আর হিংসা-বিদ্বেষ সম্পর্কে যেটা বলা হয়-
إنَّ الْحَسَدَ لَيَأْكُلُ الْحَسَنَاتِ كَمَا تَأْكُلُ النَّارُ الْحَطَبَ
নিশ্চয়ই হিংসা মানুষের নেকীগুলো ধ্বংস করে দেয়, কিভাবে? আগুন যেমন লাকড়ীকে ধ্বংস করে দেয়, ঠিক সে রকমই ধ্বংস করে দেয়। নাউযুবিল্লাহ!
وَاللهُ يَشْهَدُ إِنَّ الْمُنَافِقِينَ لَكَاذِبُونَ
নিশ্চয়ই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সাক্ষী যারা মুনাফিক তারাই মিথ্যাবাদী। নাউযুবিল্লাহ!
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
لَّعْنَتَ اللهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ
নিশ্চয়ই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত যারা মিথ্যাব বাকি অংশ পড়ুন...
ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা শূরা শরীফ উনার ২৩নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
এজন্য ইফক্বের যে ঘটনা ঘটেছে সেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
لَا تَحْسَبُوهُ شَرًّا لَّكُم بَلْ هُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ
“(যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন) এই যে ঘটনা ঘটে গেল, এটা কিন্তু আপনারা খারাপ মনে করবেন না, এর মধ্যে খইর বরকত রয়েছে।” সুবহানাল্লাহ!
এর কারণে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যে শান-মান মুবারক এত বড় যে, প্রথমতঃ ১০ খানা পবিত্র আয়াত শরীফ, এরপর ৬ খানা পবিত্র আয়াত শরীফ, এরপর আরো পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত উম্মাহ বাকি অংশ পড়ুন...
‘ইফক্বের যে ঘটনা এ সম্পর্কে অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। এ সমস্ত পবিত্র আয়াত শরীফগুলো মুসলমানদের জন্য ফিকির করা দরকার।
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَوْلَا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ ظَنَّ الْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَاتُ بِأَنفُسِهِمْ خَيْرًا وَقَالُوا هٰذَا إِفْكٌ مُّبِينٌ
“হে মুসলমান পুরুষ মহিলা (জিন-ইনসান) তোমরা যখন এ কথাগুলো শুনলে, তখন তোমরা কেন নিজেদের প্রতি অর্থাৎ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি সুধারণা পোষণ করলে না? তখন কেন বললে না, এটা একটা কঠিন প্রকাশ্য অপবাদ।” নাউযুবিল্লাহ!
যিনি খ¦লিক বাকি অংশ পড়ুন...
কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যদি কোন সময় বাহ্যিক দৃষ্টিতে শরীয়তের খেলাফ আমল করেন বা করার নির্দেশ দেন তাহলে বুঝতে হবে যে তাতে কোন হিকমত বিদ্যমান। যার শেষ পরিণতি উত্তম।
হযরত ইসমাইল হাক্কী বারূসুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ “তাফসীরে রূহুল বয়ানে” একথাই উল্লেখ করেছেন-
وغاية بان كل ماصدر عنه فله حكمة حميدة البتة وهذا من اداب المتعلم مع العالم والتابع مع المتبوع.
অর্থ: “উনার (পীর ও মুর্শিদ) থেকে যা প্রকাশ পায় তাতে হিকমত রয়েছে এবং শেষ পরিণতি উত্তম প্রশংসনীয়। আর এটাই হচ্ছে শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষকের বা সালিকের (মুরীদের) জন্য শায়েখউনা র (পীর বাকি অংশ পড়ুন...
আখাছ্ছুল খাছ আহলে বাইতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুত্বাহ্হার, মুত্বহহির, আস সাফফাহ, ইমামুল উমাম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সেটাই বলে দেয়া হচ্ছে, তোমরা সাবধান থাকো। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ব্যাপারে চু-চেরা কীল-কাল করবে না। উনাদের সম্পর্কে চু-চেরা কীল-কাল করলে জাহান্নাম ওয়াজিব হবে। উনাদের সম্পর্কে যারা চু-চেরা কীল-কাল করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে, উপযুক্ত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। বাকি অংশ পড়ুন...












