SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%গুরুত্ব-ফযীলত%' OR titleBn LIKE '%গুরুত্ব-ফযীলত%' OR descriptionEn LIKE '%গুরুত্ব-ফযীলত%' OR descriptionBn LIKE '%গুরুত্ব-ফযীলত%' OR slug LIKE '%গুরুত্ব-ফযীলত%' OR metaTag LIKE '%গুরুত্ব-ফযীলত%' OR metaDescription LIKE '%গুরুত্ব-ফযীলত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
১) পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে গোসল করা খাছ সুন্নত মুবারক ও বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের উছীলা :
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে গোসল করা সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ اِغْتَسَلَ فِيْهِ عُفِىَ وَلَـمْ يَـمْرَضْ اِلَّا مَرَضَ الْـمَوْتِ وَاَمِنَ مِنَ الْكَسْلِ وَالتَّعْلِيْلِ.
অর্থ : “যে ব্যক্তি পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন গোসল করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে রোগ থেকে মুক্তি দান করবেন। মৃত্যু ব্যতীত তার কোন কঠিন রোগ হবেনা এবং সে অলসতা ও দুঃখ-কষ্ট হতে নিরাপদ থাকবে।” (আল বাইয়্যিনাত শরীফ)
উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ وَكَانَ رَسُوْلُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَه مَكْحُلَةٌ يَكْتَحِلُ بِهَا عِنْدَ النَّوْمِ ثَلَاثًا فِي كُلِّ عَيْنٍ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একটি সুরমাদানি ছিলো। তিনি ঘুমানোর সময় তা থেকে তিনবার করে প্রত্যেক মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল মুনাওওয়ার মুবারক (মহাসম্মানিত চোখ মুবারক)-এ সুরমা লাগাতেন। (আখলাকুন নবী ছল্লাল্লাহু আল বাকি অংশ পড়ুন...
৪) পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে গরিবদের পানাহার করানো ও ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো খাছ সুন্নত মুবারক ও বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের উছীলা:
গরিবদের পানাহার করানো ও ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
مَنْ مَّسَحَ فِيْهِ عَلٰى رَأْسِ يَتِيْمَ وَاَطْعَمَ جَائِعًا وَسَقٰى شَرْبَةً مِّنْ مَّاءٍ أَطْعَمَهُ اللهُ مِنْ مَّوَائِدِ الْـجَنَّةِ وَسَقَاهُ مِنْ الرَّحِيْقِ السَّلْسَبِيْلِ.
অর্থ : “পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন কোন মুসলমান যদি কোন ইয়াতীমের মাথায় হাত স্পর্শ করে, কোন ক্ষুধার্তকে খাদ্য খাওয়ায় এবং কোন পিপাসার্তকে পানি বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে একটি ওয়াকিয়া বর্ণিত রয়েছে। এক ব্যক্তি ছিল গরিব ও আলিম। একবার অসুস্থতার কারণে তিনি তিন দিন যাবৎ কোন কাজ করতে পারলেন না। চতুর্থ দিন ছিল পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন। তিনি পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে ভালো খাওয়ার ফযীলত মুবারক সম্পর্কে জানতেন। তখন ছিল কাজীদের (বিচারকদের) যুগ। এলাকার কাজী ছাহেব ধনী ব্যক্তি ছিল।
গরিব আলিম ব্যক্তি তিনি কাজী ছাহেবের কাছে পবিত্র আশূরা শরীফ উনার ফযীলত মুবারক উনার কথা বলে এবং নিজের অসুস্থতা ও পরিবারের অভুক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে ১০ সের আটা, ১০ সের গোশত ও ২ দিরহাম হাদিয়া অথবা কর্জ হিসেবে চাইল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে দু’দিন রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক ও বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের উছীলা:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صُوْمُوا التَّاسِعَ وَالْعَاشِرَ وَخَالِفُوْا فِيْهِ الْيَهُوْدَ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ৯ ও ১০ই মুহররম শরীফ রোযা রেখে ইহুদীদের খিলাফ অর্থাৎ বিপরীত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
أَوَّلُ يَوْمٍ خَلَقَ اللهُ فِيْهِ الدُّنْيَا وَأَوَّلُ رَحْمَةٍ نَزَلَتْ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ يَوْمَ عَاشُوْرَاءَ وَأَوَّلُ مَطَرٍ نَزَلَ فِيْهِ مِنَ السَّمَاءِ.
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রথম পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফে দুনিয়া সৃষ্টি করেছেন। পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উনার দিনেই আসমান থেকে সর্বপ্রথম রহমত মুবারক নাযিল করেন । আসমান থেকে সর্বপ্রথম বৃষ্টি বর্ষণ করেন এই পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উনার দিনে।”
এজন্য যে ব্যক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা তওবা শরীফ উনার ৩৬ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُوْرِ عِنْدَ اللهِ اِثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِىْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ۚ ذٰلِكَ الدِّيْنُ الْقَيِّمُ ۚ فَلَا تَظْلِمُوْا فِيْهِنَّ أَنْفُسَكُمْ ﴿٣٦﴾
অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত কিতাব উনার মধ্যে আসমান-যমীন সৃষ্টির শুরু থেকে গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে ৪টি হচ্ছে হারাম বা সম্মানিত মাস। এটাই সঠিক দ্বীন। তোমরা এই মাসগুলোতে নিজের প্রতি জুলুম করো না।
এই হারাম মাস সমূহ উনাদের যথাযথ সম্মান-ই বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা মহাসম্মানিত আমল মুবারক করেছেন, যে সব বস্তু বা সামগ্রী মুবারক ব্যাবহার মুবারক করেছেন, যে সমস্ত পোশাক মুবারক পরিধান মুবারক করেছেন এবং যে সকল মহাসম্মানিত খাদ্য মুবারক গ্রহণ করেছেন সেগুলোই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা, সুন্নতী খাদ্য মুবারকসমূহ গ্রহণ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয। আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নতী খাদ্য সমূহ উনাদের মধ্যে অন্যতম হলেন “মহাসম্মানিত ও মহাপব বাকি অংশ পড়ুন...












