SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কিবলা%' OR titleBn LIKE '%কিবলা%' OR descriptionEn LIKE '%কিবলা%' OR descriptionBn LIKE '%কিবলা%' OR slug LIKE '%কিবলা%' OR metaTag LIKE '%কিবলা%' OR metaDescription LIKE '%কিবলা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৩১। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবার খেলাফ কোন কাজ-কর্ম, কথা-বার্তা, আচার-আচরণ কিংবা অন্য কোন বিরুপ মন্তব্য করবে না।
যায়িদ ইবনে লুছাইতের অন্তরে নিফাকী তথা কপটতা থাকার কারণে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম ছোহবত মুবারকে থাকার পরেও উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উপলব্ধি করতে পারেনি। বিধায় বিরূপ মন্তব্য পেশ করতে দ্বিধা করেনি। নাঊযুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَقَدْ ذَرَأْنَا لِ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইসমে জাত বা নাম মুবারক উনাকে সম্মান করার গুরুত্ব ও ফযীলত:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
وَمَنْ كَانَ لَه اِبْنٌ فَسَمَّاهُ مُحَمَّدًا فَـلْيُكْرِمْهُ وَلَا يَضْرِبْهُ اَمَّا يَسْتَحْى اَحَدُكُمْ اَنْ يَّـقُوْلَ يَا مُحَمَّدُ ثُـمَّ يَضْرِبُه (نَجَا)
অর্থ: কোনো ব্যক্তির একজন ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করলো। সে তার নাম রাখলো মুহম্মদ। তাহলে তার দায়িত্ব হচ্ছে, ঐ সন্তানকে সম্মান করা, প্রহার না করা। জেনে রাখুন! কোনো ব্যক্তি যদি ঐ সন্তানকে ইয়া মুহম্মদ বলে সম্বোধন করতে এবং তাকে প্রহার করতে লজ্জা বোধ করে তাহলে সে অবশ্যই নাজাত লাভ করবে। সুবহানা বাকি অংশ পড়ুন...
৩১। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবার খেলাফ কোন কাজ-কর্ম, কথা-বার্তা, আচার-আচরণ কিংবা অন্য কোন বিরুপ মন্তব্য করবে না।
কেননা তা ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিলের ক্ষেত্রে বিরাট অন্তরায়। কোন কোন ক্ষেত্রে ঈমান ও আমল বিনষ্টের কারণও বটে। যেমনিভাবে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বেলায় ঈমান ধ্বংসের কারণ তথা কুফরী এবং মুনাফিকীর অন্তর্ভুক্ত।
সীরতে ইবনে হিশামসহ অন্যান্য সীরাত গ্রন্থসমূহে উল্লেখ আছে যে, ৯ম হিজরীতে তাবুকের জিহাদ সংঘটিত হয়। এ জিহাদে যাওয়ার পথে এক স্থানে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন ন বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কাজী আবু ইয়ালা মুহম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনুল ফাররাহ (ওফাত ৪৫৮ হিজরী) রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন-
قَالَ أَبُوْ بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ الْنَجَّادُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ لَوْ أَنَّ حَالِفًا حَلَفَ بِالطَّلَاقِ ثَلَاثًا أَنَّ اللهَ تَعَالٰى يُقْعِدُ مُـحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَهٗ عَلَى الْعَرْشِ وَاسْتَفْتَانِيْ فِيْ يَـمِيْنِهٖ لَقُلْتُ لَه: صَدَقَتْ فِيْ قَوْلِكَ وَبَرَرَتْ فِيْ يَـمِيْنِكَ، وَامْرَأَتُكَ عَلٰى حَالِهَا، فَهٰذَا مَذْهَبُنَا وَدِيْنُنَا وَاِعْتِقَادُنَا، وَعَلَيْهِ نَشَأْنَا، وَنَحْنُ عَلَيْهِ إِلٰى أَنْ نَّمُوْتَ إنْ شَاءَ اللهُ فَلَزِمْنَا الْإِنْكَارُ عَلٰى مَنْ رَدَّ هٰذِهِ الْفَضِيْلَةَ الَّتِيْ قَالَتْهَا الْعُلَمَاءُ وَتَلَقَّوْهَا بِالقْ বাকি অংশ পড়ুন...
কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার ব্যবহৃত কোন বস্ত্র কিংবা অন্য কোন দ্রব্য পেলে তা তাবারুক বা বরকতময় মনে করে তার যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করবে এবং ওজুসহকারে ব্যবহার করে তার হক আদায় করবে।
একবার মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হযরত ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খুশি হয়ে এক ব্যক্তিকে একটি জিনিস দান করেছিলেন। বস্তুটি তেমন মূল্যবান ছিলো না। তবুও অন্য এক ব্যক্তি উনার নিকট হতে তা অধিক মূল্যে ক্রয় করতে চাইলো। সেই ব্যক্তি বললো, “ভাই! আপনার ঐ জিনিসটি আমাকে দিন। আমি আপনাকে তার দ্বিগুণ মূল্য দিবো।” প্রথম ব্যক্তি বললো, “দ্বিগ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِيْ لَهْوَ الْحَدِيْثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَّيَتَّخِذَهَا هُزُوًا ۚ أُولٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِيْنٌ.
অর্থ: “লোকদের মধ্যে কিছু এরূপ আছে যে, “লাহওয়াল হাদীছ” বা সঙ্গীত বা গান-বাজনা করে, এ কারণে যে, (লোকদেরকে) বিনা ইলিমে মহান আল্লাহ পাক উনার পথ হতে সরিয়ে দেয় এবং তা হাসি-ঠাট্টারূপে ব্যবহার করে। তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।” (পবিত্র সূরা লুক্বমান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬)
অনুসরণীয় হযরত মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় “গান-বা বাকি অংশ পড়ুন...
তিন মাস পরেও পবিত্র জিসিম মুবারক অক্ষত:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের তিন মাস পরে উনার পবিত্র মাযার শরীফের অভ্যন্তরে পানি উঠে যায়। উনার মুরীদগণের মধ্যে কেউ কেউ স্বপ্নে দেখেন, তিনি উনার জিসিম মুবারককে আরো উঁচু করে কবরস্থ করার জন্য নির্দেশ মুবারক দিচ্ছেন। অনেক বাদ-প্রতিবাদের পরে উনার পবিত্র মাযার শরীফ উন্মুক্ত করা হয়। দেখা গেলো উনার কাফন মুবারক সহ জিসিম মুবারক অবিকৃত আছেন। সুবহানাল্লাহ!
উনার মাথা মুবারকের দিক থেকে এক অপূর্ব আতরের সুঘ্রাণ আসতে থাকে। সুব বাকি অংশ পড়ুন...
মুর্শিদ কিবলা উনার ছোহবত মুবারককে মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত মনে করে উনার ছোহবত মুবারককেই নিজের জন্য লাজিম করে নিবে
এ প্রসঙ্গে সাইয়্যিদুল মুজাহিদীন, হযরত আবূ আলী দাক্কাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “যে গাছগুলো নিজ থেকে জন্মে, যাকে আগাছা বলা হয়; যাতে কোনরূপ যত্মাদি করা হয় না, তাতে পত্র পল্লব হয় বটে কিন্তু সে গাছে ফল ধরে না। যদিও বা ধরে, সে ফল তেমন সুস্বাদু হয় না বরং তা হয় বিস্বাদ। ঠিক একইভাবে মুর্শিদ কিবলা বা কামিল শায়েখের পক্ষ থেকে যে সকল মুরীদগণ ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ লাভ করে না তেমন মুরীদগণ কস্মিনকালেও সফলতা লাভে সক্ষম হয় না।”
হ বাকি অংশ পড়ুন...
মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট থেকে প্রস্থান কালে উনাকে কখনও পিঠ প্রদর্শন করবে না। বরং ফিরে আসার সময় উনার দিকে মুখ রেখে পিছনের দিকে হেঁটে আসবে। অতঃপর দৃষ্টির আড়াল হলে স্বাভাবিকভাবে চলতে পারবে।
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, কুতুবুল আলম, খাযিনাতুর রহমাহ, হযরত আবু উছমান হারীরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “শাইখুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, মাহবুবে ইলাহী, হযরত আবু হাফ্স্ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার রাগ করে আমাকে উনার দরবার শরীফ হতে বের করে দিলেন এবং বললেন, “তুমি দ্বিতীয়বার আমার সামনে আসবে না।” আমি কিছুই বললাম না। তবে মনে মনে খুবই কষ্ট পেলাম। তারপরও ইচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...












