এই সমস্ত মাদ্দ উনার হরফকে মাদ্দে আছ্লী বলে। যেমন-
بِهٖ دٰوٗدُ ذٰلِكَ مٰلِكِ طَغٰى يَرَهٗ
يَدَهٗ تُرٰبًا سَلٰمٌ مِهٰدًا جُوْعٍ رَضُوْا
عَادٍ فِيْهِ قَالَ نَارًا حَافِظٌ دَافِقٍ
عَابِدٌ غَاسِقٍ نَاصِرٍ اَعُوْذُ اَكِيْدُ حِسَابًا
يُقَالُ يَـخَافُ شَرَابًا شِدَادًا طَعَامٍ كِرَامًا
عَذَابٌ مَعَاشًا مُطَاعٍ مَفَازًا وِفَاقًا رَسُوْلٍ
ثُبُوْرًا قُعُوْدٌ وُجُوْهٌ اَلِيْمٌ مَـجِيْدٌ خَبِيْرٌ
شَهِيْدٌ قَرِيْبًا عَظِيْمٍ مُـحِيْطٌ نَعِيْمٌ يَـتِيْمًا
عِيْشَةٍ تَرْضٰى اَبْقٰى يَسْعٰى يَتْلُوْا يُغْنِىْ
يَدْعُوْا تَـجْرِىْ مَـحْفُوْظٌ مَظْلُوْمٌ تَقْوِيْـمٍ مَـمْنُوْنٍ
خَلَقْنَا رَفَعْنَا وَضَعْنَا تَضْلِيْلٍ مِسْكِيْنًا لَقَادِرٌ
বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার কালাম পাক উনার মধ্যে এবং আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, যিকরুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র যিকির উনার বহু গুরুত্ব ও ফযীলত বর্ণনা করেছেন। যেমন, পবিত্র যিকির উনার গুরুত্ব ও ফযীলত সম্পর্কে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاذْكُرُوْنِـىْ اَذْكُرْكُمْ
অর্থাৎ “তোমরা আমার যিকির কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করবো।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৫২)
এ পবিত্র আয় বাকি অংশ পড়ুন...
১নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ.
অর্থ: “হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক মুসলমান (নর-নারীর) জন্য সম্মানিত ইল্ম অর্জন করা ফরয।” (বুখারী শরীফ, বায়হাক্বী শরীফ, ত্ববরানী শরীফ, ইবনে মনছুর, কানযুল উম্মাল শরীফ/২৮৬৪৭)
২নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
বাকি অংশ পড়ুন...
১৯০
এখন সেটা পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ থেকেই হোক, পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ থেকেই হোক, পবিত্র সূরা নূর শরীফ থেকেই হোক। ইফক্ব উনার ওয়াক্বিয়া থেকেই হোক অথবা তাহরীম, তা’খীর, ইলা’ একই জিনিস। তবে এখানে একটা বিষয় রয়ে গেছে যে, ইলা’ যেটা রয়ে গেছে আসলেতো সেটা ইলা’ ছিলো না। এক মাসের বেশি, যা মূল হচ্ছে তাহলে পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ নাযিল হলো। এখন ইফক্বের যে ওয়াক্বিয়া পবিত্র সূরা নূর শরীফ যে নাযিল হয়েছে, এখানে বিশুদ্ধ বর্ণনা পাওয়া দূরূহ কঠিন। এখন ৫ম হিজরী শরীফে ২৮ শে যিলহজ্জ শরীফ, যেটা সম্মানিত বনী মুস্তলিক্ব জিহাদের পর সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশ্ন: وَمَآ اَرْسَلْـنٰكَ اِلَّا رَحْـمَةً لِّـلْعٰلَمِيْـنَ সম্মানিত আয়াত শরীফ অর্থ কি?
উত্তর: “আর (আমার মহাসম্মানিত হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সমস্ত আলমের জন্য, তামাম সৃষ্টি সকলের জন্য মহাসম্মানিত রহমত মুবারক স্বরূপ প্রেরণ করেছি, সৃষ্টি মুবারক করেছি।”
প্রশ্ন: أن الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم نور فى القلوب وتكفير الذنوب ورحمة للأحياء والأموات
এই বাক্য মুবারক উনার অর্থ কি?
