মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ হচ্ছেন, আন্তর্জাতিক পবিত্র বাল্যবিবাহ দিবস। বাল্যবিবাহ করা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক; অস্বীকার করা কাট্টা কুফরী।
, ২১ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ২৭ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
বর্তমান সমাজে ছেলে-মেয়েদের চরিত্র ও পবিত্র ঈমান রক্ষার্থে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নয় বরং বাল্যবিবাহের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানো উচিত (৩)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে ব্রিটিশ সরকার বেনিয়া ১৯২৯ সালে মেয়ে বিয়ে বসা বা বিয়ে দেয়ার জন্য কমপক্ষে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আইন বা শর্ত করে দেয় এবং ১৮ বছর বয়সের নিচে কোন মেয়ে বিয়ে দেয়া, বিয়ে করা বা কোনো মেয়ের জন্য বিয়ে বসা দন্ডনীয় অপরাধ বলে সাব্যস্ত করে। নাঊযুবিল্লাহ!
আর সেই আইনকে প্রয়োগ করার জন্য দেশের তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ প্রগতিবাদীরা উঠে পড়ে লেগেছে। অথচ আওয়ামী লীগের; বিগত সরকার প্রধানের পিতা-মাতার বিয়ে হয় বাল্য বয়সে। নিচে সেই ইতিহাসের কিছুঅংশ বিশেষ এবং সূত্র দেয়া হলো- “১৯৩০ সালের ৮ই আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রাামে ফজিলাতুন্নেছা জন্ম গ্রহণ করেন। মাত্র তিন বছর বয়সে পিতা শেখ জহুরুল হক ও পাঁচ বছর বয়সে মাতা হোসনে আরা বেগমকে হারান তিনি। ১৯৩৮ সালে চাচাত ভাই (শেখ লুৎফর রহমানের পুত্র) শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বেগম ফজিলতুন্নেছার বিবাহ হয়। তখন মুজিবুরের বয়স ১৮ আর তার ৮। এই দম্পতির ঘরে দুই কন্যা এবং তিন পুত্রের জন্ম হয়। কন্যারা হলেন, শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহেনা। আর পুত্রদের নাম শেখ কামাল, শেখ জামাল এবং শেখ রাসেল। তিনজন পুত্রই ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট রাতে আঁততায়ীদের হাতে নিহত হন। সেই রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করার সময় ঘাতকরা পরিবারের অপরাপর সদ্যস্যদের সঙ্গে বেগম মুজিবকে নির্মমভাবে হত্যা করে।” (তথ্য সংগৃহীত)
এমনকি বর্তমান সরকার প্রধানের মায়ের বিবাহও হয় মাত্র ১৫ বছর বয়সে।
উল্লেখ্য, সে সময়ে বর্তমান আইন চালু থাকলে বিগত (আওয়ামী লীগ) আমলের প্রধানমন্ত্রীর দাদা-দাদী, নানা-নানীরাও শাস্তি পেতো এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর মাকেও শাস্তি পেতে হতো। এ ক্ষেত্রে স্ব স্ব দলের লোকেরা কি তাদের কথিত আইনের এই শাস্তিকে ভালোভাবে নিতে পারবে? মূলত তা ভালোভাবে নেয়ার বিষয়ও নয়।
কারণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের হুকুম অনুযায়ী ছেলে ও মেয়েকে বিবাহ করার ও বিবাহ দেয়ার জন্য কোন বয়স নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। কাজেই পৃথিবীর কোন সরকার তা রাজতান্ত্রিক হোক অথবা সমাজতান্ত্রিক বা গণতান্ত্রিকই হোক অথবা নাস্তিকবাদী হোক অথবা অন্য কোনো মতবাদই হোক না কেন তাদের কাউকে এমন কোন ক্ষমতা দেয়া হয় নাই যে, তারা সম্মানিত শরীয়ত উনার উপর হস্তক্ষেপ করে। আর বাংলাদেশের সরকারের জন্যও জায়িয হবে না, মহাসম্মানিত সুন্নতী বাল্যবিবাহের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা। বরং এ সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে অতিসত্বর বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন তুলে দিয়ে ‘বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত মুবারক’ এ আইন জারি করা এবং এরপক্ষে প্রচারণা চালানো। কেননা, “নেক কাজ শুধুমাত্র সৌভাগ্যবান বা নেককাররাই করতে পারে।”
বাল্যবিবাহ নিয়ে কাফির মুশরিকগুলো অপপ্রচার করে সাধারণ মানুষের মনে মগজে ঢুকিয়ে দিয়েছে যে, বাল্যবিবাহ একটি অভিশাপ। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!
ইহুদী-নাছারাদের নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন মিডিয়া সংবাদ প্রচার করে এভাবে যে, বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে রক্ষা পেল ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী। নাঊযুবিল্লাহ!
আমেরিকায় এক জরিপে দেখা গেছে, যত শিশু জন্মেছে তার ৫৯ শতাংশের মা হলো বিবাহিত অর্থাৎ কুমারী মায়ের সংখ্যা ৪১ শতাংশ। ব্রিটেনে ২০০ বছরের মধ্যে বিয়ের আগে সন্তান জন্ম দেয়া এবং লিভ টুগেদার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই বিয়ের আগে লিভ টুগেদার করছে অথবা বিয়ের চেষ্টা করছে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে এ সংখ্যা ছিল ৩০ জনে একজন। ৩০ বছর পূর্বে বিয়ের আগের সন্তান হওয়াটা ছিল লজ্জাজনক। বর্তমানে বাংলাদেশেও এই লজ্জাজনক বিষয়টিকেও তারা প্রমোট করে যাচ্ছে। ছেলে-মেয়েদেরকে অশ্লিল-অশালীন আচার-আচরণ, কথা-বার্তা, পোশাক-আশাক পরিধানে, লিভটুগেদারে উৎসাহিত করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
-আহমদ হুসাইন
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ হচ্ছেন, আন্তর্জাতিক পবিত্র বাল্যবিবাহ দিবস। বাল্যবিবাহ করা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক; অস্বীকার করা কাট্টা কুফরী।
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ হচ্ছেন, আন্তর্জাতিক পবিত্র বাল্যবিবাহ দিবস। বাল্যবিবাহ করা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক; অস্বীকার করা কাট্টা কুফরী।
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ হচ্ছেন, আন্তর্জাতিক পবিত্র বাল্যবিবাহ দিবস। বাল্যবিবাহ করা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক; অস্বীকার করা কাট্টা কুফরী।
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
চেয়ার-টেবিলে খাবার খাওয়া বিদয়াত; খাছ ফতওয়া মতে হারাম
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পেট পুরে আহার করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার খিলাফ
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আঙুল, হাত ও বাসন চেটে খাওয়া:
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র জুমুয়াহ শরীফ দিনের মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
খাবারে ও পান পাত্রে ফুঁক দেওয়া মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার খিলাফ
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুয়ানাকা করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুছাফাহা করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। যা গুনাহ মাফের মাধ্যম
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
খেজুর ও তরমুজ একত্রে খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক এবং বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের মাধ্যম (৪)
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












