SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রোযাদারদের%' OR titleBn LIKE '%রোযাদারদের%' OR descriptionEn LIKE '%রোযাদারদের%' OR descriptionBn LIKE '%রোযাদারদের%' OR slug LIKE '%রোযাদারদের%' OR metaTag LIKE '%রোযাদারদের%' OR metaDescription LIKE '%রোযাদারদের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে দু’দিন রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক ও বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের উছীলা:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صُوْمُوا التَّاسِعَ وَالْعَاشِرَ وَخَالِفُوْا فِيْهِ الْيَهُوْدَ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ৯ ও ১০ই মুহররম শরীফ রোযা রেখে ইহুদীদের খিলাফ অর্থাৎ বিপরীত বাকি অংশ পড়ুন...
পুরান ঢাকায় সাহরির আগে মানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্য কাসিদা গাওয়া হতো। মহল্লায় মহল্লায় ভেসে আসত এধরণের সুরের মূর্ছনা। দিনগুলো হারিয়ে গেছে। ‘সাবকো রোযা রাখনে কি য়া আল্লাহ তাওফিক দে, সাবকো নামাজ পাড়নে কি য়া আল্লাহ তাওফিক দে।’ পুরান ঢাকায় পবিত্র রমাদ্বান শরীফে রাতের শেষ প্রহরে হরহামেশা শোনা যেত এমন কাসিদা।
পুরান ঢাকায় এই প্রথার শুরু সেই মোগল আমল থেকে। রোযাদারদের জাগিয়ে তোলার জন্য কাসিদা গাওয়াকে সওয়াবের কাজ মনে করা হতো। ঈদের দিন মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরানা নিয়ে আসতো কাসিদার দলগুলো।
সাহরির আগে রোযাদারদের ঘুম ভাঙানোর চল রয়েছে প বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ تَسَحَّرْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ
অর্থ:- হযরত যায়েদ বিন ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সঙ্গে সাহরী খেলাম। এরপর তিনি নামাযের জন্য দাঁড়ালেন। (বুখারী শরীফ)
উপরোক্ত দলীলসমূহ থেকে এ বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাকি অংশ পড়ুন...
রমাদ্বান শরীফ মাসে দিনে রোযা রেখে ইফতারের সময় সঠিক খাবার নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ ও সচল থাকার জন্য ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি, কারণ অনিয়ন্ত্রিত খাবার গ্রহণ শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করে, রোযায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ কম খাবার খাওয়া উচিত। তাই ইফতারের খাবার নির্বাচনে সচেতন হওয়া দরকার।
পর্যাপ্ত পানি ও স্বাস্থ্যকর পানীয়:
ইফতারের সময় শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তাই ইফতারে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। এছাড়া খেজুর ভেজানো পানি দ্রুত শক্তি যোগায় ও হজমে সহায়ক। ডাব বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতেও রোযার উপকারিতা অপরিসীম। জীব বিজ্ঞানের গবেষণার ফলে আমরা জানি, প্রতিটি প্রাণীর শরীর একটি উচ্চতর এবং সূক্ষ¥ জৈব রাসায়নিক কারখানা এবং এটিকে সচল রাখতে প্রয়োজন হয় শক্তি। উক্ত শক্তির জোগান দিতে স্রষ্টা জীবজগতের জন্য নানা প্রকারের খাদ্যদ্রব্যের ব্যবস্থা করেছেন। সাধারণত একজন মানুষের এই শক্তি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে কমপক্ষে দৈনিক তিনবার খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করতে হয়। তবে মানুষ উন্নত আত্মা সম্পন্ন জীব হওয়ায় মানুষের সঙ্গে অন্যান্য পশুর পার্থক্য হলো মানুষ তার ক্ষুধা-পিপাসা এবং যৌন প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ করতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
(১ম পর্ব)
সারাদিন রোযা রেখে ইফতারী রোযাদারদের জন্য অধীর আগ্রহ এবং খুশির বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যেক রোযাদারই চায় ইফতারীতে একটু ভালো খেতে। তবে ইফতারীতে অধিকাংশ রোযাদারই মুখরোচক ইফতারী পছন্দ করে। কিন্তু দুঃখজনক হলো যে- এসব মুখরোচক খাবারের সবটুকুই মারাত্মকভাবে স্বাস্থ্যহানিকর ও ভেজালযুক্ত।
ইফতারীতে হরেক রকম রং ব্যবহার করা হয়। ইফতারীর প্রায় সবগুলো সামগ্রী যেমন পেঁয়াজু, ছোলা, আলুর চপ, গোশতের চপ, কাবাব, কাটলেট, তেহারি, হালিম, জিলিপি, বিভিন্ন সিরাপ বা পাউডার দিয়ে ঘরে তৈরি শরবত, বাজারে বিক্রিত প্যাকেটজাত হরেক নামের তথাকথিত আমের বা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুরু করে সাইয়্যিদুনা আবুল বাশার হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পর্যন্ত প্রায় সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের কোন না কোন উল্লেখযোগ্য ঘটনা এ দিনে সংঘটিত হয়েছে। সঙ্গতকারণে এ দিনটি আমাদের সবার জন্যে এক মহান আনুষ্ঠানিকতার দিন, যা রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, নিয়ামত মুবারক হাছিল করার দিন।
ফলে এ দিনে বেশ কিছু আমল করার ব্যাপারে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উৎসাহিত করা হয়েছে। যেমন-
১। পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে দু’দিন রোযা রাখা:
পবিত্র হ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাহরী খাওয়ার জন্য নির্দেশ মুবারক প্রদান করেছেন এবং সাহরী খাওয়ার ফযীলত বর্ণনা মুবারক করেছেন:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَسَحَّرُوْا فَاِنَّ فِى السَّحُوْرِ بَرَكَةً
অর্থ:- হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, তোমরা ‘সাহরী’ খ বাকি অংশ পড়ুন...












