SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%তখতে%' OR titleBn LIKE '%তখতে%' OR descriptionEn LIKE '%তখতে%' OR descriptionBn LIKE '%তখতে%' OR slug LIKE '%তখতে%' OR metaTag LIKE '%তখতে%' OR metaDescription LIKE '%তখতে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহান আল্লাহ পাক তিনি উত্তম হেফাজতকারী, অনেক দয়ালু, করুণাময়।”
এ প্রসঙ্গে বলা হয়ে থাকে একটি ওয়াকেয়া। হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম। তিনি সারা পৃথিবীর বাদশাহ ছিলেন এবং তিনি নবীও ছিলেন। উনার একটা তখত ছিল, তখতে সুলায়মানী। সেই তখতে করে তিনি প্রত্যেকদিন সকালে এক মাসের রাস্তা সফর করতেন এবং বিকালে এক মাসের রাস্তা সফর করতেন। একদিন তিনি সফর করতেছিলেন, হঠাৎ একজন কৃষক; সে জমিনের মধ্যে ছিল। সে জমিনে থেকে লক্ষ্য করলো, হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম উনার তখতটা আকাশে উড়ে যাচ্ছে। সেই কৃষক বললো সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত সুলায়মান আলাই বাকি অংশ পড়ুন...
আস সালাম
আস সালাম
ছানীয়ে মুহতারাম
তখতে সিলসিলা....
তখতে সিলসিলা উজ্বালা
আগমনে শাহ সুলতান
সু-স্বাগতম শাহযাদাজান
মারহাবা ইয়া মারহাবান
শুভ সংবাদ মুবারকবাদ
ঘোষণা দেন আল বিলাল
গুল বাগিচায় নূর গালিচায়
আজ এসেছেন আল হিলাল
তাই সবে....তাই সবে
তাই সবে ইশকের জরবে
দিল করে দিলাম কুরবান
সু-স্বাগতম শাহযাদাজান
মারহাবা ইয়া মারহাবান
দিবা-নিশি বিশ্ববাসী
খুব খুশিতে বেকারার
খোশ নছীবে পাই যে ভবে
সেরা আক্বায়ে নামদার
নূরওয়ালা....নূরওয়ালা
নূরওয়ালা বাদশাহে বাংলা
খলীফাতুল উমাম শান
সু-স্বাগতম শাহযাদাজান
মারহাবা ইয়া মারহাবান
নববী সাজ নও কারু বাকি অংশ পড়ুন...
কোন মহান আযীমী নূরে বসুন্ধরা উজ্বালা
তিনি মোদের ছানীয়ে মুর্শিদ শায়েখি লালা
শাহেনশাহ শাহযাদা ক্বিবলা
আমাদের শাহযাদা ক্বিবলা
শাহেনশাহ শাহযাদা ক্বিবলা
ফিতনা ফাসাদ যুগে তিনি সত্য সঠিক ফায়ছালা
জাহেলিয়াত মিটিয়ে দেন মাশুকে মাওলা
বেলায়েতী তখতে আক্বা উচ্চে রাখেন সিলসিলা
পথহারা উম্মাহকে করেন পলকেই ইছলাহ
শাহী রোবে নাস্তানাবুদ তামাম ইবলিসী চেলা
মুবারক ফায়িজে পালায় মুছিবত বালা
অতি দয়ায় করেন ফখর আমাদের সোনার বাংলা
সুন্নীয়তের নিশান উড়ান সবচেয়ে পহেলা
-আবুল হুসাইন।
বাকি অংশ পড়ুন...
নবীজি উনার আওলাদ পরশমণি দুলালী
বসুধায় উম্মুল উমাম তিনি লক্ববে যাহরায়ী ॥
বতূলী সাজে দুনিয়া বিরাগী হয়ে
আনিলেন তাশরীফ এই অবনী মাঝে
শিক্ষা দিলেন উম্মাকে বিরাগী হতে
দুনিয়াবী ভোগ বিলাস থেকে ॥
জান্নাতের মহিলাদের সাইয়্যিদা তখতে বসি
খেজুর পাতার প্রাসাদ আপনার বারেবার গেছে খসি
নাহি চেয়েছেন রাজপদ, নাহি চেয়েছেন ধন
সর্বদা করিছেন মানুষের মাঝে দান ॥
এমনিভাবে রসূলী মুহাব্বতে সমুদয়কে করেছেন দান
নিজ সন্তান উনাদেরকেও ইসলামের তরে করেছেন কুরবান
আপনারই দ্বারা ইসলামের হয়েছে উত্থান
আপনিই কুল মুসলিম-মুসলিমার ঈমান ॥
মাওলাজীর মাহবুবা, মা বাকি অংশ পড়ুন...
