সাইয়্যিদুনা হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার গরুর গোস্ত দ্বারা মেহমানদারী
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
هَلْ أَتَاكَ حَدِيْثُ ضَيْفِ إِبْرَاهِيْمَ الْمُكْرَمِيْنَ. إِذْ دَخَلُوْا عَلَيْهِ فَقَالُوْا سَلَامًا ۖ قَالَ سَلَامٌ قَوْمٌ مُّنْكَرُوْنَ. فَرَاغَ إِلٰى أَهْلِهٖ فَجَآءَ بِعِجْلٍ سَمِيْنٍ
অর্থ: “(হে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনার কাছে সাইয়্যিদুনা হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত মেহমানদের সংবাদ মুবারক এসেছে কি? (অর্থ বাকি অংশ পড়ুন...
উনাদেরকে দেখে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন-
كِلاَهُمَا عَلَى خَيْرٍ
উভয়েই উত্তমের মধ্যে রয়েছেন-
وَأَحَدُهُمَا أَفْضَلُ مِنْ صَاحِبِهِ
একজন আরেকজন থেকে শ্রেষ্ঠ, উত্তম।
أَمَّا هَؤُلاَءِ فَيَدْعُونَ اللهَ وَيُرَغِّبُونَ إِلَيْهِ فَإِنْ شَاءَ أَعْطَاهُمْ وَإِنْ شَاءَ مَنَعَهُمْ
উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ডাকতেছেন-
فَيَدْعُونَ اللهَ وَيُرَغِّبُونَ إِلَيْهِ
এবং মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির-আয্কারে মশগুল রয়েছেন, প্রার্থনা-দোয়া করতেছেন মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
৪ ছুবহে ছাদিক্ব শরীফ سَيِّدُ سَيِّدِ الْاَوْقَاتِ شَرِيْفٌ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ
৫ চাশতের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যুহরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পূর্বে বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী দিনের ১২টার দিকে سَيِّدُ سَيِّدِ السَّاعَاتِ شَرِيْفٌ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিস সা‘আত শরীফ
৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওজূদ মুবারক نُوْرُ الْقُدْرَةِ مُبَارَكٌ নূরুল কুদ্রত মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিশেষভাবে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছেন-
১. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াতী এবং রিসালতী শান মুবারক প্রকাশের পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আক্বীক্বাহ্ মুবারক নিজে দিয়ে তিনি নিজেই উনার নিজের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল কুদরত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওজূদ মুবারক) এবং মহাসম্মান বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার পক্ষ থেকে আবাদুল আবাদ বা অনন্তকাল যাবৎ কুরবানী করার জন্য উম্মতের প্রতি আদেশ মুবারক করেছেন। এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ حَنَشٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ اِمَامِ الْاَوَّلِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ اَمَرَنِـىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنْ اُضَحِّىَ عَنْهُ فَاَنَا اُضَحِّىْ عَنْهُ اَبَدًا
“বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত হানাশ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইমামুল আউ বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকার সোনারগাঁয়ে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার করার জন্য যারা এসেছিলেন উনাদের মধ্যে হযরত হাজী বাবা সালেহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নাম উল্লেখযোগ্য। বাবা সালেহ রহমতুল্লাহি আলাইহি বাংলায় স্বাধীন সুলতানদের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সুলতান জালালউদ্দিন ফতেহ শাহের শাসনামল থেকে আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনকাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় সোনারগাঁও অঞ্চলে ছিলেন। কোন কোন বর্ণনা অনুযায়ী তিনি প্রশাসনিক একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।
১৪৮২ খৃষ্টাব্দে তিনি বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীর বামতীরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৫০৪ খৃষ্টা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নূরুল বারাকাত মুবারক অর্থাৎ থুথু মুবারক দান:
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউসুল আ’যম, মাহবূবে সুবহানী, মুজাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার মিম্বর শরীফে দাঁড়িয়ে বললেন, “একবার সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আমার যিয়ারত মুবারক হয়। তিনি বাকি অংশ পড়ুন...
বাগদাদ শহরে একটি খারাপ দল ছিল। তাদের কাজ ছিল খুন খারাবি, ছিনতাই, রাহাজানি, মহিলা ব্যবসা করা। নাঊযুবিল্লাহ! সেই দলে ছেলে বুড়ো বুড়ি জোয়ান অনেকে মিলেই কাজ করতো বিভিন্ন রকম চুরি জোচ্চরি ডাকাতি ইত্যাদি করার জন্য। এভাবে একদিন তাদের দলের এক বুড়ি একজন মেয়েকে ধোঁকা দিয়ে আনলো। মেয়েটি যখন বুঝতে পারলেন তিনি খারাপ চক্রের পাল্লায় পড়েছেন, তখন তিনি বারবার উনাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করতে লাগলেন বললেন, তিনি একজন আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার বাকি অংশ পড়ুন...












