৫৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইশারা মুবারক نُوْرُ الْاَمِيْنِ مُبَارَكٌ নূরুল আমীন মুবারক
৫৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চক্ষু মুবারক উনার পাতা বা পলক মুবারক نُوْرُ الْـمُبَشِّرِ مُبَارَكٌ নূরুল মুবাশ্শির মুবারক
৫৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কোমর মুবারক نُوْرُ النِّظَامِ مُبَارَكٌ নূরুন নিযাম মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে যারা বাতিল, দ্বয়ীফ, মুনকার ও মাতরূক বলেছে তাদের দাবী অশুদ্ধ হওয়ার দলীল
৪র্থ দলীল
হুফ্ফাযুল হাদীছ, ইমামুল মুহাদ্দিছীন হযরত আবূ হাফছ উমর ইবনে আহমদ ইবনে উছমান ইবনে শাহীন রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৩৫৮ হিজরী শরীফ) তিনি উনার লিখিত দুটি কিতাব ‘আল আফরাদ এবং ফাদ্বাইলু হযরত ফাত্বিমাহ্ বিনতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনাদের মধ্যে বর্ণনা করেন,
حَدَّثَـنَا حَضْرَتْ اَلْقَاسِمُ بْنُ اِسْـمَاعِيْلَ اَلْمَحَامِلِىُّ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ حَدَّثَـنَا حَضْرَتْ اَلْفَضْلُ بْنُ يَـعْقُوْبَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ ق বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুন্নত মুবারক পালন করার আদেশ মুবারক এবং খাছ করে হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার আদেশ মুবারক পালন করার হুকুম
১ম দলীল
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ عِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْكُمْ بِسُنَّـتِـىْ وَسُنَّةِ الْـخُلَفَاءِ الرَّاشِدِيْنَ الْمَهْدِيِّـيْـنَ مِنْ بَۢعْدِىْ وَعَضُّوْا عَلَـيْـهَا بِالنَّـوَاجِذِ
“হযরত ইরবাদ্ব ইবনে সারিয়াহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُه‘ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا اُولٰئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ اَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْاٰخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ.
অর্থ: ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত মসজিদসমূহে উনার যিকির মুবারক করতে, উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজাড় বা বিরাণ করতে চেষ্টা করে। তাদের জন্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় অর্থাৎ খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করা ব্যতীত মসজিদসমূহে প্রবেশ করা জায়ি বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
(৪) হযরত সাহল ইবনে আবদুল্লাহ তাস্তারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ইন্তিকালের সময় মারিফতে ও হাক্বীক্বতে কামিল চারশত মুরীদ উনার নিকটবর্তী ছিলেন। একজন জিজ্ঞেস করলেন, “হযরত! আপনার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন? যে আপনার মিন্বরে বসে ওয়াজ করবেন? তিনি বললেন, শাদে-দিল। ”
শাদে-দিল একজন অগ্নিপূজক, তখন যারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন, উত্তর শুনে সকলে বললেন, হযরত! তিনি মৃত্যু যন্ত্রনায় অজ্ঞান অবস্থায় আছেন। হযরত সাহল তাস্তারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সকলের এ মন্তব্য শুনে বললেন, গোলমাল করো না; যাও শাদে-দিলকে ডেকে আনো। তাকে ডাকা হলো। তিনি তাকে দেখে বললেন, তুমি বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَكُمْ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
অর্থ: “তোমাদের উপর জিহাদ ফরয করা হয়েছে। যদিও তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়; কিন্তু তোমরা যা পছন্দ করো না সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং তোমরা যা পছন্দ করো সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন, তোমরা জানো না। ” (পবিত্র সূরা ব বাকি অংশ পড়ুন...
১৮৩১ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে বালাকোটে শুধু একটি জিয়ারতগাহ ছিলো। উক্ত জিয়ারতগাহ হচ্ছে, বালা পীরের মাজার। বালা পীরের মাজার কুনহার নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত। ইহা বালাকোট হতে দেখা যায়। বালাকোটের যুদ্ধের পর সেখানে কয়েকটি ঐতিহাসিক স্থান ও কয়েকটি জিয়ারতগাহ রয়েছে। নিম্নে তা বর্ণনা করা হলো-
(১) মসজিদেই বালা- বা মসজিদেই কেল্লা:
উক্ত মসজিদ মূল বালাকোটের দক্ষিণাংশে অবস্থিত। যুদ্ধের পূর্বে উক্ত মসজিদে হযরত শাহ ইসমাঈল শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং অন্যান্য মুজাহিদ ছলাত আদায় করতেন। যুদ্ধের দিন বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরতময় সৃষ্টি মানব জাতি। তাদের এক অংশ নর অপর অংশ নারী। একজন অন্যজনের পরিপূরক। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَخَلَقْنَاكُمْ أَزْوَاجًا
অর্থ: আমি তোমাদেরকে জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছি। (পবিত্র সূরা নাবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮)
তবে তাদের মধ্যে সৃষ্টিগত কিছু পার্থক্য রয়েছে। জীবন যাপনের মধ্যেও কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। একইভাবে ইবাদত বন্দেগীতেও তাদের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। অথচ ছহীহ সমঝের অভাবে কিছু গোমরাহ লোক তা উপলব্ধি করতে পারেনা। ফলে তারা তাদের গোমরাহী মূলক ফতওয়া ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে সমাজে ফিতনা- ফাসাদ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ عَنِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قال لَوْ كَانَ لاِبْنِ آدَمَ وَادِيَانِ مِنْ مَالٍ لاَبْتَغَى ثَالِثًا، وَلاَ يَمْلأُ جَوْفَ ابْنِ آدَمَ إِلاَّ التُّرَابُ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন।
তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যদি আদম সন্তানকে ধন-সম্পদে পরিপূর্ণ দুটি উপত্যকাও দেয়া হয় (তবুও সে পরিতৃপ্ত থাকবে না। ) তারপরও সে তৃতীয়টির জন্য আশা-আকাঙ্খা করবে। মূলত মানুষের প বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে- হযরত হানাশ রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “আমি হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে দু’টি দুম্বা কুরবানী করতে দেখলাম এবং জিজ্ঞাসা করলাম এটা কি? (দু’টি কেন?) জবাবে তিনি বল বাকি অংশ পড়ুন...












