আল ইহসান ডেস্ক:
ডিম স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী। ডিমের মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড। এছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৫, বি১২, বি৬, ডি, ই, কে, ফোলেট, ফসফরাস, সেলিনিয়াম, ক্যালিয়াম ও জিংক। প্রতিটি ডিমের মধ্যে রয়েছে পাঁচ গ্রাম প্রোটিন। তাই ডিমকে খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তবে নিম্নমানের ডিম আপনার স্বাস্থ্যের জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই ডিম খাওয়ার আগে তা পঁচা নাকি ভালো তা যাচাই করে নেওয়া উচিত। স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবপোর্টাল হেলথলাইন এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিমের গুণগতমান পরীক্ষা করার খুব সহজ এক বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ডিম স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী। ডিমের মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড। এছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৫, বি১২, বি৬, ডি, ই, কে, ফোলেট, ফসফরাস, সেলিনিয়াম, ক্যালিয়াম ও জিংক। প্রতিটি ডিমের মধ্যে রয়েছে পাঁচ গ্রাম প্রোটিন। তাই ডিমকে খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তবে নিম্নমানের ডিম আপনার স্বাস্থ্যের জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই ডিম খাওয়ার আগে তা পঁচা নাকি ভালো তা যাচাই করে নেওয়া উচিত। স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবপোর্টাল হেলথলাইন এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিমের গুণগতমান পরীক্ষা করার খুব সহজ এক বাকি অংশ পড়ুন...
ঘরের অন্যতম স্থান হচ্ছে রান্নাঘর। আর রান্নাঘরের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গ্যাসের চুলা। তবে এই গ্যাসের চুলা নিয়েও মাঝে মধ্যে সমস্যায় পড়তে হয়। রান্নার পর গ্যাসের চুলা পরিষ্কার করাটা জরুরী। গ্যাসের চুলায় পোড়া খাবার ও তেল চিটচিটে হয়ে লেগে থাকে। গ্যাসের চুলা নিয়মিত পরিষ্কার না করলে আগুনের আঁচ কমে যায়। আগুনের আঁচ কমে গেলে রান্না করতে দেরী হয়। গ্যাসের চুলা পরিষ্কার করার কয়েকটি ঘরোয়া টোটকা:
১.সপ্তাহে ১দিন লেবুর রস ও বেকিং সোডা পানিতে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে চুলা পরিষ্কার করুন। চুলা একেবারে নতুনের মতো চকচকে হয়ে যাবে।
২.তেঁতুলের পানি বাকি অংশ পড়ুন...
১. রুটি ফুলো ফুলো করতে আটায় পরিমাণ মতো পানি দিয়ে সাধারণের তুলনায় একটু বেশি সময় ধরে খুব চাপ দিয়ে দিয়ে মাখতে হবে। যত ভাল করে আটা মাখা হবে, রুটি তত ফুলবে।
২. ভাত শক্ত হলে সেই আধসেদ্ধ ভাতের হাঁড়িতে পরিমাণ মতো আরও পানি অল্প গরম করে মিশিয়ে ৫ থেকে ৭ মিনিট ফোটান। শক্ত ভাব চলে গিয়ে খাওয়ার উপযোগী হয়ে যাবে। তবে ভাত গলে গেলে সত্যি বলতে আর কিছু করার নেই। বড়জোর গলা ভাত উনুনে আরও কিছু ক্ষণ গরম করলে ভাতের পানি পানি ভাব কিছুটা কমে যায়। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, তলার দিকটা যেন আবার পুড়ে না যায়!
৩. গোশতে ভাল স্বাদ আনতে রান্নার সময়ে যে পরিমাণ গরম মশলা দিয়েছি বাকি অংশ পড়ুন...
ভরসা রাখুন সহজ কিছু টোটকায়। তারপর দেখুন না কেমন সবাই চেটেপুটে খায় আপনার রান্না!
