SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মাযহাব%' OR titleBn LIKE '%মাযহাব%' OR descriptionEn LIKE '%মাযহাব%' OR descriptionBn LIKE '%মাযহাব%' OR slug LIKE '%মাযহাব%' OR metaTag LIKE '%মাযহাব%' OR metaDescription LIKE '%মাযহাব%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
(৪০৮)
{فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُول} أي: إلى كتاب الله وإلى رسوله صلى الله عليه وسلم ما دام حيا وبعد وفاته إلى سُنّته، والرُّد إلى الكتاب والسنة واجب إن وُجد فيهما، فإن لم يُوجد فسبيله الاجتهاد.
অর্থ: (তোমরা মহান আল্লাহ পাক ও উনার সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করো) অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী হায়াতে তাইয়্যিবা মুবারকে উনাকে আর উনার পর্দা মুবারক করার পর উনার সুন্নাহ শরীফ উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করো। এমতাবস্থায় কিতাবুল্লাহ ও সুন্নতে রসূলিল্ বাকি অংশ পড়ুন...
এ বিষয়ের উপর চমৎকার একটা স্বপ্নের দলীল রয়েছে। হযরত মুহম্মদ বিন আলী সিরাজ রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে স্বপ্নের মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দীদারে ধন্য হয়ে এ বিষয়টা ফায়সালা এসেছে এভাবে-
أَخْبَرَنِـي الْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ اَلْعَطَّارُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ السِّرَاجِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي النَّوْمِ فَقُلْتُ إِنَّ فُلَانًا التِّرْمِذِيَّ يَقُوْلُ إِنَّ اللهَ لَا يُقْعِدُكَ مَعَهٗ عَلَى الْعَرْشِ وَنَحْنُ نَقُوْلُ بَلْ يُقْعِدُكَ فَأَقْبَلَ عَلٰى شِبْهِ الْمُغْضِبِ وَهُوَ يَقُوْلُ بَلٰى وَاللهِ بَلٰى و বাকি অংশ পড়ুন...
কিন্তু উনার অজুদ মুবারক বা যেটা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অস্তিত্ব মুবারক, সেটা উপলক্ষে যে মজলিস করা হয়ে থাকে, মাহফিল করা হয়ে থাকে সেটা হচ্ছে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে খুশি মুবারক প্রকাশ করে যে মাহফিলের ব্যবস্থা করা হয় সেটাই ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সেটা সীরাতুন্ নবী বা অন্য কোন নাম দেয়া কখনও শুদ্ধ হবে না। কারণ সেটা দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, উলিল আমর হলেন হযরত ফুকাহায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম।
হযরত আতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, উলিল আমর হলেন ফকীহগণ ও বিজ্ঞ আলিমগণ।
হযরত আতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
اَطِيعُوا اللهَ وَاَطِيعُوا الرَّسُولَ وَاُولِي الاَمْرِ مِنْكُمْ
উনার ব্যাখ্যায় বলেন, উলিল আমর হলেন- বিজ্ঞ আলিম, ফকীহ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্যকারীগণ এবং কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের অনুসরণকারীগণ।
হযরত দ্বহহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
اَطِيعُوا اللهَ وَاَطِيعُوا الرَّسُولَ وَاُولِ বাকি অংশ পড়ুন...
আজকের ওয়াজ আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ বা নূরুত তাশরীফ মুবারক সম্পর্কে অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ সম্পর্কে। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত হাবীব, আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে মর্যাদা-মর্তবা দিয়েছেন, ফযীলত দিয়েছেন, বুযূর্গী দিয়েছেন, কালামুল্লাহ শরীফে সেটা বর্ণনা করেছেন। আর স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, আখিরী নবী, হ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ মাত্র এক দিরহাম খরচ করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় ফক্বীর-মিসকীনদেরকে এক পাহাড় পরিমাণ লাল স্বর্ণ দান করার সমপরিমাণ ফযীলত মুবারক লাভ:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
وَقَالَ بَعْضُ الصَّالِـحِـيْـنَ كَانَ شَيْخِىْ لَهٗ عَادَةً كُلَّ عَامٍ يَـقْـرَاُ قِصَّةَ الْـمَوْلِدِ الشَّرِيْفِ وَيـَحْـتَـفِـلُ فِـيْـهِ اِحْـتِـفَالًا عَظِـيْمًا فَجَاءَتْ سَنَةُ اِحْدٰى وَسِتِّـيْـنَ وَثَـلَاثـِـمِائَةٍ وَّاَلْفٍ بَـلَغَ فِـيْهَا شُـنْـبُـلُ الْـحِـنْطَةِ سَبْعِـيْـنَ لِـيْـرَةً سُوْرِيَّـةً وَحَصَلَ فِـيْهَا كَـرْبٌ عَظِـيْـمٌ لِـبَعْضِ النَّاسِ فَلَمَّا جَاءَ وَقْتُ اِق বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
‘খ্রিস্টানরা যখন হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার বিলাদত শরীফ পালন করে, তখন আমরা কেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুত তাশরীফ মুবারক উপলক্ষ্যে খুশি প্রকাশ করবো না? এই ভাবনা থেকেই নাকি বাদশাহ হযরত মালিক মুজাফফর ইবনে যাইনুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের সূচনা করেন।’ নাঊযুবিল্লাহ!
