নাটক-সিনেমার মাধ্যমে মুসলিম প্রজন্মকে দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
সিনেমার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিস্তার ঘটছে ইসলামোফোবিয়ার।
পরকালের কথা স্মরণ করে মুসলিম উম্মাহকে বিধর্মীদের এসব ষড়যন্ত্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জন ফষ্টার ডালেস বলেছিলো, ‘কোন জাতিকে ধ্বংস করতে হ’লে, আগে সে জাতির সংষ্কৃতিকে ধ্বংস করে দাও’। বর্তমানে বাংলাদেশে যেভাবে অপসংষ্কৃতির চর্চা শুরু
হয়েছে, তাতে মার্কিনীদের সে এজেন্ডাই বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এইডস (অওউঝ) রোগে আক্রান্ত হলে যেমন কোন রোগীর বাঁচার আশা থাকে না, তেমনি অপস বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
ভারতীয় চলচ্চিত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা এবং মুসলিমবিদ্বেষ তথা মুসলমানদের উগ্রবাদী, দেশবিরোধী এবং সন্ত্রাসবাদী হিসেবে প্রদর্শন করা নতুন কোনো বিষয় নয়। ভারতের বর্তমান সরকার এবং ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি টিকেই আ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজার পুনর্গঠন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সন্ত্রাসী ট্রাম্প ‘বোর্ড অফ পিস’ নামে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে মনোনীত করা হয়েছে। তবে ব্লেয়ারের এই নিয়োগ আন্তর্জাতিক মহলে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
কেন এই বিতর্ক?
টনি ব্লেয়ার ১৯৯৭ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলো। ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধে ব্রিটেনকে শামিল করার জন্য সে দীর্ঘকাল ধরে সমালোচিত। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে তা বাকি অংশ পড়ুন...
মেয়েদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস না থাকায় ঢাকা শহরের বাসগুলোতে বাধ্য হয়েই নারী পুরুষ একই বাসে চড়ে থাকে। উচিত ছিল নারীদের জন্য আলাদা বাসের ব্যবস্থা করা যাতে করে তাদেরকে কোনো রকম হেনস্থার শিকার না হতে হয় এবং মেয়েদের শরয়ী পর্দা পালনে কোনো বাধার সৃষ্টি না হয়।
বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট লেখা হয়েছিল যে, “যেহেতু এখনও পর্যন্ত মেয়েদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস শুরু হয়নি সেহেতু এমন একটা নিয়ম করা উচিত যে- যখনই কোনো মহিলা, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ কেউ বাসে উঠবে তখনই ছেলেরা উঠে তাদের বসতে দিবে।”
এই পোস্টে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
ভারতীয় চলচ্চিত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা এবং মুসলিমবিদ্বেষ তথা মুসলমানদের উগ্রবাদী, দেশবিরোধী এবং সন্ত্রাসবাদী হিসেবে প্রদর্শন করা নতুন কোনো বিষয় নয়। ভারতের বর্তমান সরকার এবং ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি টিকেই আছে মুসলিমবিদ্বেষের প্রচার-প্রসার করে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
বিহার বিধানসভায় মুসলিম প্রতিনিধিত্ব এবার সাত দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। ২৪৩ আসনের মধ্যে মাত্র ১০ জন মুসলিম বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। রাজ্যের মোট জনসংখ্যার ১৭.৭ শতাংশ মুসলিম হলেও তাদের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব এবার বড়ভাবে কমেছে। শাসক এনডিএ এবং বিরোধী মহাগঠবন্ধন, দুই পক্ষই আগের তুলনায় কম মুসলিম প্রার্থী দেয়। যারা প্রার্থী হয়েছিলেন, তাদের বেশির ভাগই পরাজিত হয়েছেন। নির্বাচিত ১০ জনের মধ্যে পাঁচজনই আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিম দলের, যা এবার সবচেয়ে বেশি মুসলিম বিধায়ক দিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী নীতেশের জেডি বাকি অংশ পড়ুন...












