SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পাহাড়ী%' OR titleBn LIKE '%পাহাড়ী%' OR descriptionEn LIKE '%পাহাড়ী%' OR descriptionBn LIKE '%পাহাড়ী%' OR slug LIKE '%পাহাড়ী%' OR metaTag LIKE '%পাহাড়ী%' OR metaDescription LIKE '%পাহাড়ী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
খ. অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ করিডোর ও সাপ্লাই রুট :
সীমান্ত সড়ক সংলগ্ন এলাকা: নির্মাণাধীন সীমান্ত সড়কের প্রতি ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার অন্তর অন্তর ছোট ও মাঝারি আকারের ক্যাম্প স্থাপন করতে হবে, যাতে প্রকৌশল ব্যাটালিয়ন ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
নদী ও নৌপথ ভিত্তিক চৌকি:
কাপ্তাই হ্রদ এবং সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও ফেনী নদীর অববাহিকাগুলোতে ফ্লোটিং বা ওয়াটার-বেসড সেনাক্যাম্প স্থাপন করা জরুরি, কারণ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা প্রায়শই যাতায়াতের জন্য নৌপথ ব্যবহার করে।
গ. উপজাতীয় গোষ্ঠীদের অভয়ারণ্য ও পাহাড়ি জঙ্গল :
থানচির গহীন অরণ্য খাগড়াছড়ির পানছ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
পাক ভারত উপমহাদেশেও খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। খলীফা ছিলেন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সমধিক পরিচিতি, সুখ্যাতি, অবদান এ উপমহাদেশে বুনিয়াদী বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হিজরী ১৩ শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, মুহম্মদিয়া তরীক্বার সম্মানিত ইমাম, হযরত সাইয়্যিদ আহ বাকি অংশ পড়ুন...
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০”কি?
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিজেদের দখলে রাখতে ব্রিটিশ লুটেরারা ঐ অঞ্চলকে বিশেষ অঞ্চল নামে আখ্যা দিয়ে ১৯০০ সালে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০’ (চিটাগং হিল ট্র্যাক্ট ম্যানুয়েল ১৯০০) নামক আইন প্রণয়ন করে এবং ১৯০০ সালের ১ মে থেকে কার্যকর করে। এই আইনের মাধ্যমে উপজাতিদের ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের শাসন ক্ষমতা নিজেরা কুক্ষিগত করে। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল এই সমৃদ্ধ অঞ্চলটি দূরে থেকে কিভাবে শাসন-শোষণ করা যায়। এলক্ষ্যে পার্বত্য উপজাতিদের তারা ব্যবহার করে।
পার্বত্ বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
চট্টগ্রামের সীতাকু- উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে পুলিশ। দুর্গম এই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে র্যাব ও পুলিশের দুটি স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আহসান হাবীব পলাশ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ভোর থেকে যৌথবাহিনী এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে। র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও এপিবিএনের মোট প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্য এতে অংশ নিয়েছেন। অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল বি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কাবাসীদের সাথে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়ানোর প্রচেষ্টায় পথ পরিবর্তন:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কুরাউল গামীমের প্রধান পথ পরিহার করে আঁকাবাঁকা অন্য এক পথ ধরে অগ্রসর হতে থাকলেন। এ পথটি ছিলো একটি পাহাড়ী পথ, প্রধান সড়কটি বাম পাশে রেখে ডান দিকে ঘুরে হিমসের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়ে এমন পথ ধরলেন, যে পথ সানিয়াতুল মারারের উপর দিয়ে চলে গেছে। সানিয়াতুল মারার হতে হুদায়বিয়াতে নেমেছে। হুদায়বিয়াহ পবিত্র মক্কা শরীফ উনার নিম্ন অঞ্চলে অবস্থিত। পরিবর্তিত পথ ধরে অগ্রসর হওয়ার সুবিধা হলো, কুরাউল গ বাকি অংশ পড়ুন...
উতবা ইবনে আবী ওয়াক্কাছের পরিণতি:
হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি হযরত হাতিব ইবনে আবী বালতা মাদানী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বলতে শুনেছেন।
তিনি উহুদ যুদ্ধের দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট এসে দেখলেন তিনি অত্যন্ত নূরুল ইস্তিক্বামত মুবারক অর্থাৎ জিহাদে আহত হওয়া শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। ইমামুল আউওয়াল, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার হাত মুবারকে একটি ঢাল ভর্তি পানি ছিলো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হ বাকি অংশ পড়ুন...
