SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইষ্ট-ইন্ডিয়া%' OR titleBn LIKE '%ইষ্ট-ইন্ডিয়া%' OR descriptionEn LIKE '%ইষ্ট-ইন্ডিয়া%' OR descriptionBn LIKE '%ইষ্ট-ইন্ডিয়া%' OR slug LIKE '%ইষ্ট-ইন্ডিয়া%' OR metaTag LIKE '%ইষ্ট-ইন্ডিয়া%' OR metaDescription LIKE '%ইষ্ট-ইন্ডিয়া%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ইউনাইটেড ফ্রুট কোম্পানি ছিল একটি যুক্তরাষ্ট্রের (আমেরিকা) বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। এটি ১৮৯৯ সালে বস্টন শহরে তৈরি হয়।
১৯০০ সাল। ইউনাইটেড ফ্রুট ফার্ম কোম্পানী গুয়াতেমালায় যায়। তারা গুয়াতেমালা সরকারের কাছে বলল যে, তোমাদের প্রচুর জমি আছে। জমিগুলো চাষবাস হচ্ছে না, পড়ে আছে কিন্তু অনেক উর্বর। আমরা এখানে কলা তৈরি ঢ়ৎড়ফঁপব করতে চাই। আমরা প্রচুর কলা এখানে চাষ করব। চাষ করে এটা আবার আমেরিকাতে আমরা নিয়ে যাব ব্যবসা করবার জন্য। তখন গুয়াতেমালা সরকার মনে করেছে, হ্যাঁ, কোন অসুবিধা নাই। আমাদের দেশে বিশাল জমি খালি পড়ে আছে। তো তারা সেই ইউনাইটেড ফ্র বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগকে সংক্ষেপে এফডিআই (ঋউও বা ঋড়ৎবরমহ উরৎবপঃ ওহাবংঃসবহঃ) বলা হয়। বাংলায় এটিকে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ বলা হয়।
বাংলাদেশে বিদেশ বিনিয়োগকারীদের ৭ ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়ে থাকে। এর মধ্যে মুনাফার টাকা নিজ দেশে নিয়ে যাওয়া, সস্তা শ্রম, শ্রমিকের মজুরি ছাড়াও অন্যান্য সুবিধায় ছাড় দেয়া, কর অবকাশসহ সরকারি সুযোগ-সুবিধা। তাই গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং অবকাঠামো সমস্যার কথা জেনেও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আসছে। প্রতি বছর মুনাফার অঙ্ক বাড়ার পরও বাণিজ্য ও সেবা খাতের বিদেশি বà বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বে ভুট্টা চাষের সর্বোচ্চ ফলন পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ হতে পারে প্রথম।
পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতা করলে দেশে ৭৫ লাখ হেক্টরের চেয়ে বেশি জমিতে ভুট্টা আবাদ সম্ভব।
সম্ভব দেশীয় চাহিদার ১৬ লাখ ভোজ্যতেলের পুরোটাই ভুট্টা থেকে উৎপাদন।
৬০ হাজার কোটি টাকার ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণের পর বিদেশে রপ্তানী করে আরো সমৃদ্ধি আনার জন্য ভুট্টা চাষে সর্বাত্মক পৃষ্ঠপোষকতা করতে সরকারের সক্রিয়তা ছিল একান্তভাবে কাম্য।
কিন্তু মার্কিনী এজেন্টরা এদেশের পাকা ভুট্টার ক্ষেতে মই দিতে চায়।
তারা ভুট্টা চাষ বাধাগ্রস্থ করতে চায়।
নীলকরà বাকি অংশ পড়ুন...
অন্তর্বর্তী সরকার প্রস্তাবিত টেলিকম নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে লাখ লাখ পরিবারের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।
দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এ খাতের হাজার হাজার প্রকৌশলী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকের চাকরি হারাবে। বিদ্যমান আইএলডিটিএস নীতিমালার আওতায় গড়ে ওঠা দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যত টিকে থাকতে পারবে না।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রণ মূলত বিদেশী বড় কোম্পানিগুলোর হাতে চলে যাবে।
যার ফলে ধীরে ধীরে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করে বিদেশী কোম্পানিগুলোর নির্ভরতা কমানোর আর কোনো সুযোগ থাকব বাকি অংশ পড়ুন...












