SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বাতিলপন্থীদের%' OR titleBn LIKE '%বাতিলপন্থীদের%' OR descriptionEn LIKE '%বাতিলপন্থীদের%' OR descriptionBn LIKE '%বাতিলপন্থীদের%' OR slug LIKE '%বাতিলপন্থীদের%' OR metaTag LIKE '%বাতিলপন্থীদের%' OR metaDescription LIKE '%বাতিলপন্থীদের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র কুরআন শরীফে অন্যান্য আরো কিছু আয়াত শরীফ আছে তার শাব্দিক অর্থগুলো হচ্ছে-
হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম বলেছেন-
ربنا ظلمنا انفسنل
অর্থ: হে আমার রব! আমি নিজের প্রতি জুলুম করেছি। (পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
হযরত ইউনূস আলাইহিস সালাম বলেন-
اني كنت من الظالمين
অর্থ: নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৭)
এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে, তারা কি এটা বলতে পারবে যে, আদম আলাইহিস সালাম জালিম ছিলেন ??? নাউযুবিল্লাহ!
তারা কি এটা বলতে পারবে যে, হযরত ইউনূস আলাইহিস সালাম তিনি জালিমদের অন্তর বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মী অর্থ নিরক্ষর করে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারতেছেন। এ বিষয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা-
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফে এমন অনেক শব্দ আছে যা আপনি চাইলেও ডিকশনারী দেখে অর্থ করতে পারবেন না। যদি করেন ঈমান আমল সব শূণ্য হয়ে যাবে। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ অতি উচ্চাঙ্গের বর্ণনা ও শব্দশৈলী দ্বারা বিন্যাসকৃত একটি গ্রন্থ। ধর্মব্যবসায়ী বাঙালী অবিধান লব্ধ জ্ঞান থেকে চিন্তা করে অনেক সময় হিসাব মেলাতে পারে না। তরজমা করার আগে সবসময় যে বিষয়টা লক্ষ্য রাখতে হয় সেটা হচ্ছে- যে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে সে বিষয়ে পবিত্র ইসলামে আমাদ বাকি অংশ পড়ুন...
আরেকটি সনদ দেখুন-
হযরত বিশরান ইবনু মিহরান বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত ৪৩০ হিজরী) উনার কিতাবে বর্ণনা করেন-
أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الصَّوَّافِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا الْمِنْجَابِ، أنبا ابْنُ مُسْهِرٍ، وَابْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: كَتَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْبَعَةَ كُتُبٍ
আমাদের কাছে বর্ণনা করেন আবু আলী মুহম্মদ ইবনু আহমদ ইবনুল হাসান ইবনু ছাওয়াফ, তিনি বর্ণনা করেন মুহম্মদ ইবনু উছমান ইবনু আবী শায়বা থেকে, তিনি বর্ণনা করেন মিনজাব থেকে, তিনি ইবনু মুসহির থেকে, তিনি ইবনে ফ বাকি অংশ পড়ুন...
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লিখেছেন তার একটি চমৎকার দলীল।
হযরত ইমাম শাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেন-
عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ: كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَكْتُبُ كَمَا تَكْتُبُ قُرَيْشُ: بِاسْمِكَ اللَّهُمَّ حَتَّى نَزَلَتْ عَلَيْهِ: {ارْكَبُوْا فِيْهَا بِسْمِ اللَّهِ تَجْرِهَا وَمُرْسَهَا} فَكَتَبَ: بِسْمِ اللهِ حَتَّى نَزَلَتْ عَلَيْهِ: {قُلِ ادْعُوا اللَّهَ أَوِ ادْعُوا الرَّحْمَنَ} فَكَتَبَ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ حَتَّى نَزَلَتْ عَلَيْهِ: {إِنَّهُ مِنْ سُلَيْمَانَ وَإِنَّهُ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ فَكَتَبَ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ.
‘হযরত ইমাম শা’বী রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে বাকি অংশ পড়ুন...
যারা উম্মী অর্থ নিরক্ষর করে তাদের মূল দলীল হচ্ছে বুখারী শরীফের একটি হাদীছ শরীফ। কিন্তু তারা একবারও হাদীছ খানা ফিকির করেছে?
৩) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লিখতে ও পড়তে পারতেন এর অনেক দলীল আমরা দিয়েছি। আজকে দেখবো হিসাব বিষয়ে কি আছে। বুখারী শরীফের এই হাদীছ শরীফে وَلَا نَحْسُبُ এর অর্থ যদি ‘আমরা হিসাব পারি না’ হয় তাহলে ফারায়েজের হাদীছ শরীফ গুলোর কি হবে? ছিহাহ ছিত্তার ফারায়েজ অধ্যায়গুলো খুলে দেখেন কেমন জটিল হিসাব। যেটা এখনও অনেক শিক্ষিত লোকও ঠিকমত পারে না, হিসাব না জানা থাকলে ফারায়েজ কিভ বাকি অংশ পড়ুন...
যারা উম্মী অর্থ নিরক্ষর করে তাদের মূল দলীল হচ্ছে বুখারী শরীফের একটি হাদীছ শরীফ। কিন্তু তারা একবারও হাদীছ খানা ফিকির করেছে?
হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে-
عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: ্রإِنَّا أُمَّةٌ أُمِّيَّةٌ، لَا نَكْتُبُ وَلَا نَحْسُبُ،
“আমরা উম্মী জাতি। লিখি না, হিসাব করি না”। (বুখারী শরীফ: ১০৮০)
উম্মী শব্দকে নিরক্ষর অর্থকারীরা এই হাদীছ শরীফ থেকে অর্থ করে আমরা নিরক্ষর জাতি। আমরা লিখতে পারি না, আমরা হিসাব করতে পারি না। কিন্তু এই হাদীছ শরীফের যদি এরকম অর্থ করা হয় তাহলে মারাত্মক স্ববিরোধিতা তৈরী হয় সেই সাথে অনেক বিকৃতিরও স বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইলিম মুবারক নিয়ে কথা বলার যোগ্যতা কি মানুষ রাখে?
৫) মহান আল্লাহ পাক তিনি আরও বলেছেন, “আলিফ, লাম, ‘র’; এটি এমন এক কিতাব, যার আয়াতসমূহ সুপ্রতিষ্ঠিত অতঃপর সবিস্তারে বর্ণিত এক মহাজ্ঞানী, সর্বজ্ঞ সত্তার পক্ষ হতে।” (পবিত্র সূরা হুদ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ০১)
৬) মহান আল্লাহ পাক আরো ইরশাদ মুবারক করেন, বলুন! আমার পালনকর্তার কথা লেখার জন্যে যদি সমুদ্রের পানি কালি হয়, তবে আমার পালনকর্তার কথা, শেষ হওয়ার আগেই সে সমুদ্র নিঃশেষিত হয়ে যাবে। সাহায্যার্থে অনুরূপ আরেকটি সমুদ্র বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইলিম মুবারক নিয়ে কথা বলার যোগ্যতা কি মানুষ রাখে?
এই সৃষ্টিজগতের সকল সৃষ্টির শিক্ষাদানকারী হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার সম্মানিত রিসালাত মুবারকের একটি অন্যতম অংশ ছিলো শিক্ষাদান। পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِّنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِن كَانُوا مِن قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
অর্থ: তিনিই উম্মীদের (যা বাকি অংশ পড়ুন...
যারা বলে থাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লিখতে জানতেন না (নাউযুবিল্লাহ) তারা এই হাদীছ শরীফ উনার কি ব্যাখ্যা দিবে?
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাবে হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন-
عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ لَمَّا حُضِرَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَفِي الْبَيْتِ رِجَالٌ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم هَلُمُّوْا أَكْتُبْ لَكُمْ كِتَابًا لَا تَضِلُّوْا بَعْدَهُ فَقَالَ بَعْضُهُمْ إِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله ع বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা আলাকের তাফসীর নিয়ে মিথ্যাচার করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম উনাকে নিরক্ষর (নাঊযুবিল্লাহ!) প্রমাণকারীদের কাছে প্রশ্ন???
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
حَتَّى فَجِئَهُ الحَقُّ وَهُوَ فِي غَارِ حِرَاءٍ، فَجَاءَهُ المَلَكُ فِيهِ، فَقَالَ: اقْرَأْ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " فَقُلْتُ: مَا أَنَا بِقَارِئٍ،
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে সম্মানিত ওহী মুবারক আসলো। আর এ সময় তিনি পবিত্র হেরা গুহায় ছিলেন। সেখানে হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম এসে উনাক বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লিখিত একটা চিঠি, চিঠি নিয়ে প্রশ্ন এবং জবাব।
ইমাম হযরত আব্দুর রাজ্জাক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাবে বর্ণনা করেন-
عَبْدُ الرَّزَّاقِ قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ سَعِيدٍ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ قَالَ: جَاءَنَا أَعْرَابِيٌّ وَنَحْنُ بِالْمَرْبَدِ، فَقَالَ: هَلْ فِيكُمْ قَارِئٌ يَقْرَأُ هَذِهِ الرُّقْعَةَ؟ قُلْنَا: كُلُّنَا نَقْرَأَ قَالَ: فَاقْرَءُوهَا لِي قَالَ: هَذَا كِتَابٌ كَتَبَهُ لِي مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِبَنِي زُهَيْرِ بْنِ أُقَيْشٍ، حِيٍّ مِنْ عُكْلٍ ্রإِنَّكُمْ إِنْ شَهِدْتُمْ لَا إِلَهَ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লিখিত একটা চিঠি, চিঠি নিয়ে প্রশ্ন এবং জবাব।
ইমাম হযরত আব্দুর রাজ্জাক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাবে বর্ণনা করেন-
عَبْدُ الرَّزَّاقِ قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ سَعِيدٍ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ قَالَ: جَاءَنَا أَعْرَابِيٌّ وَنَحْنُ بِالْمَرْبَدِ، فَقَالَ: هَلْ فِيكُمْ قَارِئٌ يَقْرَأُ هَذِهِ الرُّقْعَةَ؟ قُلْنَا: كُلُّنَا نَقْرَأَ قَالَ: فَاقْرَءُوهَا لِي قَالَ: هَذَا كِتَابٌ كَتَبَهُ لِي مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِبَنِي زُهَيْرِ بْنِ أُقَيْشٍ، حِيٍّ مِنْ عُكْلٍ ্রإِنَّكُمْ إِنْ شَهِدْتُمْ لَا إِلَهَ বাকি অংশ পড়ুন...












