SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%দিলেন%' OR titleBn LIKE '%দিলেন%' OR descriptionEn LIKE '%দিলেন%' OR descriptionBn LIKE '%দিলেন%' OR slug LIKE '%দিলেন%' OR metaTag LIKE '%দিলেন%' OR metaDescription LIKE '%দিলেন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَّرِزْقٌ كَرِيمٌ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে ক্ষমা, উত্তম রিযিক, সম্মান, মর্যাদা, শান-মান মুবারক রয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে অর্থ মুবারকটা কি হলো, এটাতো ভাষায় বলা কঠিন বিষয়। সেটাই বলা হচ্ছে যদি
إِنْ كَانَتْ سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ اُمُّ الْمُؤْمِنِينَ الثَّالِثَةُ الصِّدِّيْقَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ خَبِيثَةً, فَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَبِيثٌ، فَهُوَ كَافِرٌ
নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! যদি উনাকে সেই বিপরীতটা বলা হয় তাহলে যিনি মাহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
كَذَٰلِكَ كِدْنَا لِيُوسُفَ
অর্থ: এমনিভাবে আমি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার জন্য হীলাহ্ বা হিকমত অবলম্বন করেছি (উনার ভাইকে আবদ্ধ করে রাখার জন্য) (সূরা ইউসূফ শরীফ -৭৬)
আলোচ্য আয়াত শরীফে ‘কাইদ’ দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, হীলাহ্ বা কৌশল। হযরত ইমাম আবূ বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এর দ্বারা হীলাহ এর বৈধতা প্রমাণিত। আর তার দ্বারা স্বীয় হুকুক বা অধিকার হাসিলের জন্য হীলাহ্ অবলম্বন করার বৈধতা প্রতিয়মান হয়। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার কাজের উপর সন্তুষ্ট হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র তায়াম্মুমের বিধান নাযিল:
তায়াম্মুম (تيمم) শব্দটি আরবী। এর শাব্দিক অর্থ ইচ্ছা করা, মনস্থ করা, সংকল্প করা। এর পারিভাষিক অর্থ হলো- পানি পাওয়া না গেলে বা কোন কারণে পানি ব্যবহারে অক্ষম হলে পবিত্র মাটি দ্বারা শরীয়তসম্মত পন্থায় পবিত্রতা অর্জন করাকে তায়াম্মুম বলে। অর্থাৎ মাটি দ্বারা মুখমন্ডল ও উভয় হাত মাসেহ করাকে তায়াম্মুম বলে। (মু’জামুল ওয়াসীত)
পবিত্র তায়াম্মমের বিধান সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ৫৯তম বৎসর মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
فَقَامَ إِلَيْهِ بِعَمُودٍ وَضَرَبَ بِهِ دِمَاغَهُ، فَقَتَلَهُ،
মুল কথাটা এখানে শেষ হলো। অর্থ হচ্ছে, সে যখন এসে কান্নাকাটি করে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার শান মুবারকে চূ-চেরা, কীল-কাল শুরু করতেছিল সেই শাসক তিনি আসন থেকে উঠে গেলেন। উঠে একটা লোহার মুগুড় নিয়ে, লোহার একটা বড় মুগুড় নিয়ে তার সামনে দাঁড়িয়ে একটা বারি দিয়ে তার মাথাটা চূর্ণ বিচূর্ণ করে তাকে ক্বতল করে ফেললেন। অর্থাৎ হত্যা করলেন শাস্তি স্বরূপ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এক বারিতে তিনি তাকে রফা- দফা করলেন, তাক বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করার পূর্বে অর্থাৎ আহত অবস্থায় হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমগণ উনারা আরয করলেন উনার পরবর্তী খলীফা মনোনীত করার জন্য। তখন তিনি বললেন, আমি ছয় জনের সম্মানিত নাম মুবারক ঘোষণা করে যাচ্ছি। উনাদের মধ্য হতে যে কোনো একজনকে তিন দিনের মধ্যে খলীফা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।
উল্লেখিত ছয়জন হচ্ছেন- আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুন বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশিষ্ট ছাহাবী ও খাদিম হিসেবেই পরিচিত হযরত যায়িদ বিন হারেছাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি। তিনি এক কাফেলার সাথে উনার নানাবাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আকস্মিক এক মুসিবতের শিকার হয়ে গেলেন। বনূ কায়েস উনাদের কাফেলাকে লুন্ঠন করে নিয়ে গেল। হাকিম বিন হিজাম কম বয়সী হযরত যায়িদ বিন হারেছাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বনূ কায়েস থেকে স্বীয় ফুফু উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার খিদমত মুবারকের জন্য খরিদ করে নিয়েছিলেন। অতঃপ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার দৃষ্টিশক্তি মুবারক হারানো:
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সম্পর্কে বর্ণিত রয়েছেন,
أن حضرت عبد الله بن زيد رضى الله تعالى عنه كان يعمل فى جنة له فأتاه ابنه فأخبره أن النبى صلى الله عليه وسلم قد توفى فقال اللهم أذهب بصرى حتى لا أرى بعد حبيبى سيدنا مولانا محمد صلى الله عليه وسلم أحدا فكف بصره
অর্থ: “নিশ্চয়ই হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উনার একটি বাগানে কাজ করছিলেন। তখন উনার নিকট উনার ছেলে এসে সংবাদ মুবারক দিলেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার অবস্থা মুবারক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দীদার মুবারক-এ তাশরীফ মুবারক নেয়ার পর উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জুদায়ী মুবারক উনার কারণে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি এই বাক্য মুবারকগুলো বলতে থাকেন,
السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَبِىْ وَأُمِّي لَقَدْ كُنْتَ تَخْطِبُنَا عَلَى جِذْعِ نَخْلَةٍ فَلَمَّا كَثُرَ النَّاسُ اتَّخَذت مِنْبَرًا لِتُسْمِعَهُمْ فَحَنَّ الْجِذْعُ لِفَرَاقِكَ حَتَّى جَعَلَتْ يَدَكَ عَلَيْهِ فَس বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণনাকারী বলেন, সন্ধিপত্র লেখা শেষ হলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমভাবে ঘোষণা করে দেন, লোকেরা যেন হুদায়বিয়ায় নিজ নিজ আনিত পশুগুলি কুরবানী করে দেয় এবং হলক্ব করে নেয়। পরপর তিনবার তিনি ঘোষণা দেন, কিন্তু ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মধ্যে নির্দেশ পালনের কোন লক্ষণ দেখা গেলো না। (সবাই অপেক্ষা করতে লাগলেন, কখন তিনি নিজেই কুরবানী ও হলক্ব করবেন)।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ব্যাপারে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মি বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন-
وَلَوْلا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُم مَّا يَكُونُ لَنَا أَنْ نَّتَكَلَّمَ بِهٰذَا
যখন তোমরা শুনলে তখন কেন বললে না, এ বিষয় আমাদের কথা বলার কোন অধিকার নেই। উনারা পবিত্র থেকে পবিত্রতম, পবিত্রতা দানকারিণী। এটা প্রকাশ্য অপবাদ, কেন বললে না? যখন শুনলে। তাহলে কি বলতে হবে? যদি কেউ চূ-চেরা, কীল-কাল করে তাহলে তাকে বলতে হবে, তুমি কাট্টা মিথ্যাবাদী। উনাদের জন্য অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হবে। আর উনাদের বিষয় কারো কোন কথা বলার অধিকার নেই। পবিত্র কুরআন শরীফ কালামুল্লাহ শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ যা বর্ণিত রয়েছেন সেট বাকি অংশ পড়ুন...












