বাংলাদেশে ইদানীং বাচ্চাদের হাঁপানি অনেক বেড়ে গেছে। বাচ্চাদের কোমল পানীয়ে ব্যবহৃত আরেকটি অনুমোদিত হলুদ রং ইয়েলো-৭-জি’সহ বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়ে ব্যবহৃত রংগুলো এজন্য প্রধানত দায়ী। বিজ্ঞানীরা বাচ্চাদের হার্টের অসুখের সাথেও এখন এসব রং এর সম্ভাব্য সম্পর্ক খতিয়ে দেখছে। অথচ দুঃখের কথা হচ্ছে যে, আমাদের দেশে বাচ্চাদের খাদ্য ও পানীয়গুলোতেই রং বেশি বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। এগুলো খেয়ে কত বাচ্চা যে ভয়ঙ্কর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সরকার তার কোনো নজরদারী করছে না, দায়ভার নিচ্ছে না।
আমাদের বাজারে ভারতীয় অজস্র কোম্পানির পাশাপাশি আইসিআই, বায়ার, বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নতী সবজি কদু হজমে সাহায্য করে। কদুতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার আছে। দ্রবণীয় ফাইবার খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে এবং হজম সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। তাই নিয়মিত সুন্নতী সবজি কদু খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শ, পেটফাঁপা ও অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে খুবই উপকার পাওয়া যায়। অদ্রবণীয় ফাইবার পাইলসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
নিয়মিত সুন্নতী সবজি কদু খাওয়া হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কদুতে কলেস্টেরল পরিমাণ শূন্য; যা হার্টের রোগীদের সুস্থ রাখতে অত্যন্ত সহায়ক। এতে ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টি বাকি অংশ পড়ুন...
সুস্থ থাকতে এবং শরীরে শক্তি বাড়াতে প্রতিদিনের ডায়েটে ফল, শাকসবজির পাশাপাশি বিভিন্ন রকম বাদাম খাওয়ার পরামর্শও দেন চিকিৎসকরা। যা শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূরে রাখতে সাহায্য করে। তবে বাদামের গুরুত্ব এবার আরও খানিকটা বেড়ে গেলো। কারণ এক গবেষণা জানাচ্ছে, যে কোন ধরনের বাদাম কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
জেন ইউনিভার্সিটির একদল গবেষকের মতে, শরীরে রিঅ্যাকটিভ অক্সিজেন ডিটক্সিফাই করার স্বাভাবিক ক্ষমতা রাখে বাদাম। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আল্ট্রভায়োলেট রেডিয়েশন, কিছু রাসায়নিক ও খাবার মেটাবলিজমের কারণে শরীরে এই রিঅ বাকি অংশ পড়ুন...
রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্যই শুধু নয়, স্বাস্থ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে তেজপাতা। বিশেষ করে যাদের কোলেস্টেরল বেশি বা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য তেজপাতা যেন প্রাকৃতিক ওষুধের মতো। পাশাপাশি এটি অন্ত্রের সমস্যা কমাতে ও শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। তবে শুধু রান্নায় তেজপাতা ব্যবহারে এই সুফল পাওয়া সম্ভব নয়; এজন্য তেজপাতার চা নিয়মিত পান করতে হবে।
তেজপাতার চায়ের গুণ:
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: নিয়মিত তেজপাতার চা পান করলে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। টাইপ ২ ডায়াবেটি বাকি অংশ পড়ুন...
সব ঋতুতেই হলুদ দুধ খাওয়ার রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। তবে শীতে ঋতু পরিবর্তনের ঠান্ডা আবহাওয়ায় নানা রোগের প্রকোপ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে নিয়মিত হলুদ দুধ খাওয়ায় অভ্যাসের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জানা যায়, শীতের সেরা পানীয় হিসেবে হলুদ দুধকে গণ্য করা হয়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এর অসংখ্য উপকারিতার কথা উল্লেখ রয়েছে। জেনে নিন হলুদ দুধের উপকারিতাসমূহ-
১। চিকিৎসকরা প্রদাহ প্রশমিত করতে কাঁচা হলুদ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
২। দুধে এক টুকরো কাঁচা হলুদের ব্যবহার হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে।
৩। কাঁচা হলুদে এমন কিছু অ বাকি অংশ পড়ুন...
খেজুর এমন একটি খাবার, শরীরের যত্ন নিতে যার ওপর সারা বছর ভরসা রাখা যায়। প্রতিদিন খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। বিস্ময়কর এই ফলটিতে রয়েছে অনেক গুণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুরে অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। তাই খেজুর সবার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তবে সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে খেজুর খেলে মিলবে বেশি উপকার।
এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, খালি পেটে খেজুর খাওয়ার নানা উপকারিতা সম্পর্কে জানুন।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে থাকবে: খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। এছাড়া মুখের লালাকে ভালোভাবে বাকি অংশ পড়ুন...
