আল ইহসান ডেস্ক:
মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে লেবাননজুড়ে লাশের মিছিল আর হাহাকার। ইসরায়েলি হামলায় ৬০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু আর সাড়ে ৭ লাখ মানুষের ঘরছাড়া হওয়ার এই দৃশ্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি গাজায় ব্যবহৃত সেই ভয়াবহ রণকৌশলেরই নতুন এক সংস্করণ। সন্ত্রাসী ইসরায়েলের এই কৌশলের ছকটি বেশ পরিচিত- প্রথমে উচ্ছেদের হুমকি বা জীবনধারণের সব পথ বন্ধ করে মানুষকে বাস্তুচ্যুত করো, এরপর বেসামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়ে তৈরি করো ‘বাফার জোন’, যাতে কেউ আর নিজ ভিটায় ফিরতে না পারে। সবশেষে, পুরো অঞ্চলকে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন খ-ে ভাগ করে দেওয়া, যাতে স বাকি অংশ পড়ুন...
গাজার রাস্তায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে থাকা দখলদারদের ট্যাংকগুলোকে সাধারণ কাজে ব্যবহার করছেন গাজাবাসী। বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজায় ৫৪ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ এবং ৬৬টি বাক্সে মানবদেহের অবশেষ হস্তান্তর করেছে সন্ত্রাসী ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির মাধ্যমে এসব মরদেহ ও অবশেষ গাজায় পাঠানো হয়। ঘটনাটি গত ৪ ফেব্রুয়ারি ঘটে এবং এটি চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় মৃতদেহ বিনিময় প্রক্রিয়ার অংশ।
মরদেহগুলো গাজা সিটির আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্স-এ পৌঁছানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি মোট ১২০টি বডি ব্যাগ হস্তান্তর করে। এর মধ্যে ৫৪টিতে সম্পূর্ণ মরদেহ এবং ৬৬ট বাকি অংশ পড়ুন...
গাজার রাস্তায় পড়ে থাকা দখলদারদের ধ্বংসপ্রাপ্ত সামরিক যান। বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজা উপত্যকায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা পূর্বের সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি-বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী দ্য ল্যনচেট গ্লোবাল হেলথে প্রকাশিত স্বাধীন গবেষণায় এমনটাই উঠে এসেছে।
গবেষণাগুলো বলছে, ২০২৫ সালের শুরু পর্যন্ত “সহিংস মৃত্যু” ৭৫ হাজার ছাড়িয়েছে, যা গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
দ্য ল্যনচেট গ্লোবাল হেলথ প্রকাশিত ‘গাজা মর্টালিটি সার্ভে (জিএমএস)’ শীর্ষক এক জনসংখ্যাভিত্তিক গৃহস্থালি জরিপে দেখা গেছে, ২০২৩ স বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
"হামাসকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করার" অজুহাতে গাজায় সন্ত্রাসী ইসরাইলের নৃশংস আক্রমণের পর দুই বছর কেটে গেছে। এই সময়ের মধ্যে, দখলদার ইসরাইল কেবল হামাসকে ধ্বংস করতেই ব্যর্থ হয়নি বরং বিশ্বের মানুষের কাছে তাদের প্রতি ঘৃণা আরও বৃদ্ধি করেছে।
"হামাসের হাজার হাজার সদস্য গাজার ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসেছে"; দুই বছরের সংগ্রামের পর হামাস বাহিনীর অবস্থা সম্পর্কে আমেরিকার দ্বি-মাসিক ম্যাগাজিন ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের মতামত এটি।
ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ম্যাগাজিন জোর দিয়ে বলেছে, হামাস এখনও বেঁচে আছে এবং কেবল সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যম বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজার এক তরুণ সন্ত্রাসী ইসরাইলের একটি ট্যাংকের ছবি প্রকাশ করে সেটি বিক্রি করা হবে বলে ঘোষণা করেছে। ঐ তরুণ যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর সেখানে ফেলে যাওয়া এক ট্যাংকের ছবি প্রকাশ করেছেন।
ফিলিস্তিনি ঐ তরুণ ট্যাংকটি বিক্রির কথা জানিয়ে দখলদারদের কটাক্ষ করে লিখেছেন, এই ট্যাংকটি আমরা গনিমত হিসেবে পেয়েছি এবং এখন এটি বিক্রি করব। এটি কারিগরী দিক থেকে ভালো, এটি জলপাই রঙের এবং এর ছাদও আছে।
এরপর তিনি ইসরায়েলীয়দের পরাজয় ও গাজা থেকে তাদের পলায়নের বিষয়ে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, “এই ভিডিওটি নেতানিয়াহুর কাছে পাঠিয়ে দাও।”
একজন আরব এই বি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের নাজুক যুদ্ধবিরতির মধ্যে শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান শরীফ, কিন্তু গাজার ফিলিস্তিনিরা এখন কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। দীর্ঘ যুদ্ধ, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং অর্থনৈতিক সংকটের কারণে রমজান শরীফ মাসের পবিত্র আমলসমূহের স্বাভাবিক আনন্দ প্রতিটা ফিলিস্তিনির কাছেই হারিয়ে গেছে।
রমজান শরীফে ইবাদত, আত্মসমালোচনা, দান-সদকা, একসঙ্গে ইফতার করা, একসাথে তারাবীহ আদায় ইত্যাদি পৃথিবীর সমস্ত মুসলিম-অমুসলিম দেশগুলোতে ব্যাপকভাবে উদযাপিত হলেও গাজার পরিস্থিতি ভিন্ন; বহু মানুষ প্রিয়জন হারিয়েছেন এবং প্রতিদিনের জীবনযাপনই হয়ে উঠ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সন্ত্রাসী ইসরায়েল গাজার মানবিক ত্রাণ ব্যবস্থায় পরিবর্তনের পরিকল্পনা কার্যকর করছে। দ্য নিউ হিউম্যানিটারিয়ান-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে গাজায় কাজ করা প্রতিষ্ঠিত মানবিক সংস্থাগুলোর পরিবর্তে সন্ত্রাসী ইসরায়েল রাজনৈতিকভাবে ‘অনুগত’ ও কম পরিচিত নতুন সংস্থাগুলিকে অনুমোদন দিচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সন্ত্রাসী ইসরায়েলের নতুন নিবন্ধন আইনের শর্তগুলো মানতে অস্বীকৃতি জানানোয় গাজায় কার্যরত ৩৭টি ত্রাণ সংস্থা-যার মধ্যে জাতিসংঘের বাইরে প্রায় সব সুপরিচিত আন্তর্জাতিক এনজিও রয়েছে -নিষেধাজ্ঞ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
টানা তিন বছর ধরে সাংবাদিক হত্যায় শীর্ষে আছে বিশ্ব সন্ত্রাসী দখলদার ইসরাইল। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ) এর বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৫ সালে গাজায় অন্তত ২৯ জন সাংবাদিক ইসরাইলের হামলায় নিহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ৬৭ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। ২০২৪ সালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা ছিল ৬৬।
নিহতদের ৪৩ শতাংশই ইসরাইলি সন্ত্রাসী সেনার হামলায় নিহত হয়েছে। যার ফলে, ইসরাইলকে ‘সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় শত্রু’ আখ্যা দেয় আরএসএফ।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার সব বাকি অংশ পড়ুন...












