SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কিতাবের%' OR titleBn LIKE '%কিতাবের%' OR descriptionEn LIKE '%কিতাবের%' OR descriptionBn LIKE '%কিতাবের%' OR slug LIKE '%কিতাবের%' OR metaTag LIKE '%কিতাবের%' OR metaDescription LIKE '%কিতাবের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র সূরা তাওবাহ শরীফ উনার ৩৬ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় বিশ্বখ্যাত তাফসীর গ্রন্থসমূহে বিশেষ করে ‘আহকামুল কুরআন লিল জাছছাছ হানাফী মাতুরীদী’ নামক তাফসীরে লিখিত আছে, “পবিত্র হারাম মাসগুলোর এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যে, এতে ইবাদত-বন্দিগী করা হলে বাকি মাসগুলোতেও ইবাদত-বন্দিগী করার তাওফিক ও সাহস লাভ হয়। অনুরূপ কেউ এ মাসগুলোতে পাপ কার্য থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারলে বছরের বাকি মাসগুলোতেও পাপাচার থেকে দূরে থাকা সহজসাধ্য হয়। সুতরাং এ সুযোগের সদ্ব্যবহার থেকে বিরত থাকা অপূরণীয় ক্ষতির কারণ।”
পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
বাংলাদেশ জনসংখ্যা অনুযায়ী মুসলমানদের বৃহত্তম দেশ। এই দেশের উপর দ্বীনী বিষয়ে এবং সার্বিকভাবে সাম্রাজ্যবাদী ইহুদী-নাছারাদের শকুনের দৃষ্টি রয়েছে। এখন ইহুদীসংঘের তথাকথিত মানবাধিকার কমিশনের কার্যা বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিবরা যেভাবে বা যে নিয়মে করতে হয় :
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করার সময় মানুষের সামনে উঠা বসা করা, হাঁটাচলা করা, উপুড় হওয়া, বিভিন্ন কসরত করা বিকৃতি, কদর্যতা, দৃষ্টিকটু অঙ্গভঙ্গি করার শামীল, যা নিষিদ্ধ।
যেমন “মাওয়াহেবে জালীল ফী শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ৪০৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
قَالَ فِي الْمَدْخَلِ: إذَا قَامَ يَسْتَبْرِئُ فَلَا يَخْرُجُ بَيْنَ النَّاسِ وَذَكَرُهُ فِي يَدِهِ وَإِنْ كَانَتْ تَحْتَ ثَوْبِهِ فَإِنَّ ذَلِكَ شَوْهَةٌ وَمُثْلَةٌ وَكَثِيرًا مَا يَفْعَلُ بَعْضُ النَّاسِ هَذَا وَقَدْ نَهَى عَنْهُ،
অর্থ : মাদখাল কিতাবে” উল্লেখ আছে, ছোট ইসতিন্জার (প্রস্রাবের) পর ইসতিবরা করার বাকি অংশ পড়ুন...
সমস্ত ইলিম মুবারক উনাকে হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
إِنَّمَا أَنَا قَاسِمٌ وَاللهُ يُعْطِي
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন আর তিনি যাকে ইচ্ছা তাকেই বন্টন মুবারক করেন, আর সে ততটুকু পায়। এর চাইতে এক র্জারাহ পরিমাণ বেশী ইলিম নাই, এরা মিথ্যাবাদী। উনারা যাকে যতটুকু দেন সে ততটুকু লাভ করবে, এর বাইরে ইলিম-কালাম নেই। এই জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক বলা হয়েছে। আমি অনেক বার বলেছি-
هُوَ الَّذِيَ أَنزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ
যিনি খ বাকি অংশ পড়ুন...
খারেজি ফিরকার দাবি হচ্ছে পূর্ববর্তী যে কিতাবসমূহে পবিত্র হাদীছে জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বা সর্বপ্রথম পবিত্র নূর মুবারক সৃষ্টি বিষয়ক রেওয়ায়েত রয়েছে তা ভুল করে চলে এসেছে এবং মুছান্নাফে আব্দুর রাজ্জাকে এ ধরনের কোন বর্ণনা ছিলো না। নাঊযুবিল্লাহ! আজকে এ কথারই জবাব দিবো ভুল করে আসেনি বরং অত্যন্ত তাহক্বীক ও নির্ভরতার সাথে উনারা দলীল এনেছেন।
বিখ্যাত মুহাদ্দিছ, ফক্বীহ হযরত ইবনে হাজার হায়তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৯৭৪ হিজরী) উনাকে আর নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। উনার ভুবন বিখ্যাত একখানা কিতাবের নাম হচ্ছে “ফতওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব:
উল্লেখ্য যে, ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব। আর খাছভাবে এই ইসতিবরা করা কারো জন্য ফরয, কারো জন্য ওয়াজিব এবং কারো জন্য সুন্নত মুয়াক্কাদাহ্্। যা অবশ্যই করতে হবে।
“শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ১৪৭ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
إنَّمَا وَجَبَ الِاسْتِبْرَاءُ اتِّفَاقًا؛
অর্থ : সকল উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ঐক্যমতে ইসতিবরা করা ওয়াজিব।
“শরহে মুসলিম শরীফ” কিতাবে উল্লেখ আছে,
نجاسة البول ووجوب الاستبراء منه
অর্থ: ইমাম নববী রহমাতুল্লাহ্্ আলাইহি তিনি বলেন, ইসতিন্জা নাপাক (প্রস্রাব নাপাক) এবং ইসতিন বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَدَّ كَثِيْـرٌ مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَـرُدُّوْنَكُم مِّن بَـعْدِ إِيْمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِّنْ عِنْدِ أَنْـفُسهِم مِّنْ بَـعْدِ مَا تَـبَـيَّنَ لَهُمُ الْحَقُّ
“আহলে কিতাবের (ইহুদী-খ্রিস্টানদের) অনেকেই অর্থাৎ সমস্ত কাফেরেরাই চায় যে, তোমরা ঈমান আনার পর আবার তোমাদেরকে কাফির বানিয়ে দিতে, নিজেদের অন্তরের হিংসার কারণে, তাদের কাছে সত্য স্পষ্ট হওয়ার পরেও।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ১০৯)
বাকি অংশ পড়ুন...












