে হিস্ল ইবনে আমির ইবনে লুওয়াই আমিরী কুরাইশী রদ্বিয়াল বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ وَعِزَّتِـىْ وَجَلَالِـىْ لَوْلَاكَ مَا خَلَقْتُ الْـجَنَّةَ وَلَوْلَاكَ مَا خَلَقْتُ الدُّنْيَا
অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আমার সম্মানিত ইয্যত মুবারক এবং সম্মানিত জালালিয়াত মুবারক উনাদের ক্বসম! আমি বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
৫৫০ হিজরীতে পবিত্র রওযা শরীফ উনাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের তৃতীয় ঘটনা ইতিহাসে বেশ প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। বিশিষ্ট বুযূর্গ, সুলত্বান হযরত নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বপ্নে বিশেষ সাক্ষাত মুবারক প্রদান করেন। নীল চোখা দুই খ্রিস্টানকে দেখিয়ে বলেন, “হে নূরুদ্দীন জঙ্গী! আপনি এদেরকে গ্রেফতার করুন। এরা আমাকে কষ্ট দিচ্ছে। ” একে একে তিন রাত একই স্বপ্ন মুবারক দেখে মুবারক নির্দেশ পেয়ে তিনি হাবীবী দুশমনদের গ্রেফতারের জন্য অভিযানে বের বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার ১লা জুমাদাল উখরা শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ বা সোমবার রাত্র) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন,
لِـىْ مَعَ اللهِ وَقْتٌ لَّا يَسْعٰنِـىْ فِـيْهِ مَلَكٌ مُّ বাকি অংশ পড়ুন...
একটি বিষয় খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করা আবশ্যক যে, শুধু যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনার দ্বারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতিটি বিষয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের ফায়ছালা দেয়া কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষয়টি এরূপ ঘটে থাকে যে, যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনা এক রকম আর প্রকৃত বিষয়টি পুরো বিপরীত। কেননা সীরাত, তারীখ, তাফসীর এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার শরাহগুলোতে অনেক ইজরাঈলী বর্ণনা ও বাত্বিলপন্থীদের রেওয়াতের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। যার কারণে শুধু কিতাবী বা যাহিরী বর্ণনা পড়ে ক্ষেত্র বিশেষ বিভ্রান্ত হওয়া ছাড়া আর কোন বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
كُنْتُ كَنْزًا مَّـخْفِيًّا فَاَحْبَبْتُ اَنْ اُعْرَفَ فَخَلَقْتُ الْـخَلْقَ لِاُعْرَفَ
অর্থ: “আমি পুশীদাহ্ ছিলাম। যখন আমার মুহব্বত হলো যে, আমি প্রকাশ পাই, তখন আমি আমার পরিচয় মুবারক প্রকাশের জন্য অত্যন্ত মুহব্বত মুবারক করে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সৃষ্টি মুবারক করি। ” সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে রূহুল মা‘আনী ৭/৪৫৩, ১৪/২৫, আত তাফসীরুল ওয়াসীত্ব ৯/১১১০, তাফসীরে রূহুল বায়ান ৯/ বাকি অংশ পড়ুন...












