রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, চাঁদ দেখা নিয়ে সমস্ত মুসলিম-অমুসলিম দেশের শাসক শ্রেণীর ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকা জনগণের জন্য বিশেষ কর্তব্য। বিগত কয়েক যুগের তথ্য- বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ উনার ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক
‘লাইলাতুন’ শব্দের অর্থ হচ্ছে রাত বা রজনী। আর ‘ক্বদর’ শব্দের অর্থ হলো মহিমান্বিত বা মর্যাদামন্ডিত। এ বরকতময় রাতটি আমাদের এ উপমহাদেশে পবিত্র “শবে ক্বদর” হিসেবে মাশহুর।
এ বরকতময় রাত উনার ফযীলত মুবারক সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَيْلَةُ ٱلْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍۢ
অর্থ : “পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর হচ্ছে হাজার মাস থেকে উত্তম।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ক্বদর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ২)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেÑ
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْ বাকি অংশ পড়ুন...
চতূর্থ নম্বর আয়াত শরীফে বলা হচ্ছে, এখানে এরা আবার ঠিক একই ফিতনা সৃষ্টি করেছে।
إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, তারা এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অনেক অর্থ করে থাকে। পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অনেক রকম অর্থ করা যায়।
إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ
যদি আপনারা দু’জন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে তাওবা করেন।
فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا
আপনাদের অন্তরটা রুজু হয়ে গেছে। এখানে এটার অর্থ অনেক। এরা এদের অন্তরে গালিজ থাকার কারণে তারা বলে থাকে, আপনারা যে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ই’তিকাফ উনার গুরুত্ব এবং তা শেষ দশকেই করার দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রতি বছর পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকে সম্মানিত ই’তিকাফ মুবারক করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْاَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ.
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন, তিনি হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বানাত (মেয়ে) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ‘আছ ছালিছাহ তথা তৃতীয়া’। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার মধ্যে রোযা রাখার বিরোধিতা করে থাকে বাতিলপন্থীরা। তারা দলীল হিসেবে যে হাদীছ শরীফ পেশ করে তা হলো- “হযরত খারশাতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে দেখেছি যে, তিনি এক ব্যক্তিকে রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার মধ্যে রোযা রাখার কারণে তার হাতে বেত্রাঘাত করেছেন যতক্ষণ পর্যন্ত সে ব্যক্তি রোযা ভঙ্গ না করেছে।”
অথচ উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার সঠিক ব্যাখ্যা হলো- জাহিলিয়াতের যুগে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস ও রজবুল হারাম শরীফ মাস উনাদের মধ্যে কুরবানী করা হতো এবং র বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি আপনার উম্মতদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিনসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল এবং শোকরগোযার ব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُوْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ اَنَّهَا كَانَتْ قَدْ اِتَّخَذْتُ عَلٰى سَهْوَةٍ لَّهَا سِتْرًا فِيْهِ تَمَاثِيْلُ فَهَتَكَهُ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে অপর একটি বর্ণনা মুবারক-এ এসেছে যে, একবার তিনি পবিত্র হুজরা শরীফ উনার জানালা মুবারকে একটি পর্দা মুবারক ঝুলিয়েছিলেন, যাতে প্রাণীর ছবি ছিলো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পর্দাটিকে ছিঁড়ে ফেললেন। (মিশ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ লাইলাতুস সাব্ত শরীফ (শনিবার রাত্র) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরুর রবি‘আহ্ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মূল। উনার থেকেই সব বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
মহিলাদের জামায়াতে তারাবীহ নামায পড়ার ক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুম কি?
জাওয়াব:
আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আম ফতওয়া হলো মহিলাদের পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়া, তারাবীহ ও ঈদের নামাযসহ সকল নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ, ঈদগাহ ও যে কোন স্থানে যাওয়া মাকরূহ তাহরীমী। আর খাছ ফতওয়া হলো কুফরী।
এ প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “মহিলাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামায, জুমুয়া ও ঈদের নামাযের জামায়াতে উপস্থিত হওয়া মাকরূহ্ তাহরীমী, যদিও প্রাপ্তা বয়স্কা ও বৃদ্ধা হোক সময়ের পরিবর্তনের কারণে। তাই উলামায়ে মুতাআখ্খিরীনগণ ফতওয়া দেন যে, মহিলাদের জামায়াতে উপস্থি বাকি অংশ পড়ুন...












