SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রহমাতুল্লাহি%' OR titleBn LIKE '%রহমাতুল্লাহি%' OR descriptionEn LIKE '%রহমাতুল্লাহি%' OR descriptionBn LIKE '%রহমাতুল্লাহি%' OR slug LIKE '%রহমাতুল্লাহি%' OR metaTag LIKE '%রহমাতুল্লাহি%' OR metaDescription LIKE '%রহমাতুল্লাহি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
প্রথম শাদী মুবারক:
মহাসম্মাতি ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম উনার প্রথম শাদী মুবারক হয় স্বীয় গোত্রর মুসাফি’ ইবনে ছাফ্ওয়ান মুছত্বলিক্বী খুযা‘য়ীর সাথে। সে একজন অনেক বড় যোদ্ধা এবং প্রসিদ্ধ কবি ছিলো। সে বনূ মুছ্ত্বলিক্বের জিহাদে কাফির অবস্থায় নিহত হয়। এই সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
تزوجها قبله مسافع بن صفوان وقتل يوم المريسيع
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ আসার পূর্বে মহাসম্মাতি ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদা বাকি অংশ পড়ুন...
একজন মায়ের যদি দ্বীনের সঠিক বুঝ না থাকে তবে সেই মা তার সন্তানকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারবে না। তাই বাবার দায়িত্ব হচ্ছে তার আহলিয়াকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সঠিক জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া হয় এমন স্থানে নিয়ে গিয়ে সঠিক দ্বীনি বিষয়ে শিক্ষা লাভের ব্যবস্থা করে দিয়ে হাক্বীক্বী আল্লাহওয়ালী বানানো।
পক্ষান্তরে শুধুমাত্র মায়ের যদি দ্বীনি জ্ঞান থাকে আর পিতার দ্বীনি জ্ঞান না থাকে এক্ষেত্রে মা যদি সন্তানকে কোন দ্বীনি বিষয়ে আদেশ করেন বা দ্বীনি কথা বলেন এমতাবস্থায় পিতা সেই কথাকে গুরুত্ব না দিলে সন্তানও মায়ের কথা গুরুত্ব দিব বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বর্ননা করেন, আমি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কার বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
قَالَ حَضْرَتْ اَبُوْ جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِـىٍّ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ اَجْلَسَنِـىْ جَدِّىَ الْـحُسَيْنُ بْنُ عَلِـىٍّ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ فِـىْ حِجْرِهٖ وَقَالَ لِـىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقْرِئُكَ السَّلَامُ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, একদা (আমি স্বপ্ন মুবারক-এ দেখলাম) আমার মহাসম্মানিত দাদাজান সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে উনার মহাসম্মানিত ও বাকি অংশ পড়ুন...
এ সম্পর্কে মশহূর একখানা ঘটনা মুবারক। একবার হযরত ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ফতওয়া দিলেন যে, সমস্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা ফরয। এটা শুনে উনার সমসাময়িক বড় বড় হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এসে উনাকে বললেন যে, হে হযরত ইমাম হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি! আমরা তো আপনাকে অনেক বড় বুযূর্গ-ওলীআল্লাহ, ইমাম-মুজতাহিদ, বিশিষ্ট ফক্বীহ্ হিসাবে মানি এবং অনেক সম্মান করি। কিন্তু আপনি এটা কি ফতওয়া দিলেন? আমরা তো জানি ফরয পালন করা ফরয, ওয়াজিব পালন করা ওয়াজিব এবং সুন্নত পালন করা সুন্নত। আপনি য বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব:
উল্লেখ্য যে, ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব। আর খাছভাবে এই ইসতিবরা করা কারো জন্য ফরয, কারো জন্য ওয়াজিব এবং কারো জন্য সুন্নত মুয়াক্কাদাহ্্। যা অবশ্যই করতে হবে।
“শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ১৪৭ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
إنَّمَا وَجَبَ الِاسْتِبْرَاءُ اتِّفَاقًا؛
অর্থ : সকল উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ঐক্যমতে ইসতিবরা করা ওয়াজিব।
“শরহে মুসলিম শরীফ” কিতাবে উল্লেখ আছে,
نجاسة البول ووجوب الاستبراء منه
অর্থ: ইমাম নববী রহমাতুল্লাহ্্ আলাইহি তিনি বলেন, ইসতিন্জা নাপাক (প্রস্রাব নাপাক) এবং ইসতিন বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদর্শ মুবারক উনার অনুসরণ করবে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহাব্বত লাভ করবে এবং ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে। এছাড়া আরো অসংখ্য নিয়ামত লাভে ধন্য হবে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিন বাকি অংশ পড়ুন...