রাঁধতে রাঁধতে ঘেমে গোসল করে একাক্কার! এ দিকে স্বাদও যে কিছুতেই খুলছে না! অতঃপর? কুছ পরোয়া নেই। ভরসা রাখুন সহজ কিছু টোটকায়। তারপর দেখুন না কেমন সবাই চেটেপুটে খায় আপনার রান্না!
১. কিছু পেঁয়াজ অল্প করে ভেজে তাতে রসুন, কাঁচা মরিচ, অল্প জিরে গুঁড়ো ও সামান্য কাঁচা তেল দিয়ে বেটে একটা পেস্ট করে হাতের কাছে রেখে দিন সব সময়ে। রান্নার পরে যে খাবারে সঠিক স্বাদ হবে না, তাতে ওই পেস্ট মাপ মতো মিশিয়ে আর এক বার গরম করুন। দেখবেন স্বাদ পুরো পাল্টে গিয়েছে।
২. কাবাব বেশি পুড়ে বাকি অংশ পড়ুন...
ত্বক ভালো রাখতে অনেকেই অনেক রকম প্রসাধনী ব্যবহার করেন। অথচ ক্যামিকেল মিশ্রিত প্রসাধনী ব্যবহারের চেয়ে ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করে অধিক উপকার পাওয়া যায়। মনে রাখবেন, ঘরোয়া টোটকা হচ্ছে সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত। আপনার বাসার রান্না ঘরেই রয়েছে ত্বক মসৃণ ও উজ্জল রাখার উপাদান। ঘি তে বিভিন্ন ধরনের ফ্যাটি এসিড রয়েছে যা রূক্ষ ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। ত্বককে করে কোমল। প্রথমে ১চা চামচ হলুদের সঙ্গে ২চা চামচ ঘি মিশিয়ে নিন। তারপর সেটি মুখে ম্যাসাজ করুন। মোটামুটি ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর ভালো করে ধুয়ে নিন। হলুদের ঔষধিগুণ ম বাকি অংশ পড়ুন...
ছোট থেকে বড় অনেকেই ভোগেন দাঁতের যন্ত্রণায়। এ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে শুধু পেইনকিলার নয়, ব্যবহার করে দেখতে পারেন ঘরোয়া বিভিন্ন টোটকা। জানুন ঘরোয়া টোটকাগুলো-
লবণ পানি:
লবণ হলো প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ, এটি দাঁতের মধ্যে জমে থাকা নোংরা জীবাণুকে ধ্বংস করে, গরম পানিতে ১ থেকে ২ চামচ লবণ মিশিয়ে মুখ কুলকুচি করে নিতে পারেন। এতে মুহূর্তেই মিলবে স্বস্তি।
লবঙ্গ:
লবণের সঙ্গে গোলমরিচ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। দাঁতে লাগিয়ে রাখুন কয়েক মিনিট। কিছুদিন এভাবে করলেই পাবেন সুফল।
আলু:
আলু শুধু খাবার নয়, দাঁতব্যথার টোটকা হিসেবেও আলু কাজ করে। আলু কেটে যে বাকি অংশ পড়ুন...
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। ভাজা-পোড়া খাবার বেশি খাওয়া হলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে থাকে। আর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় বুক জ্বালা-পোড়া করলেই ওষুধ খান কমবেশি সবাই। তবে দীর্ঘদিন এভাবেই যদি আপনার জীবন চলতে থাকে, তাহলে লিভার বা কিডনি অকেজো হতে সময় লাগবে না বেশিদিন। কারণ এসব গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ নিয়মিত খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। ঘরোয়া টোটকা চিকিৎসাও অনেক উপকার দেয়।
১. পুদিনা পাতা অ্যাসিড নিঃসরণের গতি কমায় এবং হজম ক্ষমতা বাড়ায়। এই পাতায় থাকা উপাদানসমূহ অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সঙ্গে গলা, বুক জ্বালা কমায়। এজন্ বাকি অংশ পড়ুন...












