এতে বিশেষ করে নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বা নতুন ব্যবসায়ী বিপর্যস্থ হয়ে পড়ছেন।
শিল্প খাতে বিনিয়োগের গতি কমছে, নতুন চাকরির সুযোগও কমছে।
অর্থনীতি কাগজে স্থিতিশীল মনে হলেও বাস্তবে তা চরম স্থবির হয়ে পড়ছে।
আইএমএফ ছাড়া আমাদের অনেক বিকল্প আছে।
সেদিকেই ধাবিত হতে হবে তথা খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র আলোকে চলতে হবে ইনশাআল্লাহ।
সরকারি তথ্য বলছে, ২০০৯-১০ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ২০.৩ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৮.৮ বিলিয়ন ডলারে। আর ২০২৫ সালের জুনের শেষে ঋ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি ও ১০ শতাংশ নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এটি অন্তর্বর্তী সরকার আমলের এবং বর্তমান গভর্নরের তৃতীয় মুদ্রানীতি।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাক্সিক্ষত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
ব্যবসায়ীরা অগ্রিম আয়কর ও উৎসে করের চাপ থেকে মুক্তি চান।
ব্যবসায়ীরা লাভ করুক বা লোকসান করুক- সব অবস্থাতেই কর দিতে হচ্ছে। এমনও ঘটেছে যে লোকসান বেশি, আবার করও বেশি দিতে হয়েছে।
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্তের ওপর অতি নির্ভরতায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা নিজেদের তরফ থেকেই সরকারকে উদ্দেশ্য করে ব্যবসায়ীরা বলেছে-
‘আপনাদের যে চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার দরকার, আমরা রপ্তানি বাড়িয়ে এনে দেব। কিন্তু বিদেশি সংস্থার সব শর্ত অন্ধভাবে অনুসরণ করে আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ করবেন না।’
কিন্তু নীতিহীন অথবা নীতিভ্রষ্ট সরকার
তা শোনেও শোনে না।
বোঝালেও বোঝে না।
আকু বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আনায় প্রতিযোগী দেশগুলোর থেকে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) শীর্ষ পদের জন্য সিঙ্গাপুর থেকে তরুণ ব্যাংকার আশিককে উড়িয়ে এনে চমক দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। তবে অন্য ক্ষেত্রে চমক দেখালেও গত ১৬ মাসে বিদেশি বিনিয়োগ আনায় চমক দেখাতে পারেনি আশিক।
বিনিয়োগ পরিস্থিতি সন্তোষজনক করা যায়নি। উল্টো নতুন বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধনের হারও নিম্নমুখী। আবার অনেক ছোট-মাঝারি ও বড় কা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের গতি ক্রমেই শ্লথ হয়ে পড়ছে, যার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধিতে। টানা ছয় মাস ধরে ৭ শতাংশের নিচে আটকে থাকা বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি নভেম্বর শেষে নেমে এসেছে ৬.৫৮ শতাংশে। একই সময়ে ব্যাংক ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ঋণ গ্রহণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। অর্থনীতিবিদ ও উদ্যোক্তাদের মতে, উচ্চ সুদের চাপ ও বিনিয়োগ অনিশ্চয়তা মিলিয়ে ব্যবসায়ীরা এখন দ্বিমুখী সংকটে পড়েছেন- যা শিল্প সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের গতি ক্রমেই শ্লথ হয়ে পড়ছে, যার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধিতে। টানা ছয় মাস ধরে ৭ শতাংশের নিচে আটকে থাকা বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি নভেম্বর শেষে নেমে এসেছে ৬.৫৮ শতাংশে। একই সময়ে ব্যাংক ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ঋণ গ্রহণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। অর্থনীতিবিদ ও উদ্যোক্তাদের মতে, উচ্চ সুদের চাপ ও বিনিয়োগ অনিশ্চয়তা মিলিয়ে ব্যবসায়ীরা এখন দ্বিমুখী সংকটে পড়েছেন- যা শিল্প সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধ বাকি অংশ পড়ুন...
