SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুখাপেক্ষী%' OR titleBn LIKE '%মুখাপেক্ষী%' OR descriptionEn LIKE '%মুখাপেক্ষী%' OR descriptionBn LIKE '%মুখাপেক্ষী%' OR slug LIKE '%মুখাপেক্ষী%' OR metaTag LIKE '%মুখাপেক্ষী%' OR metaDescription LIKE '%মুখাপেক্ষী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আমাদের দেশের নদীগুলোর গভীরতা খুবই কম কারণ বছরের পর বছর পলি মাটি এসে নদীর তলদেশে জমা হচ্ছে কিন্তু সেগুলো ড্রেজিং করা হচ্ছে না। যার পেক্ষিতে দেখা যায় বর্ষাকালে বন্যায় প্রতি বছর ক্ষতি গ্রস্ত হয় লক্ষ লক্ষ মানুষ। অপর দিকে শীতকালে মুসলমানদের চির শত্রু ভারতের নদী বাঁধের ফলে নদীগুলো শুকিয়ে চৌচিরহয়ে যায় এর ফলে শত শত একর ফসলী জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
কাজেই সরকারে উচিৎ আমাদের নদীগুলো কমপক্ষে ১০০-১৫০ হাত গভীর করা। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে বন্যা হবে না। শীত মৌসুমে আপসে আপ পানি থেকে যাবে। এছাড়া নদীগুলো ড্রেজিং করা গেলে নদী পথে স্বল্প খরচে যাতায়াত à বাকি অংশ পড়ুন...
‘যা কিছু কালো’ তার সাথে ‘প্রথম আলো’। যদিও ‘প্রথম আলো’ মুনাফেকী করে প্রচার করে ‘যা কিছু ভালো তার সাথে প্রথম আলো’। আসলে দিন দিন মুনাফেকী প্রকাশ এবং প্রমাণের পর ‘প্রথম আলো’ না বলে ‘প্রথম কালো’ বলাই যুক্তিযুক্ত।
গত ১৩ই মে প্রথম আলো সংবাদ শিরোনাম করেছে- ‘প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ: একটি অপচয়মূলক ও ক্ষতিকর প্রকল্প’
যুক্তি হিসেবে বলেছে- এই প্রকল্পের ফলে ভারতের কাছে গঙ্গার হিস্যা আদায়ের প্রচেষ্টার আর সুযোগ থাকবে না। কারণ, ভারত জানাবে যে পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।
গতকাল ৮ই জুলাই, ২০২à বাকি অংশ পড়ুন...
‘যা কিছু কালো’ তার সাথে ‘প্রথম আলো’। যদিও ‘প্রথম আলো’ মুনাফেকী করে প্রচার করে ‘যা কিছু ভালো তার সাথে প্রথম আলো’। আসলে দিন দিন মুনাফেকী প্রকাশ এবং প্রমাণের পর ‘প্রথম আলো’ না বলে ‘প্রথম কালো’ বলাই যুক্তিযুক্ত।
গত ১৩ই মে প্রথম আলো সংবাদ শিরোনাম করেছে- ‘প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ: একটি অপচয়মূলক ও ক্ষতিকর প্রকল্প’
যুক্তি হিসেবে বলেছে- এই প্রকল্পের ফলে ভারতের কাছে গঙ্গার হিস্যা আদায়ের প্রচেষ্টার আর সুযোগ থাকবে না। কারণ, ভারত জানাবে যে পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।
গতকাল ৮ই জুলাই, ২০২à বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নছর শরীফ
পবিত্র আয়াত শরীফ ৩
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمٰـنِ الرَّحِيْمِ
اِذَا جَاءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ ۙ وَرَاَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُوْنَ فِىْ دِيْنِ اللهِ اَفْـوَاجًا ۙ فَسَبِّحْ بِـحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ ط اِنَّهٗ كَانَ تَـوَّابًا ۟
ছহীহ তরজমা : খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্য এবং বিজয় যখন আসবে। এবং আপনি তখন দেখবেন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার দ্বীনে মানুষ দলে দলে প্রবেশ করবে। আপনি আপনার মহান রব তায়ালা উনার প্রশংসা মুবারক করার সাথে তাসবীহ বা পবিত্রতা বর্ণনা করুন অর্থাৎ করতে বলুন এবং উনার নিকট উম্মতের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয়ই বাকি অংশ পড়ুন...
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (২)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি خَالِقٌ ‘খ্বালিক্ব’ (সৃষ্টিকর্তা) হিসেবে আহাদ অর্থাৎ একক। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবূব, মুরাদ এবং সমগ্র সৃষ্টির মালিক হিসেবে একক। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক উনার সমকক্ষ যেমন কেউ নেই, তেমনিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারও সমকক্ষ কেউ নেই। সুবহানাà বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
قَالَ حَضْرَتْ اَبُوْ جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِـىٍّ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ اَجْلَسَنِـىْ جَدِّىَ الْـحُسَيْنُ بْنُ عَلِـىٍّ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ فِـىْ حِجْرِهٖ وَقَالَ لِـىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقْرِئُكَ السَّلَامُ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, একদা (আমি স্বপ্ন মুবারক-এ দেখলাম) আমার মহাসম্মানিত দাদাজান সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে উনার মহাসম্মানিত ও à বাকি অংশ পড়ুন...
“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তিওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ)
ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত
আউওয়ালা র্মারাতিন ফী বাকি অংশ পড়ুন...