সেখান থেকে তিনি রাতের বেলা হাঁটতে হাঁটতে অনেক দূরে চলে আসলেন। এক মরুময় জায়গা সেখানে এসে তিনি ক্লান্ত হয়ে গেলেন। ক্লান্তি-শ্রান্তির কারণে, মনে মনে চিন্তা করলেন, এখানে আজকে রাত যাপন করা যেতে পারে। শোয়ার মত বা এখানে ঘুমানোর মত কোন কিছুর ব্যবস্থা নেই। তিনি মনে মনে চিন্তা করলেন, দু’ হাটুতে মাথা রেখে তিনি ঘুমাবেন।
সেটা চিন্তা করে হযরত ইউসুফ বিন হুসাইন রয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি দু’হাটুতে মাথা রেখে তিনি ঘুমালেন, ঘুম এসে গেল। তিনি বর্ণনা করেন, আমার যখন ঘুম এসে গেল হঠাৎ আমি দেখতে পেলাম, আমি এমন এক স্থানে গিয়েছি, এত সুন্দর স্থান আমার জীবনে বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত মুহম্মদ ইবনুল হুসাইন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বাঁদীর মৃত্যুতে খুবই দুঃখিত হলেন। তার কাফন-দাফনের ব্যবস্থার জন্য তিনি বাজারে গেলেন। ফিরে এসে দেখেন তার কাফন পড়ানো হয়ে গেছে, আতর-গোলাপ লাগানো হয়েছে। তার দেহ দু’টি সবুজ রংয়ের বেহেশতী চাদরে ঢাকা। এতে দু’ছতরে দু’টো কথা লিখা আছে। প্রথমে লিখা আছে-
لا اله الا الله محمد رسول الله
তারপর লিখা আছে-
الا ان اولياء الله لا خوف عليهم ولا هم يحزنون.
হযরত ইবনুল হুসাইন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বন্ধুবর্গকে নিয়ে তার জানাযা এবং দাফন শেষে পবিত্র সূরা ইয়াসীন শরীফ পাঠ করে বাড়ী ফিরে এলেন। বাড়ী ফিরে তিনি দু’রাকাত নাম বাকি অংশ পড়ুন...
নবীজি উনার আওলাদ পরশমণি দুলালী
বসুধায় উম্মুল উমাম তিনি লক্ববে যাহরায়ী ॥
বতূলী সাজে দুনিয়া বিরাগী হয়ে
আনিলেন তাশরীফ এই অবনী মাঝে
শিক্ষা দিলেন উম্মাকে বিরাগী হতে
দুনিয়াবী ভোগ বিলাস থেকে ॥
জান্নাতের মহিলাদের সাইয়্যিদা তখতে বসি
খেজুর পাতার প্রাসাদ আপনার বারেবার গেছে খসি
নাহি চেয়েছেন রাজপদ, নাহি চেয়েছেন ধন
সর্বদা করিছেন মানুষের মাঝে দান ॥
এমনিভাবে রসূলী মুহাব্বতে সমুদয়কে করেছেন দান
নিজ সন্তান উনাদেরকেও ইসলামের তরে করেছেন কুরবান
আপনারই দ্বারা ইসলামের হয়েছে উত্থান
আপনিই কুল মুসলিম-মুসলিমার ঈমান ॥
মাওলাজীর মাহবুবা, মা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিত পর)
অন্য কোন মাবুদকেও কবুল করিনি। পড়তে থাকুন। মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি রহমত বর্ষন করুন।” তিনি আরও পড়লেন, যার অর্থ- “আমি যালিমদের জন্য দোযখের আগুন প্রস্তুত করে রেখেছি, তাদের চতুর্স্পার্শ্বে আগুনের তাবু থাকবে। তারা পানি প্রার্থনা করলে, তাদেরকে তাম্রগলিত উত্তপ্ত পানির ন্যায় পানি দেয়া হবে; যা তাদের চেহারার চামড়া খসিয়ে ফেলবে। তাদের এ পান করাও মন্দ, তাদের বাসস্থানও নিকৃষ্ট।” তিলাওয়াত শেষে বাঁদী বললো, “হে আবু আব্দুল্লাহ! আপনি নিজের নফসকে নৈরাশ্যের মধ্যে রেখেছেন। অন্তঃকরণকে ভয় এবং আশার মধ্যস্থলে রেখে একটু আ বাকি অংশ পড়ুন...