উত্তর: “নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মুহম্মদ জসিম উদ্দিন বলেছেন, মুখে বলবেন বিভিন্ন সমস্যার কারণে পণ্য নেই। কিন্তু সরকারের লোক অভিযানে গেলেই খাটের ও মাটির নিচে ৫০০, ২ হাজার কেজি তেল পাওয়া যাচ্ছে, তা হবে না। নেই তো নেই। ৩০০ বছরের রেওয়াজ রমাদ্বান শরীফ এলেই দাম বাড়ানো। এভাবে নাটক সিনেমা বন্ধ করতে হবে। এতে ব্যবসায়ীদের প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে।
রাজধানীর মতিঝিলে গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) এফবিসিসিআইয়ের সম্মেলনকক্ষে রমাদ্বান শরীফ উপলক্ষে নিত্য পণ্যের মজুদ, সরবরাহ ও দামের ব্যাপারে ব্যবসায়ী বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নিত্যপণ্যের বাজারে চলছে অস্থিরতা। পাল্লা দিয়ে চিনির দামও বেড়েছে। দাম কমাতে আসন্ন রমাদ্বান শরীফ উপলক্ষে ভারত থেকে চিনি আমদানি করতে চান ব্যবসায়ীরা।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আসন্ন পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর আমদানি, মজুদ, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি বিষয়ে মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানান তারা।
ব্যবসায়ী নেতারা জানান, রমাদ্বান শরীফ ছাড়া মাসে গড়ে দেড় লাখ মেট্রিক টন চিনি প্রয়োজন হয়। আর রমজানে প্রয়োজন তিন লাখ মেট্রিক টন। প্রায় দ্বিগুণ। এজন্য অপরিশোধিত চিনি আমদান বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদের মুখে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ বই দুটি পাঠদান থেকে প্রত্যাহার করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এরইমধ্যে বিদ্যালয়ে এটি না পড়াতেও নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ নির্দেশনা দেশের সব মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ‘ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান’ বিষয়ের ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ পাঠ্যপুস্তক দুটি প্রত্যাহার করা হয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সব অনুমান, নানা জল্পনাকল্পনা শেষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনীত করল আওয়ামী লীগ। জাতীয় নির্বাচনের আগে এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে সবার নজর ছিল। কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি-এ নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকের নাম নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছিল। কিন্তু সব আলোচনা ছাপিয়ে অনেকটা চমকের মতো এসেছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর নাম।
আর কোনো প্রার্থী না থাকায় এখন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচ বাকি অংশ পড়ুন...
মানসম্পন্ন ক্যালিগ্রাফি করতে হলে এর কলাকৌশল ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ভালভাবে জানতে হয়। উমাইয়া শাসন আমল থেকে ব্যাপকভাবে ক্যালিগ্রাফি বিষয়ে শিক্ষার শুরু হয়। ক্যালিগ্রাফি হচ্ছে উস্তাদ নির্ভর শিল্প। এজন্য যে সমস্ত শিক্ষার্থীরা এ বিষয়টিতে দক্ষতা ও আগ্রহ বোধ করত। তারা উস্তাদ ক্যালিগ্রাফারগণের কাছ থেকে বিশেষ পাঠ গ্রহণ করত।
ক্যালিগ্রাফির কলাকৌশল প্রধানতঃ মুখে মুখে এবং হাতে কলমে শিক্ষা দেয়া হতো। এ সম্পর্কে আলী মাশহাদীর বিখ্যাত পত্রমালয় বর্ণিত আছে যে, একজন ওস্তাদ তোমাকে কিভাবে শেখাবেন? ভাল লেখা তোমার অনুপস্তিতিতে শোখানো যাবে ন বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময়েই পৃথিবীর সব ভূখন্ডেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দাওয়াত মুবারক পৌছে গিয়েছিলো। এর মধ্যে রাশিয়াও অন্যতম। বর্তমান রাশিয়ার দাগিস্তান অঞ্চল সর্বপ্রথম মুসলিম শাসনাধীন হয়। এরপর ইতিহাসের নানা পর্যায়ে উমাইয়া, আব্বাসীয়, উসমানীয় ও সেলজুক সুলতানরা বর্তমান রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল বিজয় করেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় মুসলিম শাসন ব্যবস্থা না থাকায় রুশ অঞ্চলে একাধিক মুসলিম ভূখন্ড গড়ে ওঠে। আঠারো শতকের শুরু থেকে রুশরা এসব এলাকা জুলুম করে দখল করে নেয বাকি অংশ পড়ুন...












