সম্পাদকীয়-২
রাষ্ট্রযন্ত্রের ব্যর্থতা শিশুরাও এখন মাদকের বাহক, ক্রেতা, এমনকি মওজুদকারক কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায় মদ ও মাদকের প্রতি কঠিন ঘৃণাবোধের সঞ্চার সম্ভব
, ২৯ রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৩ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২২ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ০৬ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
রমরমা মাদক ব্যবসা। এখন মাদক বহন ও পাচারে ব্যবহার করা হয় শিশুদের। মাদক পাচারে যুক্ত থাকতে থাকতে একপর্যায়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে তারা।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাস, ট্রাক ও ট্রেনের মাধ্যমে মাদক পাচারকারীরা মাদক নিয়ে আসে। এরপর এসব মাদক লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট বা রেলস্টেশন থেকে শিশুদের মাধ্যমে নেওয়া হয়।
স্বস্তা শ্রম ও সহজে ব্যবহারের মাধ্যম হিসেবে এসব কাজে ব্যবহার করা হয় শিশুদের। এই শিশুরাই মাদক বিক্রি, বহন ও টাকা উত্তোলন করে। বিনিময়ে শিশুদের দেওয়া হয় সামান্য অর্থ ও মাদক। সেগুলো শিশুরা বিক্রির পাশাপাশি নিজেরা গ্রহণ করে।
মাদক পাচারে ছেলে শিশুদের পাশাপাশি মেয়ে শিশুরাও জড়িয়ে পড়েছে।
এখানে সমাজ ও সরকারের ভূমিকা রয়েছে। শিশুদের নিরাপদ বাসস্থান, শিক্ষার পরিবেশ দিতে হবে। শিশুদের স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত ব্যবস্থা করতে না পারলে মাদক সমাজে সয়লাব হয়ে যাবে। ’
মাদকের বাহকরা ধরা পড়লেও প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময় গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা, হেরোইন ও মদের ছোট-বড় চালান ধরা পড়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। যারা ধরা পড়েছে তারা সবাই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাদক বহনকারী ইজিবাইকচালক ও শিশু-কিশোর। গত দুটি বছরের মধ্যে মাদক পাচারের মূলহোতাদের একজনকেও আটক করতে পারেনি পুলিশ। মাদক পাচারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছে, যে পরিমাণ মাদক ধরা পড়ছে, তার কয়েকগুণ বেশি মাদক দেশে প্রবেশ করছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পাচারকারীরা মাদক বহনে শিশু-কিশোরদের ব্যবহার করছে। আইনে তাদের লঘু সাজার কথা বলা হয়েছে। এর বাইরে মাদক পাচারকারী চক্রের হোতারা রয়ে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এখন গ্রামের শত শত শিশু-কিশোরও মাদকের ভয়াল গ্রাসে আচ্ছন্ন। সন্ধ্যা হলেই মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়ে গ্রামের বাজারগুলো, ফলের বাগান ও নদীর ধারে।
শিশুদের কল্যাণে ১৯৭৪ সালের ২২ জুন জাতীয় শিশু আইন (চিলড্রেন অ্যাক্ট) করা হয়েছিলো। যার মাধ্যমে শিশুদের নাম ও জাতীয়তার অধিকারের স্বীকৃতি আদায়, সব ধরণের অবহেলা, শোষণ, নিষ্ঠুরতা ও খারাপ কাজে ব্যবহার হওয়া ইত্যাদি থেকে নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করা যায়। কিন্তু অতীতের সব সরকারের মত বর্তমান অন্তবর্তী সরকারও তা করতে করুণভাবে ব্যার্থ হচ্ছে।
শিশুদের এভাবে মাদকে জড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের উদাসীনতার ও ব্যার্থতার কথা জোরদারভাবে উচ্চারণ করতে হবে। রাষ্ট্রযন্ত্রের উপর জোর চাপ প্রয়োগ করতে হবে। সমাজে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অনুভূতির প্রসার ঘটাতে হবে।
বলার অপেক্ষা রাখে না, সদ্য পতিত সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে। এমনকি পতিত সরকারের আমলেও এও বলা হয়েছিলো যে মদকে মাদক বলা যাবে না। নাউযুবিল্লাহ!
মূলত: রাষ্ট্রযন্ত্রের এরূপ ভয়াবহ আচরণের আছরেই আজ মাদক শিশুদের মাঝেও বিস্তার লাভ করেছে। এটা এ মুহূর্তেই বন্ধ করতে হবে ইনশাআল্লাহ!
মদ ও মাদক শক্ত হারাম। আর এ হারামের প্রতি কঠোর মনোভাব তথা তীব্র ঘৃণার অনুভূতি তন্ত্র-মন্ত্রের সরকারের ব্যর্থতায় মøান হয়ে গেছে।
কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা ও জজবায়ই হারাম মদ ও মাদকের প্রতি তীব্র ঘৃণা, ন্যাক্কার ও নেতিবাচক মনোভাবের উন্মেষ সম্ভব।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