খেজুর এমন একটি খাবার, শরীরের যত নিতে যার ওপর সারা বছর ভরসা রাখা যায়। প্রতিদিন খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। বিস্ময়কর এই ফলটিতে রয়েছে অনেক গুণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুরে অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। তাই খেজুর সবার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তবে সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে খেজুর খেলে মিলবে বেশি উপকার।
এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, খালি পেটে খেজুর খাওয়ার নানা উপকারিতা সম্পর্কে জানুন।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে থাকবে: খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। এছাড়া মুখের লালাকে ভালোভাবে খা বাকি অংশ পড়ুন...
শীত মৌসুম চলছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে শরীরকে সুস্থ রাখতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি।
চিকিৎসকদের মতে, এই মৌসুমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এমন খাবার তালিকায় রাখা উচিত। আর শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে গাজর অন্যতম একটি উপকরণ যা শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষিত রাখে।
মূলত বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন-এ, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও খনিজ উপাদানে ভরপুর গাজর সর্দি-জ্বর ও বিভিন্ন ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরকে প্রাকৃতিক শক্তি জোগায়।
গাজরকে বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম উৎস ধরা হয় যা শরীরে প্রবেশ করে ভিটামিন-এ-তে রূপান্তরিত হয়। এটি কেব বাকি অংশ পড়ুন...
বুকের ব্যথা কখনো হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। কারণ এর পেছনে থাকতে পারে সাধারণ সমস্যা বা মারাত্মক রোগ। চিকিৎসকরা ঘুম ভাঙার সময় বুক ব্যথার সম্ভাব্য কারণগুলো এভাবে ব্যাখ্যা করেছেন-
হার্টসংক্রান্ত সমস্যা:
হার্ট অ্যাটাক: হৃদযন্ত্রে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হলে মাঝখানে চাপ বা তীব্র ব্যথা হতে পারে।
অ্যাঞ্জাইনা: ধমনীতে চর্বি জমে রক্তপ্রবাহ কমলে হঠাৎ ব্যথা হতে পারে।
পেরিকার্ডাইটিস: হার্টের চারপাশের আবরণে প্রদাহ হলে শ্বাস নেওয়ার সময় বা শুয়ে থাকলে ব্যথা বেড়ে যেতে পারে।
মায়োকার্ডাইটিস: হার্টের পেশিতে প্রদাহ হলে হৃদস্পন্দন অনিয়মিত ও ব্যথা হত বাকি অংশ পড়ুন...
হার্টকে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে অনেক বিশেষ সাপ্লিমেন্ট বা ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। আমাদের আশপাশে থাকা উজ্জ্বল লাল রঙের কিছু ফল হৃদস্বাস্থ্যের জন্য হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা। এই ফলগুলোতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং প্রাকৃতিক যৌগ যা শরীরের প্রদাহ কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং রক্তপ্রবাহ উন্নত করে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এগুলো সুস্বাদু এবং প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা অত্যন্ত সহজ। তাজা, জুসে, সালাদে বা নাস্তা হিসেবে যেভাবেই খান না কেন, লাল রঙের এই পাঁচ সুপারফুড আপনার হার্টের জন্য হতে পারে প বাকি অংশ পড়ুন...
হাসপাতাল জগতে সিসিইউ আর আইসিইউ বেশ পরিচিত নাম। অধিকাংশ মানুষ জানেন এগুলো গুরুতর রোগীদের জন্য বিশেষ ইউনিট, কিন্তু কোনটার কাজ কি -তা পরিষ্কার ধারণা সবার নেই। তাই সহজে জেনে নিন-
ওঈট (Intensive Care Unit)- পুরো শরীরের জরুরি সংকটে এখানে ভরসা। আইসিইউ মূলত এমন রোগীদের জন্য, যাদের জীবন বাঁচাতে নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং মাল্টি-অর্গান সাপোর্ট প্রয়োজন।
যেমন- শ্বাসকষ্ট বা নিউমোনিয়া, স্ট্রোক, বড় কোনো দুর্ঘটনা বা আঘাত, সেপসিস (রক্তে গুরুতর সংক্রমণ), অপারেশনের পর রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ দরকার হলে এবং কিডনি, লিভার বা লাং ফেইলিউর।
আইসিইউতে থাকে- ভেন্টিলেটর, মা বাকি অংশ পড়ুন...
ফলের খোসা সাধারণত কোন কাজে লাগে না। কোথাও কোথাও হয়তো খোসা জমিয়ে বাগানের সার তৈরি করা হয়; কেউ বা ত্বকচর্চার কাজে ব্যবহার করেন কিন্তু ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে ফলের খোসা ফেলে দেয়া হয়। তবে কোনও কোনও ক্ষেত্রে খোসা ফলের থেকেও বেশি স্বাস্থ্যকর। তাই খোসা ফেলে দেওয়া বা অন্য কোনও কাজে লাগানোর বদলে খেয়ে দেখতে পারেন। উপকারিতা অঢেল। নিম্নে ৪টি ফলের খোসার উপকারিতার তালিকা-
আপেলের খোসার উপকারিতা:
খোসা সমেত আপেল খাওয়া ভাল, তার কারণ এতে নানাবিধ পুষ্টিগুণ রয়েছে। এছাড়া প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে আপেলের খ বাকি অংশ পড়ুন...