জাওয়াব: (১ম অংশ)
বাতিল ফিরকা ও বাতিল আকীদার লোকদের উক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে ভুল, মনগড়া, ধা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হানাফী মাযহাব মুতাবিক
পবিত্র নামায আদায়ের সুন্নত তরীক্বা
যেকোনো নেক আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করা হোক না কেনো, তা সুন্নত মুতাবিকই করা উচিত এবং সুন্নত মুতাবিক করলেই সে আমল বা ইবাদত-বন্দেগীর পূর্ণ ছওয়াব লাভের আশা করা যায়। অন্যথায় সুন্নত পরিত্যাগ করে অথবা সম্মানিত সুন্নত উনার খিলাফ কোনো আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করলে ছওয়াবের পরিবর্তে পাপের ভাগী হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকে।
কারণ সম্মানিত দ্বীন ইসলামের মধ্যে এমন কোনো ইবাদত নেই, যা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সুন্নত মুবারক দ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বর্ণিত আছে-
مَنْ رَدَّ هٰذِهِ الْأَحَادِيْثَ فَهُوَ مُبْتَدِعٌ ضَالٌّ. قَالَ: مَا أَدْرَكْنَا أَحَدًا يَرُدُّهٗ إِلَّا مَنْ فِي قَلْبِهٖ بَلِيَّةٌ، يُهْجَرُ وَلَا يُكَلَّمُ
যারা এই পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহ অস্বীকার করতে চায় তারা বিদয়াতি, পথভ্রষ্ট। আমরা এমন একজনও দেখি নাই যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা ছাড়া কাউকে এটা অস্বীকার কিংবা বর্জন করতে। (আস সুন্নাহ লি আবি বকর ইবনে খল্লাল ১/২৫৯)
হযরত আবু বকর ইবনু খল্লাল রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত ৩১১ হিজরী) তিনি উনার কিতাবে এত ব্যাপক আলোচনা করেছনে যে অস্বীকারকারীদের তিনি ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছেন-
قَالَ: يُقْعِدُهُ مَعَهُ عَلَى الْعَرْشِ، قَالَ أَبُوْ بَ বাকি অংশ পড়ুন...
যদিও ইমাম ওয়াহেদী এই মতটি রদ করতে চেয়েছেন, কিন্তু ইমাম নাক্কাস রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ইমাম আবু দাউদ যিনি সুনানে আবু দাউদ উনার লেখক তিনি বলেন, যে এই মতকে অস্বীকার করে সে আমাদের মতে তিরস্কৃত। আর এই ধরণের বর্ণনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মত ছাহাবী উনারা করেছেন।
বর্ণনায় এসেছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কিয়ামতের দিনে মহান আল্লাহ পাক উনার সামনে বিশে বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত হারাম বিন হায়্যান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে সাক্ষাত:
হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রতি আমার বিশেষ শ্রদ্ধা ও মুহব্বতের দরুণ উনার দীনতা দেখে আমি কেঁদে ফেললাম। হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও কেঁদে বললেন, হে হারাম বিন হায়্যান! মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার হায়াত দারাজ করুন। আপনি কি জন্য এখানে এসেছেন এবং কে আপনাকে আমার সন্ধান দিয়েছে? আমি বললাম, আপনি আমার ও আমার পিতার নাম কি করে জানলেন? তিনি বললেন: نَبَّانِىَ الْعَلِيْمُ الْخَبِيْرُ (যাঁর জ্ঞানের অগোচর কিছুই নেই, তিনি আমাকে আপনার সন্ধান জানিয়েছেন)। আমার রূহ আপনার রূহকে চিন বাকি অংশ পড়ুন...
(৪০৩)
والشيخُ اولو الامر على الـمريد، وامامُ كل طائفة ذو الامر عليهم.
অর্থ: শায়েখ তথা মুর্শিদ কিবলা মুরীদদের মাঝে উলিল আমর অর্থাৎ আদেশদাতা। তেমনি প্রত্যেক গোত্রে ইমাম হচ্ছেন উলিল আমর। (লাতায়িফুল ইশারাত অর্থাৎ তাফসীরুল কুশাইরী লেখক: হযরত আব্দুল করীম বিন হাওয়াযিন বিন আব্দুল মালিক কুশাইরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৪৬৫ হিজরী, পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৫৯)
(৪০৪)
وقال جابرُ بن عبدِ الله والحسنُ والضحَّاك ومجاهدُ رحمة الله علهيم: هُمُ الْفُقَهَاءُ وَالْعُلَمَاءُ اَهْلُ الدِّيْنِ وَالْفَضْلِ الَّذِيْنَ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ مَعَالِمَ دِيْنِهِمْ؛ وَيَاْمُرُونَهُمْ بالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ، فَاَوْجَبَ اللهُ عَلَى الْ বাকি অংশ পড়ুন...












