পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকের বেজোড় সংখ্যক রাতে পবিত্র ক্বদর শরীফ তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক। মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-ফযীলতপূর্ণ দিবস মুবারক।
সকলকেই এই মহামান্বিত ‘লাইলাতুল ক্বদর’ উনার পরিপূর্ণ নি’য়ামত, রহমত-বরকত অর্জন করতে হবে। এই বরকতময় রাত্রিতে অবহেলা-অলসতা আর খোশগল্পে কাটানো কোনোক্রমেই নেককারদের কাজ হবে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও ইখলাছের সাথে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার বাকি অংশ পড়ুন...
গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৪৭১ হিজরী সনের ১লা রমাদ্বান শরীফ দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক আনেন এবং ৫৬১ হিজরীর ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফে পবিত্র বিছাল শরীফ প্রকাশ করেন।
তিনি হলেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ ওয়ারিছ, নায়িব, আওলাদ। তিনি ৬শ’ হিজরী শতাব্দীর ‘মুজাদ্দিদ’। অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে যে সমস্ত কুফর, শিরক, বিদয়াত প্রবেশ করেছিল সেগুলো বের করে দেয়ার জন্য অর্থাৎ মিথ্যাকে মিটিয়ে দিয়ে সত বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নতী সবজি কদু হজমে সাহায্য করে। কদুতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার আছে। দ্রবণীয় ফাইবার খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে এবং হজম সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। তাই নিয়মিত সুন্নতী সবজি কদু খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শ, পেটফাঁপা ও অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে খুবই উপকার পাওয়া যায়। অদ্রবণীয় ফাইবার পাইলসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
নিয়মিত সুন্নতী সবজি কদু খাওয়া হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কদুতে কলেস্টেরল পরিমাণ শূন্য; যা হার্টের রোগীদের সুস্থ রাখতে অত্যন্ত সহায়ক। এতে ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টি বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কদুকে পছন্দ করার কারণে আক্বাইদের কিভাবে এসেছে কেউ যদি বলে, “আমি কদু পছন্দ করিনা তাহলে সে কুফরী করলো। কারণ তার এ কথাটা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মত মুবারক উনার খিলাফ।” নাউযুবিল্লাহ! (কাজীখান, শেফা)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কদু খেতে পছন্দ মুবারক করতেন। আর তাই কদু খাওয়া মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। আর এই কারণে কদু অত্যস্ত সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর বাকি অংশ পড়ুন...
কদু একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদের ফল। সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি যেখানে মাছের পেট থেকে বের হয়েছেন সেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি একটি কদু গাছ উদগত করে দিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ. وَأَنبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِّنْ يَقْطِيْنٍ.
অর্থ: “অতঃপর আমি (সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম) উনাকে এক বৃক্ষলতা শূন্য উপকূলে (মাছের পেট থেকে) বের করলাম, তখন তিনি ছিলেন মারিদ্বী শান মুবারকে। আমি উনার (ছাউনী হিসেবে) এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ (কদু গাছ) উদ্গত করলাম।” (পবিত্র সূর বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ صامَ يَوْمَ السَّابِعِ والعِشْرِيْنَ مِنْ رَجَب كَتَبَ لَهُ ثواب صيام ستين شهرا.
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাসের ২৭ তারিখ দিনে রোযা রাখবে তার আমলনামায় ৬০ মাসের রোযা রাখার ছওয়াব লেখা হবে। সুবহানাল্লাহ! (আল ইতহাফ ৫ম খ- পৃষ্ঠা ২ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَن حَضْرَتْ أَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجَبٍ لَيْلَةٌ يُكْتَبُ لِلْعَامِلِ فِيهَا حَسَنَاتُ مِائَةِ سَنَةٍ، وَذَلِكَ لِثَلَاثٍ بَقَيْنَ مِنْ رَجَبٍ، فَمَنْ صَلَّى فِيهَا اثْنَتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً يَقْرَأُ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ فَاتِحَةَ الْكِتَابِ وَسُورَةٌ مِنَ الْقُرْآنِ يَتَشَهَّدُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ، وَيُسَلِّمُ فِي آخِرِهِنَّ، ثُمَّ يَقُولُ: سُبْحَانَ اللهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ مِائَةَ مَرَّةٍ، وَيَسْتَغْفِرُ اللهَ مِائَةَ مَرَّةٍ، وَيُصَلِّي عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِائَةَ مَرَّةٍ، وَيَدْ বাকি অংশ পড়ুন...
যেহেতু আব্দুল্লাহ সাওমাই রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী ছিলেন। উনি বললেন, বেশ! হে ব্যক্তি আপনি কিভাবে মূল্য পরিশোধ করবেন? আপনার কাছে কি টাকা-পয়সা আছে?
উনি বললেন, না আমার কাছে টাকা-পয়সা নেই। টাকা-পয়সা থাকলে তো আমি আপনার ফলই খেতাম না। কিনে খেতাম। তাহলে কি করে পরিশোধ করবেন? উনি বললেন, আমি আপনার বাগানে কাজ করতে চাই কিছুদিন। তখন আব্দুল্লাহ সাওমাই রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, বেশ, কাজ করেন। তিনি কাজ করতে লাগলেন।
বেশ অনেকদিন অতীত হয়ে গেল। একদিন হযরত আবু ছলেহ মুসা জঙ্গীদোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত আব্দুল্লাহ সাওম বাকি অংশ পড়ুন...












