SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%দু’খানা%' OR titleBn LIKE '%দু’খানা%' OR descriptionEn LIKE '%দু’খানা%' OR descriptionBn LIKE '%দু’খানা%' OR slug LIKE '%দু’খানা%' OR metaTag LIKE '%দু’খানা%' OR metaDescription LIKE '%দু’খানা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
এরপর তা’খীর শরীফের পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ নাযিল হলো। ফায়ছালা হলো। এটা হচ্ছে, পবিত্র ছফর শরীফের পহেলা তারিখের কথা। তা’খীর শরীফের যে পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো। এরপর পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফের বাকি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো। মুসলমান কাফির সবাইকে সতর্ক করার জন্য এবং আরো কতগুলি বিষয় মুসলমানদেরকে জানানোর জন্য। সেই সাতখানা পবিত্র আয়াত শরীফের প্রথম পাঁচখানা আর দু’খানা একই রুকু শরীফে। বলা হচ্ছে, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছয় নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
“আল আয়িম্মাতু মিন কুরাইশ” এবং “তা‘য়াল্লামুল ফারায়িদ্বা ওয়া আল্লিমূহা ফাইন্নাহা নিছফুল ইলম” হাদীছ শরীফ দুখানা জনৈক ব্যক্তি বানোয়াট মনে করে অস্বীকার করে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি হবে?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
উল্লেখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ দু’খানা বিশুদ্ধ এবং দলীলসমৃদ্ধ। যেমন প্রথম হাদীছ শরীফখানা উনার মূল বর্ণনাকারী হচ্ছেন হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশিষ্ট খাদিম। তিনি সুদীর্ঘ দশ বৎসর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অন্যতম ছাত্র, ছিয়াহ সিত্তাহ্র অন্যতম ইমাম হযরত আবূ ঈসা তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত কিতাব “সুনানে তিরমিযী শরীফে” পবিত্র তারাবীহ্ নামায উনার রাকায়াত সংখ্যা প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন-
قال الترمذى رحمة الله عليه واكثر اهل العلم على ما روى عن حضرت الفاروق الاعظم عليه السلام و حضرت امام الاول كرم الله وجهه عليه السلام وغيرهما من اصحاب النبى صلى الله عليه وسلم عشرين ركعة وهو قول الثورى وابن المبارك والشافعى وقال هكذا ادركت الناس بمكة يصلون عشرين ركعة.
অর্থ: ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া স বাকি অংশ পড়ুন...
কারণ অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ একাধিকবার নাযিল হয়েছেন, অনেক পবিত্র সূরা শরীফ একাধিকবার নাযিল হয়েছেন। যেমন সূরা আল কাউছার শরীফ, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ছোট সূরা শরীফ। এই সূরা আল কাউছার শরীফ মক্কা শরীফে নাযিল হয়েছেন, মদীনা শরীফেও নাযিল হয়েছেন একাধিকবার, অনেকবার নাযিল হয়েছেন।
পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ খুব বড় সূরা শরীফ নয়, বারো খানা আয়াত শরীফ, দু’খানা রুকূ শরীফ। এখানে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র আয়াত শরীফের মধ্যে হারাম করা। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে উনার মহাসম্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কিছু বাতিল ফিরকা বের হয়েছে তারা প্রচার করে বেড়াচ্ছে, যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, আমাকে তোমরা যেভাবে নামায পড়তে দেখেছো সেভাবে নামায আদায় করো। তাছাড়া বাজারে বদ আক্বীদা ও বাতিল ফিরক্বার কিছু বইপত্র বের হয়েছে যাতে লিখা হয়েছে, ‘পুরুষ ও মহিলার নামায আদায়ের পদ্ধতি একই রকম। কোনরূপ প্রভেদ বা পার্থক্য নেই। ’ এ বিষয়ে সঠিক ফায়ছালা কি হবে?
জাওয়াব:
বাতিল ফিরকার উক্ত বক্তব্য এবং লেখা কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ তথা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ইমাম ও ফক্বীহ্গণের মত ও পথের স বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: সুন্নতী পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বা সুন্নতী পণ্যের ব্যবসা করার ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম কি?
