নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা ও তোলানেওয়ালা জাহান্নামী।’ নাউযুবিল্লাহ!
সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার কর্তৃক মুসলমানদের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করার সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র হলো- পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত উনাদের জন্য ছবি তুলতে বাধ্য করা এবং পবিত্র হারামাইন শরীফাইন উনাদের মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা। সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকে বারবার সতর্ক করার পরও তারা ছবি ও সিসি ক্যামেরা বন্ধ করছে না। নাউযুবিল্লাহ!
তাদেরকে আবারো সতর্ক করা হচ্ছে, তারা যেন অতিসত্বর পবিত্র হজ্জ উনার ক্ষেত্রে ছবি নিষিদ্ধ করে এবং সিসি ক্যামেরাগুলো সরিয়ে নেয়। নচেৎ তাদেরকে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে।
, ১৭ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৭ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ১৬ মে, ২০২৫ খ্রি:, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, প্রাণীর ছবি হারাম হওয়ার ব্যাপারে সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের মধ্যে কোনো প্রকার ইখতিলাফ (মতভেদ) নেই। কেননা, প্রাণীর ছবি হারাম হওয়ার ব্যাপারে একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ ছহীহ পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের শরাহ, সমস্ত মশহুর পবিত্র ফিক্বাহ ও পবিত্র ফতওয়া উনাদের কিতাবে সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, ‘ছহীহ মুসলিম শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা ও তোলানেওয়ালা জাহান্নামী।” নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ব্রিটিশ গুপ্তচর হেমপারের স্বীকারোক্তিমূলক গ্রন্থ ঈড়হভবংংরড়হ ড়ভ ইৎরঃরংয ঝঢ়ু ধহফ ইৎরঃরংয বহসরঃু ধমধরহংঃ ওংষধস-এ উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটেন তাদের উপনিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধনের লক্ষ্যে ওহাবী মতবাদ প্রতিষ্ঠার সূচনা লগ্নে যে কর্মসূচি তৈরি করে, তার ২য় বিষয়টি ছিল: “এই কর্মসূচির মাধ্যমে কোনো আতঙ্ক সৃষ্টি করা যাবে না। কারণ আমাদের কর্তব্য হচ্ছে পবিত্র দ্বীন ইসলাম ধ্বংস করে দেয়ার বীজ বপন করা। পরবর্তী প্রজন্ম এসে বাকি কাজ শেষ করবে। ব্রিটিশ সরকার ধাপে ধাপে এগুতে চায়।” নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত তাদের ধাপে ধাপে এগুতে থাকা ঐ কুটকৌশলের ধারাবাহিক প্রতিফলন হচ্ছে নিরাপত্তার অজুহাতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন। নাউযুবিল্লাহ! তারা পবিত্র হেরেম শরীফ, পবিত্র মক্কা শরীফ, পবিত্র মিনা, পবিত্র আরাফাহ, পবিত্র মুযদালিফা, পবিত্র মদীনা শরীফ প্রভৃতি স্থানে হাজার হাজার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করেছে। একটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা সেকেন্ডে কমপক্ষে ৪০০টি ছবি উঠে থাকে। তাহলে হাজার হাজার সিসি ক্যামেরা দ্বারা এক সেকেন্ডে একজন লোকের কতগুলো ছবি উঠবে তা ভাববার বিষয়। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, “প্রাণীর ছবি থাকলে রহমতের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা থাকেন না।” ইহুদীরা পবিত্র হজ্জ উনার পুরো ময়দানকে রহমতশূন্য এবং কোটি কোটি মুসলমানগণের এ ফরয ইবাদত নষ্ট করার জন্য এই ষড়যন্ত্র করেছে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ‘পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ’ উনার ১৯৭ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উল্লেখ করে বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তির প্রতি পবিত্র হজ্জ ফরয সে যেন পবিত্র হজ্জ পালন করতে গিয়ে অশ্লীল-অশালীন ও তার সংশ্লিষ্ট কোনো কাজ না করে এবং কোনো প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানীমূলক কাজ না করে এবং ঝগড়া-বিবাদ না করে।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বর্ণিত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে স্পষ্ট বলা আছে যে, পবিত্র হজ্জ করতে গিয়ে যদি পবিত্র ঈমান ও আমলের নিরাপত্তা না থাকে অর্থাৎ পবিত্র হজ্জ করতে গিয়ে যদি কাউকে হারাম ও কুফরী কাজ করতে হয়; যেমন ছবি তোলা ও বেপর্দা হওয়া, তাহলে তার উপর পবিত্র হজ্জ ফরয থাকে না অর্থাৎ হজ্জের ফরযিয়াত সাকিত হয়ে যায়। ছবি তোলা ও তোলানো, ছবি দেখা ও দেখানো, পর্দা লঙ্ঘন করা সবগুলো শক্ত হারাম ও কবীরাহ গুনাহ এবং চরম ফাসিকী ও নাফরমানীমূলক কাজ। অর্থাৎ ফাসিকী ও নাফরমানীমূলক কাজ করে হজ্জ করলে তা কস্মিনকালেও হজ্জে মাবরূর হবে না। আর এজন্যই সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার হজ্জের জন্য হারাম ছবিকে বাধ্যতামূলক করেছে এবং পবিত্র হজ্জের পবিত্র স্থানসমূহে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে যাতে করে মুসলমানদের হজ্জ কবুল না হয়। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকে বারবার সতর্ক করার পরও তারা ছবি ও সিসি ক্যামেরা বন্ধ করছে না। তাদেরকে আবারো সতর্ক করা হচ্ছে, তারা যেন অতিসত্বর পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র যিয়ারত উনার ক্ষেত্রে ছবি নিষিদ্ধ করে এবং সিসি ক্যামেরাগুলো সরিয়ে নেয়। নচেৎ তাদেরকে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে। অর্থাৎ গুমরাহীর কারণে গযবে পড়ে ক্ষমতাহীন হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া ব্যতীত কোনো ব্যবস্থা থাকবে না।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বরকতময় মহাপবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ- মুসলিম উম্মাহর রহমত, বরকত হাছিলের এক সুমহান দিন। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১৭ দিন বাকি। মহাপবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বিধর্মীরা তাদের পণ্যদ্রব্যগুলো মুসলমানদের দেশে বিক্রি করে তার লভ্যাংশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যয় করে। নাউযুবিল্লাহ! যার সাক্ষাত প্রমাণ হচ্ছে- পরগাছা ইহুদীবাদী সন্ত্রাসী ইসরাইলের কর্মকাণ্ড। তাই প্রত্যেক মুসলমান ও মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, বিধর্মীদের বিশেষ করে পরগাছা ইসরাইলের সর্বপ্রকার পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকা। তাদের সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করা, তাদেরকে বর্জন করা।
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছে ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’। সুবহানাল্লাহ! যার আক্বীদা শুদ্ধ সেই মু’মিন বা মুসলমান। আর যার আক্বীদা শুদ্ধ নয়, সে কস্মিনকালেও মু’মিন ও মুসলমান হিসেবে গণ্য হবে না। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে, অশুভ, কুলক্ষণ ইত্যাদি বিশ্বাস করা এবং কোনো মাস, দিন ও সময়কে খারাপ বলা কুফরী-শিরকীর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কুফরী আক্বীদার অন্তর্ভুক্ত। নাঊযুবিল্লাহ!
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার মহাসম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও বরকতময় ৬ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জিন-ইনসানসহ সকল মাখলুকাতের জন্যই শুধু সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসেই নয়; বরং সারা বছর অর্থাৎ দায়িমীভাবে অনন্তকালব্যাপী- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা জীবনী মুবারক জানা ও বেশি বেশি সর্বত্র আলোচনা করা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ-অনুকরণ করার মাধ্যমে সম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা ফরয।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় ৩রা ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল হাদিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই এ সুমহান দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাদেরকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনাদের যথাযথ গোলামী মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ৩, ৫, ৬, ৭, ১২, ২৪, ২৭ এবং ২৮ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই বিশেষ দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য এখন থেকেই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা সকলের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ পবিত্র ২৯শে মুহররম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! দ্বাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, রঈছুল মুহাদ্দিছীন, হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“তোমরা ওই ব্যক্তিকে অনুসরণ করো না, যার ক্বলব বা অন্তর আমার যিকির থেকে গাফিল অর্থাৎ যার ক্বলবে আমার যিকির জারী নেই। সে নফসকে (শয়তানকে) অনুসরণ করে তাই তার কাজগুলো (আমলগুলো) সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ। নাউযুবিল্লাহ! প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- একজন হক্কানী-রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে তরীক্বা অনুযায়ী যিকির করতঃ ক্বলবে যিকির জারী করা।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