অন্তর্বর্তী সরকার দেশ চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। ব্যাংক খাতে যে শোচনীয় পরিস্থিতি চলছে, তা স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পশ্চিমা বিশ্বসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা হাতে পায়নি। উল্টো আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে চলতে হচ্ছে।
সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর শত শত গার্মেন্ট ও শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। অর্থনীতিতে ‘সোনার ডিম পাড়া’ আবাসন খাত বসে পড়েছে। এ সরকারের সময় অসংখ্য শিল্পকারখানা বন্ধ ও অর্থনৈতিক খাত স্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের অর্থনীতি ক্রমেই গভীর সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ঋণের উচ্চ সুদহার, জ্বালানি-বিদ্যুতের ঘাটতি, রফতানিতে টানা পতন, বাজারে দুর্বল চাহিদা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ স্থবিরতা- সব মিলিয়ে অর্থনৈতিক চাপ ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষের জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি শেয়ারবাজারে লেনদেন কমে যাওয়া, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি, রাজস্ব ঘাটতি, প্রশাসনিক জটিলতা এবং বৈদেশিক ঋণের বাড়তি চাপ অর্থনীতির ওপর আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সামগ্রিক এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতির অন্তত ৯টি বড় সমস্যা এখন প্রধান ব বাকি অংশ পড়ুন...
ব্যবসায়ীরা লাভ করুক বা লোকসান করুক- সব অবস্থাতেই কর দিতে হচ্ছে। এমনও ঘটেছে যে লোকসান বেশি, আবার করও বেশি দিতে হয়েছে।
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্তের ওপর অতি নির্ভরতায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা নিজেদের তরফ থেকেই সরকারকে উদ্দেশ্য করে ব্যবসায়ীরা বলেছে-
‘আপনাদের যে চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার দরকার, আমরা রপ্তানি বাড়িয়ে এনে দেব। কিন্তু বিদেশি সংস্থার সব শর্ত অন্ধভাবে অনুসরণ করে আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ করবেন না। ’
কিন্তু নীতিহীন অথবা নীতিভ্রষ্ট সরকার
তা শোনেও শোনে না।
বোঝালেও বোঝে না।
আকুতি করলেও নরম হয় না।
মিনতি জানালেও দয়া করে না।
যেন সেই প বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনে ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হন বলে স্বীকার করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক। তার দাবি, আগামী বছরে সরকারি অফিসের সেই হয়রানি কমে আসবে।
গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) ‘জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমন দাবি করেছে বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান।
আশিক বলেছে, দেশে ব্যবসা শুরু করা জটিল কাজ। নিবন্ধন কার্যক্রম কঠিন। সেবা গ্রহণে সরকারি অফিসে সরাসরি গেলে হয়রানির শিকার হতে হয়। এসব সমস্যা উত্তরণ বাকি অংশ পড়ুন...
এতে বিশেষ করে নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বা নতুন ব্যবসায়ী বিপর্যস্থ হয়ে পড়ছেন।
শিল্প খাতে বিনিয়োগের গতি কমছে, নতুন চাকরির সুযোগও কমছে।
অর্থনীতি কাগজে স্থিতিশীল মনে হলেও বাস্তবে তা চরম স্থবির হয়ে পড়ছে।
আইএমএফ ছাড়া আমাদের অনেক বিকল্প আছে।
সেদিকেই ধাবিত হতে হবে তথা খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র আলোকে চলতে হবে ইনশাআল্লাহ।
সরকারি তথ্য বলছে, ২০০৯-১০ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ২০.৩ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৮.৮ বিলিয়ন ডলারে। আর ২০২৫ সালের জুনের শেষ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
অগ্রিম আয়কর ও উৎস করের অতিরিক্ত চাপকে ‘কর সন্ত্রাস’ আখ্যা দিয়ে এর থেকে দ্রুত মুক্তি চেয়েছেন অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। তিনি বলেছেন, আমরা লাভ করি বা লোকসান করি, সব অবস্থাতেই ট্যাক্স দিচ্ছি। এমনও হয়েছে, লোকসান বেশি করেছি, আবার করও বেশি দিতে হয়েছে। এই অযৌক্তিক চাপ থেকে ব্যবসায়ীরা মুক্তি চান।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এক সংলাপে দেশের বিভিন্ন শিল্পখাতের অর্ধ শতাধিক ব্যবসায়ী অংশ নেন।
নাসিম মঞ্জুর ব বাকি অংশ পড়ুন...












