SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইপিবির%' OR titleBn LIKE '%ইপিবির%' OR descriptionEn LIKE '%ইপিবির%' OR descriptionBn LIKE '%ইপিবির%' OR slug LIKE '%ইপিবির%' OR metaTag LIKE '%ইপিবির%' OR metaDescription LIKE '%ইপিবির%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলতি অর্থবছর নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দিয়ে শুরু হলেও দেশের রপ্তানি আয় পরে ইতিবাচক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে। আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় গত সেপ্টেম্বরে দেশে রপ্তানি আয় ৮.৫৪ শতাংশ বেড়ে ৩৯৩ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরে একই সময়ে যা ছিল ৩৬২ কোটি ডলার। তবে, চলতি বছরের আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে আয় কমেছে ১১.১১ শতাংশ। আগস্টে পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল প্রায় ৪৪৩ কোটি ডলার। গতকাল প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় এমন চিত্র উঠে এসেছে।
ইপিবির তথ্য বলছে, বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বহুমুখীকরণ, পারস্পরিকভাবে বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ এবং দুই দেশের বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণেà বাকি অংশ পড়ুন...
চলতি বছরের জুন মাসে দেশের পণ্য রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৬ শতাংশ বেড়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্য এবং কৃষিপণ্যের রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির কারণে এ সাফল্য এসেছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে আয় করেছে ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৫ সালের একই মাসে এ আয় ছিল ৩৩৪ কোটি মার্কিন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৫ দশম বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিশ^বাজারের অর্থনৈতিক মন্দা, মূল্যস্ফীতি ও ভূ-রাজনৈতিক সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে। দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান এই উৎসে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত গত ১১ মাসে তৈরি পোশাক খাত থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৫৩১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৩ হাজার ৬৫৬ কোটি ডলারের তুলনায় ৩.৪১ শতাংশ কম। এ খাতের প্রধান বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে কমেছে ৪.৮৮ শতাংশ। ইউরোপের বেশির ভাগ দেশেই বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে। অপ্রচলিত বাজারেও পোশাক রপ্তানি কমছে।
র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিশ^বাজারের অর্থনৈতিক মন্দা, মূল্যস্ফীতি ও ভূ-রাজনৈতিক সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে। দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান এই উৎসে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত গত ১১ মাসে তৈরি পোশাক খাত থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৫৩১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৩ হাজার ৬৫৬ কোটি ডলারের তুলনায় ৩.৪১ শতাংশ কম। এ খাতের প্রধান বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে কমেছে ৪.৮৮ শতাংশ। ইউরোপের বেশির ভাগ দেশেই বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে। অপ্রচলিত বাজারেও পোশাক রপ্তানি কমছে।
র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রফতানি আয় এসেছে ৩ হাজার ৯৩৯ কোটি ৬৪ লাখ ডলার, যা বিগত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২.০২ শতাংশ কম।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মাসে কমেছে দেশের রফতানি আয়। ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২.০২ শতাংশ। আর বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ২০ কোটি ৮১ লাখ ডলার।
অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে তৈরি পোশাক রফতানি আয় ২.৮২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩ ঠবাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি কমেছে। ফলে রপ্তানি আয় কমেছে ১২ শতাংশ। এর ফলে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের আট মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৩.১৫ শতাংশ।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
ইপিবি বলেছে, সামগ্রিক রপ্তানিতে পতনের পেছনে বন্দর কার্যক্রমে বিঘœ, জাতীয় নির্বাচন এবং বৈশি^ক প্রধান বাজারগুলোয় চাহিদা কমাই দায়ী।
ইপিবির তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি মোট আট মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৩১.৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যঠবাকি অংশ পড়ুন...
বিগত সরকারের আমলে জিডিপিকে যেভাবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হয়েছে সেভাবে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও শিল্প উৎপাদন বাড়েনি। সমসাময়িক প্রতিযোগী অর্থনীতিগুলোর তুলনায় বিনিয়োগ, রফতানি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিদেশী বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশসহ বিভিন্ন সূচকেই পিছিয়ে বাংলাদেশ। সরকারের পরিসংখ্যান যদি সঠিক হতো তাহলে এসব সূচকে বাংলাদেশ এতটা পিছিয়ে থাকার কথা নয়। তবে বিগত সরকার জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেখালেও মূল্যস্ফীতি কমিয়ে দেখিয়েছে। ফলে সঠিক তথ্যের অভাবে চাহিদা ও বাজার নিয়ন্ত্রণসহ অর্থনীতির ব্যবস্থাপনাগত সব ক্ষেত্রেই à বাকি অংশ পড়ুন...
বিগত সরকারের আমলে জিডিপিকে যেভাবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হয়েছে সেভাবে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও শিল্প উৎপাদন বাড়েনি। সমসাময়িক প্রতিযোগী অর্থনীতিগুলোর তুলনায় বিনিয়োগ, রফতানি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিদেশী বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশসহ বিভিন্ন সূচকেই পিছিয়ে বাংলাদেশ। সরকারের পরিসংখ্যান যদি সঠিক হতো তাহলে এসব সূচকে বাংলাদেশ এতটা পিছিয়ে থাকার কথা নয়। তবে বিগত সরকার জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেখালেও মূল্যস্ফীতি কমিয়ে দেখিয়েছে। ফলে সঠিক তথ্যের অভাবে চাহিদা ও বাজার নিয়ন্ত্রণসহ অর্থনীতির ব্যবস্থাপনাগত সব ক্ষেত্রেà বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বরে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাব অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬২৭.৫৮ মিলিয়ন ডলার।
আগের বছর একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৮০২.৮৭ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর রপ্তানি কমেছে ৪.৬১ শতাংশ।
একক মাস হিসেবে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কমলেও চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের হিসেবে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫.৬৪ শতাংশ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই, আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর এই তিন মাস মিলে পণ্য রপ্তানি হয় বাকি অংশ পড়ুন...
বিগত সরকারের আমলে জিডিপিকে যেভাবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হয়েছে সেভাবে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও শিল্প উৎপাদন বাড়েনি। সমসাময়িক প্রতিযোগী অর্থনীতিগুলোর তুলনায় বিনিয়োগ, রফতানি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিদেশী বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশসহ বিভিন্ন সূচকেই পিছিয়ে বাংলাদেশ। সরকারের পরিসংখ্যান যদি সঠিক হতো তাহলে এসব সূচকে বাংলাদেশ এতটা পিছিয়ে থাকার কথা নয়। তবে বিগত সরকার জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেখালেও মূল্যস্ফীতি কমিয়ে দেখিয়েছে। ফলে সঠিক তথ্যের অভাবে চাহিদা ও বাজার নিয়ন্ত্রণসহ অর্থনীতির ব্যবস্থাপনাগত সব ক্ষেত্রেà বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী আমলের ভুয়া পরিসংখ্যান ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর ভর করেই স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পথে রয়েছে বাংলাদেশ। রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে শেখ হাসিনা দেশের অর্থনীতি ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখিয়েছিলেন, যা তার আমলেই প্রকাশ্যে আসে।
এখন সেই জাল পরিসংখ্যানের ওপর ভর করেই এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে হাঁটছে সরকার। প্রক্রিয়াটি পেছানো না হলে তা দেশের অর্থনীতির জন্য বিপজ্জনক হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন এখনো পেছানোর সুযোগ রয়েছে।
বিবিএসের আওয়ামী আমলের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশ বাকি অংশ পড়ুন...












