SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সুধারণা%' OR titleBn LIKE '%সুধারণা%' OR descriptionEn LIKE '%সুধারণা%' OR descriptionBn LIKE '%সুধারণা%' OR slug LIKE '%সুধারণা%' OR metaTag LIKE '%সুধারণা%' OR metaDescription LIKE '%সুধারণা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা শূরা শরীফ উনার ২৩নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
যদি সেই বিশুদ্ধ হুসনে যন পোষণ করতে না পারে তাহলে সেতো ঈমানদার থাকতে পারবে না। নাউযুবিল্লাহ! হুযনে যন পোষণ করা যদি ফরযে আইন হয়ে থাকে তাহলে কাগজে কলমে লেখাটা কি জায়েয আছে? নাউযুবিল্লাহ! এটার ভাষা নেই প্রকাশ করার কোন। উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী, সম্মান মুবারক কতটুকু? যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন, কেন সুধারণা পোষণ করলে না। কেন তোমরা চূ-চেরা কিল ও কাল করলে। কেন বললে না এটা একটা কঠিন অপবাদ। নুযূল খাছ হুকুম আম। উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার শা বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে কত পবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ছাড়া সব থেকে উনারা বেনিয়াজ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটাই হচ্ছে ছমাদিয়াত ও ত্বহারাতের মাক্বাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কাজেই বিষয়টা অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও কঠিন বিষয় বুঝাটা। অত্যন্ত সুক্ষ্ম বিষয়, যে উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত কতটুক বাকি অংশ পড়ুন...
ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা শূরা শরীফ উনার ২৩নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
সেটাই যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
لَوْلا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ ظَنَّ الْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَاتُ بِأَنفُسِهِمْ خَيْرًا
হে মুসলমান পুরুষ মহিলা (জিন-ইনসান) তোমরা যখন এ কথাগুলো শুনলে, তখন তোমরা কেন নিজেদের প্রতি অর্থাৎ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি সুধারণা পোষণ করলে না? নাউযুবিল্লাহ!
وَقَالُوا هٰذَا إِفْكٌ مُّبِينٌ
কেন তোমরা এই কথা বললে না এই বিষয়টা, এটা একটা প্রকাশ্য অপবাদ। নাউযুবিল্লাহ! যখন তোমরা শুনলে ইফক্বের ঘটনা। এরপর তিনি বললেন-
وَلَوْلا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُم مَّا يَكُونُ لَنَا أَن نَّتَكَلَّمَ بِهٰذَا سُبْحَانَكَ هٰذ বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম-মুজতাহিদ উনারা বলেন, হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইলমে লাদুন্নী হাদিয়া করে থাকেন। হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বদ আক্বীদা পোষণকারী, বদ মানসিকতাসম্পন্ন এবং বদ আমলকারী কোনো মানুষের প্রতি অসন্তুষ্ট হলে তার যে বিনাশসাধন হবে, এটিইতো সঙ্গত ও স্বাভাবিক। সূক্ষ্মদর্শী মাহবূব ওলীআল্লাহ উনাদের সম্পর্কে বদ আক্বীদা পোষণ এবং উনাদের বিরুদ্ধাচরণের কারণে উনাদের কোপানলগ্রস্ত হওয়ার কঠিন পরিণামফল সম্পর্কে কিতাবে বহু ঘটনা বর্ণিত রয়েছে।
যেমন: হযরত ফুযাইল বিন আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বাকি অংশ পড়ুন...
আর জীবনে কখনও চূ- চেরা, কীল-কাল করবে না।
عَسٰى رَبُّكُمْ أَنْ يُّكَفِّرَ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيُدْخِلَكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الأَنْهَارُ
তাহলে অবশ্যই তোমাদের যিনি রব তায়ালা উনার কাছে খালিছ তওবা করতে পারো। তোমরাতো ঈমানদার। কাফিরেরাতো জাহান্নামী হবে। তুমি যদি ঈমানদার হও এবং তওবা করতে পারো তাহলে কি হবে? যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের গোনাহ-খতা ক্ষমা করে দিবেন এবং তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার নিচে নহর প্রবাহিত রয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
يَوْمَ لَا يُخْزِي اللهُ النَّبِيَّ
ম বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لاَ تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِيْ مَنْصُورِيْنَ عَلَى الْـحَقِّ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَذَلَـهُمْ
অর্থ: সর্বদাই আমার উম্মতের মধ্যে একটি সাহায্যপ্রাপ্ত বিজয়ী দল হক্বের উপর থাকবে। বাতিলপন্থিরা উনাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত দ্বীন উনাকে জীবন্ত রাখার জন্য যুগে যুগে নিযুক্ত করেছেন নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম, ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া এবং উনাদের ওয়ারিছ ওলীআল্লাহ ও মুজাদ্দিদ উনাদেরকে এবং উনাদের স বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
হাক্বীক্বী ইছলাহ অর্জন করতে হলে কি ফয়েজ তাওয়াজ্জুহ হাছিল করা জরুরী?
জাওয়াব:
ইছলাহ হাছিল করতে হলে এবং হক্বের উপর ইস্তিকামত থাকতে হলে অবশ্যই ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করতে হবে। ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ছাড়া ইছলাহ হাছিল যেমন সম্ভব নয়, তেমনি হক্বের উপর ইস্তিক্বামত থাকাও সম্ভব নয়। মূলত একজন কামিল শায়েখ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহন করে সবক্ব নিয়ে যিকির-আযকার করার সাথে সাথে পবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে এবং উনার আদেশ-নিষেধসমূহ যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে উনার ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক হাছিল করতে হবে। তাহলে ইছলাহ হাছিল করা সহজ সম্ভব হবে।
‘ফাই বাকি অংশ পড়ুন...












