মসজিদ সংস্কার:
২০০৬ খৃ:, মসজিদটির জরুরি মেরামত করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়। সৌদি শাসক আব্দুল্লাহ সেই সংস্কারের জন্য অনুদান দিতে চায়। মসজিদটির ইমাম জানান যে, সৌদি প্রতিনিধিদের নিকট থেকে এই প্রস্তাব তিনি সরাসরি পেয়েছেন, কিন্তু তিনি তাদের ভারত সরকারের সাথে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেন। দিল্লীর আদালত বলে যে, এই বিষয়টির কোনো “আইনত উপায়” নেই।
বিভিন্ন প্রসাশনিক এবং লজিস্টিক বাধার কারণে মসজিদটির সংস্কারের একটি প্রকল্প ২০০০ এর দশকের প্রথম দিক থেকে অবাস্তবায়িত রয়ে গেছে।
সন্ত্রাসী হামলার কবলে মসজিদ:
দিল্লী জামে মসজিদের যেমন আছে গৌরব বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদটির প্রতিনিধিত্ব করতে এবং সেখানে সেই শর্তগুলো প্রয়োগ করতে মসজিদটির আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধি হিসেবে দিল্লীর মুসলিম ব্যাক্তিদের নিয়ে জামে মসজিদ পরিচালনা পরিষদ (জেএমএমসি) গঠন করা হয়। মসজিদটি পরবর্তিতে আবার সংস্কার করা হয়।
১৮৫৭ খৃ: পর্যন্ত এটি ছিল সাম্রারাজ্যের প্রধান মসজিদ। মসজিদটি ভারতে ইসলামিক শক্তি এবং ঔপনিবেশিক শাসনে প্রবেশের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত ছিল। এই মসজিদটি এখনও চালু আছে এবং এটি দিল্লীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর একটি, যার পরিচিতি পুরান দিল্লীর সাথে মিশে আছে।
মুঘল আমল থেকে বর্তমান পর্যন্ত ইতিহাসের নানা বাকি অংশ পড়ুন...
এই মসজিদেই শাহজাহান জুমুয়ার নামাযে খুতবা দিয়ে তার শাসনামল আনুষ্ঠানিক করেন। মসজিদটি ভারতে মুঘলদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। মসজিদটি শাহজাহানাবাদে বসবাসকারী মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল, যেখানে শ্রেণিভাগ অতিক্রম করে মানুষ একে অপরের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করতে পারত। শাহজানাবাদের মানুষ এখানে শ্রেণিভাগ ভুলে একে অপরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারত, তাই মসজিদটি তাদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
ব্রিটিশ শাসনামল:
১৮০৩ খৃ:, ইংরেজরা শাহজাহানাবাদ দখল করে। সম্রাট মসজিদটির আনুষ্ঠানিক নেতা হিসেবেই থাকেন, তবে মুঘলদের ক্ষমতাকা বাকি অংশ পড়ুন...
সুলাইমানী মসজিদ কমপ্লেক্স তৎকালীন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মসজিদ কমপ্লেক্স ছিল। যাকে তুর্কী ভাষায় “কুলিয়া” বলা হয়, অর্থাৎ স্বয়ংসম্পূর্ণ মসজিদ কমপ্লেক্স। কেননা এতে মসজিদের পাশাপাশি আরও অনেক দাতব্য প্রতিষ্ঠান ছিল ১- দারুশ শিফা বা হাসপাতাল। ২- বিদ্যালয় । ৩- হাম্মামখানা বা পাবলিক বাথ। ৪। আশ্রয়কেন্দ্র । ৫- অতিথি ভবন । ৬- চারটি স্বতন্ত্র দ্বীনি শিক্ষালয় বা মাদরাসা। ৭- দারুল হাদীস বা উচ্চতর হাদীস গবেষণা কেন্দ্র। ৮। মেডিক্যাল কলেজ। ৯। বিনামূল্যে অসহায় দরিদ্রদের জন্যে খাদ্য তৈরী ও বিতরণ কেন্দ্র।
মোটকথা সুলতান সুলাইমান এই মসজিদকে একটি পর বাকি অংশ পড়ুন...
সুলায়মানী মসজিদের বিশাল চত্ত্বরটি সাধারণত প্রতি জুমুয়াবার ও দুই ঈদে অতিরিক্ত মুসল্লী সংকুলানে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া জানাযা নামাযের জন্যও এই চত্ত্বর ব্যবহার করা হয়। আঙ্গিনাটির মেঝে উৎকৃষ্ট শ্বেত মর্মর পাথরে নির্মিত এবং এর কেন্দ্রস্থলে একটি ঝর্ণা আছে।
মনোরম ইস্তাম্বুলের মুকুট হিসেবে খ্যাত সুলাইমানী মসজিদ ১৬৬০ খৃ: এক অনাকাংখিত অগ্নিকা-ে ব্যপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই অগ্নিকা-ের ফলে সুলাইমানী মসজিদ কমপ্লেক্সের দক্ষিনের অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তৎকালীন উসমানীয় সুলতান সুলতান মুহম্মদ তাঁর পূর্ব পুরুষের গড়া এই ঐতিহাসিক মসজিদের ক্ বাকি অংশ পড়ুন...
সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সুলতান সুলায়মান আল কানুনী ১৫৫০ সনে মারমারার তীরবর্তী একটি মনোরম উঁচু ভূমিতে এই ঐতিহাসিক মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দেন, মসজিদ নির্মাণে উঁচু ভূমি এ জন্যেই নির্বাচন করা হয়, যাতে ইস্তাম্বুলের যে কোন স্থান হতে তা দৃষ্টিগোচর হয়। উসমানীয় সালতানাতের শুরুর দিকের শ্রেষ্ঠ স্থপতি মিমার সিনান পাশা এই মসজিদটির নকশা প্রণয়ন করেন। নির্মাণকালে এই সুবিশাল মসজিদ কমপ্লেক্সটিতে একটি বিশ্ববিদ্যালয়, গণ রান্নাঘর যা সংলগ্ন অতিথি ভবন ও আশ্রয় কেন্দ্রের খাবার তৈরী ও সরবরাহের জন্যে নির্মাণ করা হয়েছিল। এছাড়াও হাসপাতাল ও গ্র বাকি অংশ পড়ুন...
একনজরে ঐতিহাসিক সুলাইমানী মসজিদ:
সুলাইমানী মসজিদের অবস্থান তুরস্কের ইস্তাম্বুলে। মসজিদটির নির্মাণকাল ১৫৫০-১৫৫৮ খৃ:। মসজিদটি নির্মাণ করেছেন সমগ্র বিশ্বব্যাপী অত্যান্ত সুপরিচিত ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় সালতানাদের বিখ্যাত স্থপতি মিমার সিনান। মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা উসমানীয় সালতানাতের সুলতান সুলাইমান কানুনী। মূল মসজিদের আয়তন দৈর্ঘ্য : ৫৯ মিটার, প্রস্থ ৫৮ মিটার = ৩৪২২ বর্গ মিটার। মসজিদের মূল গম্বুজের উচ্চতা ৫৩ মিটার। মসজিদে মিনার সংখ্যা ৪টি। মিনারের উচ্চতা ৭২ মিটার।
তুরস্কের ঐতিহাসিক নগরী ইস্তাম্বুল যখন উসমানীয় সালতানাতের রা বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান কাঠামোঃ
বাব আল-মুজাইয়িনিন বর্তমানে প্রবেশপথ। এ ফটক দিয়ে প্রবেশের পর মার্বেল দিয়ে বাধাই করা উঠানে আসা যায়। এর বিপরীতে মূল নামাজের স্থান রয়েছে। বাব আল-মুজাইয়িনিনের উত্তরপূর্বে উঠানের বহির্ভাগে মাদরাসা আল-আকবাগাউয়িয়া অবস্থিত এবং দক্ষিণপশ্চিমে মাদরাসা আল-তাইবারসিয়া অবস্থিত। প্রধান প্রবেশপথের বিপরীতে ১৪৯৫ খৃ: নির্মিত বাব আল-গিনদি (কাইতবাই ফটক) অবস্থিত। এর উপরে কাইতবাই মিনার রয়েছে। এই ফটক দিয়ে নামাজের স্থানে যাওয়া যায়। বাকি অংশ পড়ুন...
কাইতবাই মিনারঃ
এই মিনার ১৪৮৩ খৃ: নির্মিত হয়েছিল। এতে দুইটি অষ্টাভুজাকার ও একটি সিলিন্ডার আকৃতির উপরের দিকে লম্ব অংশ রয়েছে। এর বারান্দা সংখ্যা তিন। প্রত্যেকটি বারান্দা মুকারনাস ব্যবহার করে ধরে রাখা হয়েছে। প্রথম উলম্ব অংশটি অষ্টাভুজাকার। এর উপরে আরেকটি উলম্ব অংশ বারান্দা দ্বারা প্রথম অংশ থেকে পৃথক অবস্থায় রয়েছে। দ্বিতীয় আরেকটি বারান্দা মিনারের শেষ অংশকে ধরে রেখেছে। তৃতীয় আরেকটি বারান্দা শীর্ষভাগকে ধরে রেখেছে।
এই মিনারটি পূর্বের একটি ফাতেমীয় মিনারের স্থলে নির্মিত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। সমসাময়িক বিবরণসমূহ অনুযায়ী ফা বাকি অংশ পড়ুন...
উঠোনের দেয়ালের অলঙ্করণঃ
১০০৯ থেকে ১০১০ খৃ: এর মধ্যে মার্বেলের মেঝে যুক্ত করা হয়। উঠোনকে ঘিরে থাকা আর্কেড কিল আকৃতির আর্চ যুক্ত ও অলঙ্করণ সমৃদ্ধ। এসকল আর্চ আল-হাফিজের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল। অলঙ্করণগুলোও তার সময়ের এবং ১৮৯১ খৃ: সেগুলো পুনরায় অঙ্কন করা হয়। দুই ধরনের অলঙ্করণ এতে ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়াও কুফিক লিপিতে লিখা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার আয়াত শরীফ আয়াত উৎকীর্ণ রয়েছে। পবিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার আয়াত শরীফ ফাতেমীয় যুগে উৎকীর্ণ হয়েছিল। যা দক্ষিণের আর্কেডে মূল প্রবেশপথ অবস্থিত।
১০০৯ খৃ: আল-হাকিমের শাসনামলে একটি কাঠের বাকি অংশ পড়ুন...












