নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পছন্দনীয় ফল খেজুর। পবিত্র কুরআন শরীফে ২৬ বার খেজুরের কথা উল্লেখ রয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফে বৃক্ষ-তরুলতার বিবরণ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি জমিনে উৎপন্ন করেছি শস্য-আঙুর, শাক-সবজি, জয়তুন ও খেজুর বৃক্ষ। ’ (সূরা আবাসা, আয়াত শরীফ ২৭)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, ‘খেজুর ও আঙুর থেকে তোমরা সাকার ও উত্তম খাদ্য তৈরি করো। নিঃসন্দেহে জ্ঞানী লোকদের জন্য এতে নিদর্শন আছে। ’ (পবিত্র সূরা নাহল, আয়াত শরীফ ৬৭)
পবিত্র সূরা আনআম শরীফের ৯৯ নাম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَـٰكِنَّ اللَّـهَ حَبَّبَ إِلَيْكُمُ الْإِيمَانَ وَزَيَّنَهُ فِي قُلُوبِكُمْ وَكَرَّهَ إِلَيْكُمُ الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ ۚ أُولَـٰئِكَ هُمُ الرَّاشِدُونَ
অর্থ : মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের প্রতি পবিত্র ঈমানকে প্রিয় করেছেন এবং পবিত্র ঈমান দ্বারা আপনাদের অন্তর মুবারক সৌন্দর্যমন্ডিত করেছেন এবং আপনাদের কাছে কুফরী, ফাসিকী, নাফরমানীমূলক বিষয়গুলোকে অপ্রিয়, অপছন্দনীয় করেছেন। উনারাই হচ্ছেন প্রকৃত হিদায়েতপ্রাপ্ত। (পবিত্র সূরা হুযুরাত: আ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছোহবত মুবারকের তা’ছীর বা প্রভাব:
সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি জওয়াবে ইরশাদ মুবারক করলেন, প্রথমে তোমার অন্তর রাজ্য থেকে গাইরুল্লাহর মুহব্বত দূর করো। যেখানে শত শত মেয়েদের মুহব্বতের বাসা সেখানে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের ইশক-মুহব্বত প্রবেশ করবে কিভাবে? মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে -
عن حَضْرَتِ السائب بن يزيد رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قال كنا نقوم في زمان حضرت الفاروق الاعظم عليه السلام بعشرين ركعة والوتر.
অর্থ: হযরত সায়িব বিন ইয়াযিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমরা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারক কালে বিশ রাকায়াত পবিত্র তারাবীহ্ ও পবিত্র বিতির পড়তাম। (সুনানে সুগরা লিল বায়হাকী, পবিত্র হাদীছ শরীফ নং-৮৩৩, মারিফাতুস সুনান ওয়াল আসার, পবিত্র হাদীছ শরীফ নং-১৪৪৩)
কিতাবে আরো বর্ণিত আছে -
كان الناس يصلون فى زمان حضرت الفاروق الاعظم عليه السلام فى رمضان عشرين ركعة ويوت বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে: “তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন; এমনকি নিজের জীবন থেকে আমাকে বেশি মুহব্বত করতে না পারবে। ”
এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার প্রেক্ষিতে জ্বলন্ত জিজ্ঞাসা ব্যক্তি মুসলমান থেকে রাষ্ট্রের প্রতি- মুসলমানরা কী আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সর্বক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে পেরেছে?’
অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহপাক তিনি আদেশ মুবারক করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা এনেছেন তা আঁকড়ে ধর এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তা থেকে বিরত থাকো। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ্ পাক উনাকে ভয় করো। মহান আল্লাহ্ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা। ” (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ৭)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা মেথি দ্বারা আরোগ্য লাভ কর।
নূর বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার সঙ্গে পবিত্র যাকাত উনার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কেননা রোযা হচ্ছে দেহের জন্য পবিত্র যাকাতস্বরূপ। সম্পদের যেরূপ পবিত্র যাকাতের হুকুম রয়েছে, তদ্রƒপ শরীরের পবিত্র যাকাত হিসেবে রোযাকে গ বাকি অংশ পড়ুন...
রোযায় একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। এসময় শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও কেউ যদি রোযা রেখে কায়িক পরিশ্রম করেন বা ঘাম ঝরে তাহলে শরীরে লবণ ও পানি স্বল্পতা দেখা দিতে পারে। ফলস্বরুপ মাথাব্যাথা, মাথা ঝিমঝিম, গায়ে ব্যথা হয়। তাই রমাদ্বান শরীফ মাসে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা পেতে কিছু সতর্কতা মেনে চলুন।
১. ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পরিমাণ মতো পানি পান করা।
২. ঘাম বেশি হলে বা রোযা রেখে সারাদিন পরিশ্রম করার প্রয়োজন হলে আগেই সাহরির সময় ওরস্যালাইন বা ইলেকট্রোরাল জাতীয় পানীয় পান করা।
৩. বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সুদানের গৃহযুদ্ধে শুধু নারীরাই নয়, সেনাদের সম্ভ্রমহরণের শিকার হচ্ছেন ছেলে শিশুরাও। নবজাতকরাও তাদের বর্বরতা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, সুদানের গৃহযুদ্ধে সম্ভ্রমহরণের শিকারদের মধ্যে এক বছর বয়সী শিশুরাও আছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নারী ও শিশুদের নির্বিচারে সম্ভ্রমহরণকে যুদ্ধের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০২৪ সালে ২২১টি শিশু সম্ভ্রমহরণের ঘটনা নথিবদ্ধ করেছে সংস্থাটি। তবে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এসব সম্ভ্রমহরণের ঘটনার মধ্যে ১৬ জন ভুক্তভোগীর বয় বাকি অংশ পড়ুন...












