আরশে আযীম হচ্ছে আলমে খ্বালক্বের শেষ সীমানা। এর উপরে হচ্ছে আলমে আমর। এটাও সৃষ্টির মধ্যে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সম্মানার্থেই সমগ্র কায়িনাত অর্থাৎ আলমে খ্বালক্ব বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
(পূর্বপ্রকাশিতের পর)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক-এ হযরত শায়েখ আহমাদ ফারূক্বী সিরহিন্দী মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাই বাকি অংশ পড়ুন...
৬১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক উনার তালু মুবারক نُوْرُ الْـمُعْجِزَةِ شَرِيْفٌ নূরুল মু’জিযাহ্ শরীফ
৬২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পা মুবারক উনার তালু মুবারক نُوْرُ الثَّابِتِ مُبَارَكٌ নূরুছ ছাবিত মুবারক
৬৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র টাখনু মুবারক نُوْرُ السُّرُوْرِ مُبَارَكٌ নূরুস সুরূর মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাওয়ানেহ উমরী মুবারক জুড়ে মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারকের অসংখ্য বিস্ময়কর নিদর্শন প্রকাশ পেয়েছে। উনার পবিত্র জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ই ছিলো ঈমানী চেতনা বৃদ্ধি ও হৃদয় জাগ্রত করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মুবারক। কখনো পবিত্র ওহী মুবারক নাযিলের মহিমান্বিত অবস্থা, কখনো হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অতুলনীয় বিশ্বাস ও আনুগত্য; সব মিলিয়ে উনার পবিত্র সীরাত মুবারক মানবজাতির জন্য এক অনন্য আদর্শ মুবারক। তেমনই এক হৃদয়স্পর্শী ও অলৌকিক ঘ বাকি অংশ পড়ুন...
কামাল আহদাব:
৭০৪ হিজরীর ঘটনা। শাম দেশের দামেশক শহরে কামাল আহদাব নামে একজন লোক ছিলো। কারও সাথে তুমুল বাকবিত-ার মাঝখানে সে এমন একটি কথা বললো, যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে চরম মানহানিকর।
বিষয়টা আইনিভাবে এমন অবস্থায় রূপ নিলো যে, লোকটা তা কল্পনাও করতে পারেনি। তখন দামেশকের বিচারক ছিলেন প্রসিদ্ধ ফক্বীহ আল্লামা জামালুদ্দীন আল-মালিকী। তিনি ত্রিশ বছর ধরে দামেশকে বিচারকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক আল্লামা ইবনুল ইমাদ হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ঘটনাট বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি আসমা ও ছিফত দ্বারা যাহির। হাক্বীক্বত তিনি যাহির নন। ইলিম ও কুদরত দ্বারা হাযির-নাযির। হাক্বীক্বত তো মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কায়িনাতের মধ্যেই আছেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিষয়টিও ঠিক একই রকম। মহান আল্লাহ পাক তিনি খ্বালিক্ব মালিক রব হিসেবে, আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
(পূর্বপ্রকাশিতের পর)
রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনি কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করালেন (সৃষ্টি মুবারক করলেন), সেটা মহান আল্লাহ পাক উনি আমাকে দেখালেন। দেখলাম- মহান আল্লাহ পাক উনি উনার পাশে নূর মুবারক স্থাপন করলেন।” সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
এই বিষয়টি স্বয়ং যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
৫৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাহু মুবারক نُوْرُ الْقُرْبَةِ مُبَارَكٌ নূরুল র্কুবত মুবারক
৫৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জামালী শান মুবারক نُوْرُ السَّكِيْنَةِ مُبَارَكٌ নূরুস সাকীনাহ্ মুবারক
৬০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জালালী শান মুবারক نُوْرُ الْاَحْـمَرِ مُبَارَكٌ নূরুল আহ্মার মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
আরশে আযীমের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক যাহির হয়, সেখান থেকে এটা সারা কায়িনাতে প্রচার-প্রসার হয়। সাধারণভাবে মানুষ মনে করে, আরশে আযীম থেকে মূল বিষয় প্রকাশ পায়। ঠিক আছে হয়, ঠিকই হয়। কিন্তু আরশে আযীম- যে ফায়দা লাভ করে, এটা কিভাবে লাভ করে? আরশে আযীমের ৭০ হাজার ভাগের একভাগ নূর মুবারক যাহির হলো তূর পাহাড়ে, হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি না’লাইন শরীফ খুলে গেলেন। তাহলে আরশে আযীম ফায়দা লাভ করছে কিভাবে? এটা আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে আসে। তাহলে এটা শুধু মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকেই আসে? উনার তরফ থেকে শুধু আসে না। আর আরশে আযীম বাকি অংশ পড়ুন...












