SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সহপাঠি%' OR titleBn LIKE '%সহপাঠি%' OR descriptionEn LIKE '%সহপাঠি%' OR descriptionBn LIKE '%সহপাঠি%' OR slug LIKE '%সহপাঠি%' OR metaTag LIKE '%সহপাঠি%' OR metaDescription LIKE '%সহপাঠি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বালাদুল আমীন বা নিরাপদ শহর পবিত্র মক্কা শরীফ। এই মুবারক শহরের একটি মাদরাসা। ছোট বালকদের তা’লীম দিচ্ছেন একজন বয়স্ক উস্তাদ বা শিক্ষক। তা’লীম মুবারক শেষে বালকদের হাতে একটি করে খেজুর তুলে দিলেন তিনি। পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদিনা শরীফবাসী সবার প্রিয় সুন্নতি খাবার হলো খেজুর। হাতে খেজুর দিয়ে উস্তাদ নছীহত মুবারক করলেন, আগামীকাল সকালে আপনারা তা’লীমে আসার আগে নিজ নিজ খেজুর কোন একটি গোপন জায়গায় লুকিয়ে আসবেন, যেন কেউ না দেখে, বুঝতে পেরেছেন? বালকরা সবাই জবাব দিলেন, জি হুযূর!
শেষ হলো সেদিনের ক্লাস। পরের দিন সকালের কথা। উস্তাদ সবাইকে জ বাকি অংশ পড়ুন...
এমন বস্তুবাদী শিক্ষার ফলে সে দুনিয়ার জীবনকে একমাত্র জীবন মনে করে। ভোগ-বিলাসিতা ও উপভোগের জন্য কর্মজীবনে বৈধ-অবৈধ বাছবিচার না করে অর্থ উপার্জনে মেতে উঠে।
মূলত, দ্বীনী শিক্ষা ও মূল্যবোধ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ফলে প্রচলিত শিক্ষায় শিক্ষিতরা আজ শুধু নৈতিক অবক্ষয়ের শিকার নয়; বরং তারা চারিত্রিক দোষে দুষ্ট। তাদের চারিত্রিক স্খলন ঘটছে প্রকটভাবে।
সম্ভ্রমহরণ, ব্যভিচার, অশ্লীলতা ও নগ্নতায় সমাজ-জীবনকে দূষিত করে ফেলছে তারা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও আজ আর নিরাপদ নয় কথিত শিক্ষিত দুশ্চরিত্রদের হাত থেকে। শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, বাকি অংশ পড়ুন...
কারামত মুবারক (১)
১৯৯৩ সালের কথা। কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলা। উলিপুর এম.এস.এম. উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল। প্রধান অতিথি ছিলেন- মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম। তিনি যথাসময়ে মাহফিল মুবারকে তাশরীফ নেয়ার জন্য রওয়ানা হলেন। মাহফিলের নিকটবর্তীও হলেন। কিন্তু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলো দুটি বিল্ডিং এবং একটি পুকুর। দুই বিল্ডিংয়ের মধ্য দিয়ে সংকীর্ণ রাস্তা পার হয়ে ষ্টেজে পৌঁছা সম্ভব নয়।
ড্রাইভার সাহেব থমকে দাঁড়ালেন। কারণ, এতো সংকীর্ণ রাস্তা দিয়ে চধলবৎড় ঔববঢ় কখনো ভিতরে প্রবেশ করতে পারব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ইন্দ্রকুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রায়হান ও তার সহযোগীরা মিলে একই স্কুলের দশম শ্রেণির ৩ সহপাঠীকে ছুরিকাঘাত করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারুফ হোসেন বাপ্পী ও নাফিজ মোস্তফা আনছারি মারা যায়।
ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার এড়াতে প্রথমে ঢাকায় পরে কমলাপুর থেকে ট্রেনে করে নরসিংদীর রায়পুর উপজেলার একটি চরে গিয়ে আত্মগোপন করে রায়হান। পরে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-৩ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলো- হত্যা মামলার প্রধান আসামি রায়হান বাকি অংশ পড়ুন...












