সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
কৃষিতে যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি, ফসল সংগ্রহোত্তর অপচয় হ্রাস, শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য পেতে শুরু করেছে কৃষক। পানিবায়ু পরিবর্তন তথা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
একজন ‘মুসলমান’ তাঁর সম্মানিত ‘ইসলামী’ জীবন-যাপনের সুযোগ পাবেন।
একজন ‘মুসলমান’, সম্মানিত ‘ইসলামী মূল্যবোধ’ বজায় রেখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে চলতে পারবেন; ফিরতে পারবেন।
একজন ‘মুসলমান’ তাঁর চারপাশের আবহে সম্মানিত ‘ইসলামী পরিবেশ’ পাবেন।
একজন মুসলমান- ‘তিনি চলাফেরা করলে কোনো বেপর্দ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
বছরের কোন কোন দিন ওমরাহ্ করা মাকরূহ্?
জাওয়াব:
যিলহজ্জ শরীফ মাসের ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ এই ৫ দিন উমরাহ্ করা মাকরূহ্। তবে যদি কেউ ৯ তারিখের পূর্বে উমরাহ’র জন্য ইহরাম বেঁধে থাকে তবে তার জন্য উমরাহ্ করা জায়েয রয়েছে।
সুওয়াল:
হেরেম শরীফের সীমানা কতটুকু?
জাওয়াব:
বাইতুল্লাহ বা কা’বা শরীফের উত্তরে ৩ মাইল, দক্ষিনে ৭ মাইল, পূর্বে ৯ মাইল এবং পশ্চিমে ১০ মাইল।
বি: দ্র: উপরোল্লিখিত হজ্জ ও উমরাহ সংক্রান্ত সুওয়ালের জাওয়াবসমূহের দলীল নিম্নরূপ-
দলীলসমূহ: তাফসীরে খাযেন, বাগউয়ী, তাবারী, যাদুল মাছীর, দুররে মানছূর, মাযহারী, কুরতুবী, বুখারী, মুসলিম, আ বাকি অংশ পড়ুন...
আর দ্বিতীয় বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হিজরত মুবারক করার পর পবিত্র মদীনা শরীফে তাশরীফ মুবারক আনলেন, তখন প্রত্যেকেই প্রত্যেকের অবস্থানস্থল ঠিক করে নিলেন। সে সময় দূর-দূরান্ত থেকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা আসতে লাগলেন।
পরিচিত-অপরিচিত, স্থানীয়-অস্থানীয় সকলেই এসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র ছোহবত মুবারক বা সাক্ষাত লাভ কর বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের আমল মুবারক
৩য় দলীল
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ اَبِيْهِ عَنْ جَدِّهٖ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَـيْـرِنَا
“হযরত আমর বিন শু‘আইব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উনার সম্মানিত পিতা উনার থেকে এবং তিনি উনার সম্মানিত দাদা (হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু) উনার থেকে বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
৬৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাটু মুবারক نُوْرُ الْـخُضُوْعِ مُبَارَكٌ নূরুল খুদ্বূ’ মুবারক
৬৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উরু মুবারক نُوْرُ الْـمُطَهَّرَةِ مُبَارَكٌ নূরুল মুত্বহ্হারহ্ মুবারক
৬৬ উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনাকে যে আরীহ্নী আরীহ্নী বলতেন نُوْرُ الرَّاحَةِ مُبَارَكٌ নূরুর রাহাত মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে যারা বাতিল, দ্বয়ীফ, মুনকার ও মাতরূক বলেছে তাদের দাবী অশুদ্ধ হওয়ার দলীল
৯ম দলীল
তাছাড়া অনেক হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা উনাকে ছহীহ হিসেবে মেনে নিয়ে সেই অনুযায়ী ফিক্বহী মাসয়ালা বর্ণনা করেছেন। সুবহানাল্লাহ! (নাইলুল আওত্বার, জামউল ওয়াসায়িল, ইয়ানাতুত ত্বালিবীন, তুহ্ফাতুল মুহ্তাজ ইত্যাদি)
কাজেই, যারা এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা উনাকে ‘দ্বয়ীফ, মুনকার, মাতরূক ও বাতিল’ বলতে চায়, তাদের কথা আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়; বরং ভু বাকি অংশ পড়ুন...
আপত্তিকারীদের তৃতীয় আপত্তি
নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে কুরবানী করা যদি ফরয হয়। তাহলে কুরবানী না করলে ফরয তরক করার গুনাহ হবে? হ্যাঁ হবে। সেই জন্য বলা হচ্ছে কেহ একা করতে না পারলে একাধিক জন মিলে যেন করে। তা ১০/২০/৩০/৪০/৫০/৬০/৭০/৮০/৯০/১০০ জন আরো বেশীও হতে পারে। অর্থাৎ প্রত্যেককে আলাদা আলাদা করতে হবে এমন নয়। তাহলে তো কোনো সমস্যা নেই।
সাধারণভাবেই ইন্তেকাল প্রাপ্ত ব্যক্তির পক্ষ থেকেও কুরবানী করা জায়িজ
পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহ দ্বারা অনেক ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা দলীল গ্রহণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
(১০) একদিন হযরত জুনায়েদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র মক্কা শরীফে এক নাপিতের কাছে গেলেন। তখন নাপিত একজন দরবেশের চুল কাটছিলো। হযরত জুনায়েদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার ওয়াস্তে তুমি আমার চুল কেটে দিতে পারবে?” নাপিত তৎক্ষনাৎ রাজী হলো এবং তার চক্ষুদ্বয় অশ্রুপূর্ণ হয়ে উঠলো। তখনও দরবেশের চুল কাটা শেষ হয়নি। তথাপি নাপিত দরবেশকে সশ্রদ্ধে বললো, আপনি উঠুন, আপনার কাজ শেষ করতে পারলাম না। কেননা মহান আল্লাহ পাক উনার নাম যখন উচ্চারিত হয়েছে তখন আমি পূর্ণ বিনিময় প্রাপ্ত হয়েছি। কাজেই আগে আমাকে সে কা বাকি অংশ পড়ুন...
দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ ময়দান। শুধু আয়তনে নয়, ইতিহাসেও অনন্য এক ময়দান। ‘আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে/যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ। ’ কাজী নজরুল ইসলামের এই উক্তি ধারণ করে এমন ঈদগাহ বর্তমানে বাংলাদেশে কমই আছে, কারণ বেশিরভাগ ঈদগাহে শহীদ কিংবা গাজীদের স্মৃতি নেই। কিন্তু বাংলাদেশ এবং উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ গোর-এ-শহীদ (ঘোড়া শহীদ) সত্যিকারভাবেই সূফী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাবনাকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে। কেননা, এ গোর-এ-শহীদ ময়দানে যে শায়িত আছেন ত্রয়োদশ শতকের এক আউলিয়ায়ে কিরাম, যিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার করত বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ-এ মাস ও বছরের উপস্থিতি:
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছাহিবজাদা শায়েখ হযরত সাইফুদ্দীন আব্দুল ওহাব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেছেন, “এমন কোন মাস ছিলো না, যেটা আমার আব্বাজান উনার খিদমতে হাজির হয়নি। নতুন চাঁদ উদিত হওয়ার আগেই প্রতিটি মাস হাজির হতো এবং মহান আল্লাহ পাক কর্তৃক নির্ধারিত নিয়তিতে সে মাসে কোন দুর্ঘটনা হওয়ার থাকলে, কোন ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে বা ক বাকি অংশ পড়ুন...












