প্রসঙ্গ: সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ একটু ভাবতে হবে....
, ১১ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৭ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২০ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো আজকাল একটি সাধারণ বিষয়। মানুষ জন্মদিন পালন করছে, বিয়ের অনুষ্ঠান পালন করছে খুব উৎসাহের সাথে। কারো ছেলে বা মেয়ের জন্মদিনের কেক কাটা তথাকথিত মুসলমানদের জন্য একটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে গেছে। এসব জন্মদিন পালন, বিয়ের অনুষ্ঠান পালন নিয়ে কেউ কোন ফতওয়া দেয় না কিন্তু পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ এলেই ওহাবী খারেজীরা নানান ফতওয়া দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। কিন্তু সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (শ্রেষ্ঠ দিনসমূহের মধ্যে যে দিন শ্রেষ্ঠতম) পালন আসলে সকল মুসলমানদের জন্য ফরযের উপর ফরয।
মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম শরীফ উনার ১২ই শরীফ পৃথিবীর বুকে তাশরীফ মুবারক নেন “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম”। উনাকে পেয়েছি বলেই আমরা পবিত্র কুরআন শরীফ পেয়েছি, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম পেয়েছি, ঈমান পেয়েছি। তাহলে উনার জন্য কতটুকু খুশী প্রকাশ করা উচিত?
মানুষ কি আসলেই বোঝে উম্মত আর নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্ক? অধিকাংশ মানুষই আসলে বোঝে না আর তাই মহান আল্লাহ পাক স্পষ্ট জানিয়েছেন “যতক্ষণ তোমরা তোমাদের মহান রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তোমাদের জানের চেয়ে বেশী মুহব্বত করতে না পারবে ততক্ষণ তোমরা ঈমানদার হতে পারবে না। ”
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরও জানিয়েছেন, “তোমরা যে একজন মহান রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে লাভ করলে, সেজন্য তোমরা খুশী প্রকাশ করো, যা হবে তোমাদের জীবনের সঞ্চিত সকল কিছুর চেয়ে উত্তম”।
তাহলে আসুন একটু ভেবে দেখি; আমাদের রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খুশী প্রকাশ করার বাজেট কি আমার সন্তানের জন্মদিন পালনের বাজেটের চেয়ে বেশী?
যদি সকল নিজের ব্যক্তিগত খুশী প্রকাশ করার জন্য আলাদা বাজেট থাকে তবে অবশ্যই পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন উনার জন্য আমাদের আলাদা বাজেট নির্ধারণ করতে হবে। কিন্তু দেখা গেছে মানুষ তা না করে বরং বিভ্রান্তমূলক ফতওয়া দিয়ে থাকে। নিজের পান্ডিত্য জাহির করতে থাকে। বিদয়াত বিদয়াত বলে চিৎকার করতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
মনে রাখতে হবে আমরা যে যেমন আমল করবো ঠিক তেমন প্রতিদানই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছ থেকে আমরা পাবো। কারণ তিনি উত্তম প্রতিদান দিয়ে থাকেন।
-আল্লামা এবিএম রুহুল হাসান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সত্যের মাপকাঠি
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (৩)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (৪)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা কবীরা গুনাহ ও অসন্তুষ্টির কারণ
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আল্লাহওয়ালা হতে হলে প্রতিটি ক্ষেত্রে আদব রক্ষা করা আবশ্যক
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
একমাত্র খালিছভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার জন্যই ইবাদত করতে হবে
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত মাওলানা শাহ ছুফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (৬ষ্ঠ পর্ব)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বেপর্দা হওয়া শয়তানের ওয়াসওয়াসাকে সহজ করার মাধ্যম
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (৮)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