জাওয়াব: (৫ম অংশ) * শিমলা: মাথায় পাগড়ী বাধার সময় পাগড়ীর যে অংশটুকু ঘাড়ের দিকে ঝুলিয়ে রাখা হয় তাকে শিমলা বলা হয়। শিমলা চার আঙ্গুল থেকে ১ হাত হওয়া বাঞ্চনীয় এবং তা দু’কাঁধের মধ্যখানে ঝুলিয়ে রাখা উত্তম। শিমলা ছাড়া পাগড়ী পরিধান করা বিজাতীয় লক্ষণ।
* সুন্নতী রুমাল: পাগড়ীর উপর সাদা রুমাল ব্যবহার করা পবিত্র সুন্নত মুবারক। পবিত্র রুমাল পরিধান করার তরতীব হচ্ছে- পাগড়ীর উপর মাঝ বরাবর রাখতে হবে। অতঃপর সুন্নতী রুমালের ডানপাশ বাম কাঁধের উপর দিয়ে নীচের দিক বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
হজ্জের ফরজ কয়টি ও কি কি?
জাওয়াব:
হজ্জের ফরজ হচ্ছে- ৩টি।
(১) ইহরাম বাঁধা অর্থাৎ মীকাত হতে ইহরাম বাঁধা।
(২) ওকুফে আরাফা অর্থাৎ ৯ই জিলহজ্জের দ্বিপ্রহরের পর হতে অর্থাৎ সূর্য ঢলার পর হতে ১০ই জিলহজ্জ সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত যে কোন সময় আরাফার ময়দানে উপস্থিত থাকা।
(৩) তাওয়াফে জিয়ারত অর্থাৎ ১০, ১১ ও ১২ই জিলহজ্জ তারিখের মধ্যে কা’বা শরীফ তাওয়াফ করা।
সুওয়াল:
হজ্জের মধ্যে ওয়াজিব কি কি?
জাওয়াব:
হজ্জের মূল ওয়াজিব ৫টি।
(১) সাফা মারওয়া পাহাড়ের সাঈ করা।
(২) মুজদালিফায় অবস্থান।
(৩) রমী বা কঙ্কর নিক্ষেপ করা।
(৪) মাথা মুন্ডন করা।
(৫) তাওয় বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অন্যতম ছাত্র, ছিয়াহ সিত্তাহ্র অন্যতম ইমাম হযরত আবূ ঈসা তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত কিতাব “সুনানে তিরমিযী শরীফে” পবিত্র তারাবীহ্ নামায উনার রাকায়াত সংখ্যা প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন-
قال الترمذى رحمة الله عليه واكثر اهل العلم على ما روى عن حضرت الفاروق الاعظم عليه السلام و حضرت امام الاول كرم الله وجهه عليه السلام وغيرهما من اصحاب النبى صلى الله عليه وسلم عشرين ركعة وهو قول الثورى وابن المبارك والشافعى وقال هكذا ادركت الناس بمكة يصلون عشرين ركعة.
অর্থ: ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া স বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَلصّـِدِّيْقَةِ عَلَيـْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كُنْتُ اَنَامُ بَيْنَ يَدَىْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَاىَ فِي قِبْلَتِهٖ فَاِذَا سَجَدَ غَمَزَنِـىْ فَقَبَضْتُّ رِجْلَىَّ وَاِذَا قَامَ بَسَطْـتُّهُمَا
অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে ঘুমিয়ে থাকতাম আর আমার মহাসম্মান বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَلصّـِدِّيْقَةِ عَلَيـْهَا السَّلَامُ اَنَّهَا قَالَتْ كُنْتُ اَكُوْنُ نَائِمَةً وَّرِجْلَاىَ بَيْنَ يَدَىْ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُصَلّـِىْ مِنَ اللَّيْلِ فَاِذَا اَرَادَ اَنْ يَّسْجُدَ ضَرَبَ رِجْلَىَّ فَقَبَضْتُّهُمَا فَسَجَدَ
অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ঘুমিয়ে থাকতাম। আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাহ্ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহা বাকি অংশ পড়ুন...
একটি কথা বলা জরুরী, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَدْ مُنِعَ صِيَامُ خَمْسَةِ اَيَّامٍ يَوْمُ الْعِيْدِ الْفِطْرِ وَ عِيْدِ الْاَضْحٰي وَ ثَلَاثَةِ اَيَّامٍ بَعْدَه
অর্থ : পাঁচদিনে রোযা রাখা নিষেধ করা হয়েছে, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আদ্বহা এবং ঈদুল আদ্বহার পরের তিনদিন”।
আরো বর্ণিত আছে-
قَالَ النَّبِىُّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَصُوْمُوْا لِهذِه الْاَيَّامِ فَاِنَّهَا اَيَّامُ اَكْلٍ وَشُرْبٍ وَبِعَالٍ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন “তোমরা এই দিনগুলোতে রোযা রাখবে না। কেননা নিশ্চয়ই এই দিনগুলো পানাহার এবং হা বাকি অংশ পড়ুন...