দেশ এখন এক চরম সংকটকালীন সময় অতিক্রম করছে। দেশের ভেতরে বাইরে দু’দিক থেকেই দেশ নিয়ে ভয়াবহ ষড়যন্ত্র চলছে। গোটা দেশের সার্বভৌমত্ব চরম হুমকীর মুখে রয়েছে।
যখন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে আদিবাসী নাম দিয়ে পাবর্ত্য অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করার তৎপরতা চলছে। কথিত ঐক্যমত্য কমিশন পাহাড়ী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সাথে বৈঠকের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করছে।
লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মানবিক সহায়তার পরিবর্তে আরাকান আর্মির জন্য কথিত মানবিক করিডোর দেয়ার চেষ্ঠা চলছে। মিয়ানমারের সাথে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরী হচ্ছে।
জাত বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের মাতৃভূমিতে দ্বীন ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী কাফির মুশরিকরা একের পর এক তাদের হিংস্র মানসিকতার প্রতিফলন ঘটিয়েই যাচ্ছে। প্রশাসন, আইন-আদালতসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বসে আছে কাফির-মুশরিকদের দালাল মুনাফিকরা অথবা মুসলমান ছুরতে ছদ্মবেশী কাফির-মুশরিকরাই। এরা শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের এই দেশটাতে তাদের কথিত রামরাজ্য রানাতে চাচ্ছে। এরা দেশটাকে গৃহযদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে এবং ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রায় অচলাবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে। কথিত অন্তর্র্বতী সরকার মুসলমা বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত অন্তর্র্বতী সরকার মুসলমানদের সাথে প্রতারণা করে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী, মুসলমানদের শত্রুদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। সুদখোর, লাওওয়াত্ব অন্তর্র্বর্তীকালীন এই প্রতারক সরকার উগ্রপন্থী হিন্দু সন্ত্রাসী সংগঠন ইসকন, সনাতন বিদ্যার্থী সংগঠন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এবং এই জাতীয় উগ্র মুসলিম বিদ্বেষী সংগঠনগুলোকে দিয়ে দেশের মানুষের ইজ্জত-সম্মান-সম্ভ্রমহরণ করিয়ে যাচ্ছে, মুসলমান মেয়েদেরকে গোপনে ভারতসহ বিভিন্ন কাফির-মুশরিকদের কাছে পাচার করছে এবং দেশটাকে বিদেশী শত্রুদের হাতে তুলে দেয়ার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।
কিছ বাকি অংশ পড়ুন...
চৌকিদার ও চৌকিদারনী উভয়ে স্বঘোষিত ‘রাজা ও রানী’ পদবী দাবী করে কোন যুক্তিতে সাধারণ পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে একর প্রতি জুম ফসলের ৪২ পয়সা? এই অধিকার বাংলাদেশের ঠিক কোন আইনে সিদ্ধ? কে দিয়েছে তাদের?
বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমি তাই উচ্চকিত চিৎকারে বলি, “এই সমস্ত সন্ত্রাসী সিস্টেম আমি মানিনা।” আমি পাহাড়ে এই রক্তচোষা সমস্ত সন্ত্রাসী সিস্টেমের বিলুপ্তি চাই।
একজন গরীব কৃষক রক্ত পানি করে ফসল ফলান। সেই ফসলের ৪২ পয়সা যায় রাজাকার ত্রিদিবের সন্তান দেবাশীষের ঘরে। ইয়ায়ন ইয়ান সেই অর্থ দিয়ে হাতে উল্কি আঁকে। জেনে রাখো ওট বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের মাতৃভূমিতে দ্বীন ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী কাফির মুশরিকরা একের পর এক তাদের হিংস্র মানসিকতার প্রতিফলন ঘটিয়েই যাচ্ছে। প্রশাসন, আইন-আদালতসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বসে আছে কাফির-মুশরিকদের দালাল মুনাফিকরা অথবা মুসলমান ছুরতে ছদ্মবেশী কাফির-মুশরিকরাই। এরা শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের এই দেশটাকে তাদের কথিত রামরাজ্য বানাতে চাচ্ছে। এরা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর বানিয়ে বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে, জনগণের মৌলিক অধিকার ক্ষুণœ হচ্ছে এবং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব বিঘিœত হচ্ছে ও দ্বীন ইসলামের উপর আঘাত আসছে বাকি অংশ পড়ুন...












