সম্পাদকীয়-২
পাঙ্গাস কিনতেও ব্যর্থ হচ্ছেন নি¤œবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তরা পাঙ্গাস চাষ থেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন খামারীরা সরকারের ব্যার্থতায় গরীবের বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়গুলোও ধ্বংস হচ্ছে। করাল থাবা বিস্তার করছে কর্পোরেট সংস্থাগুলো। সরকারের নীরবতায় সরব দুর্ভিক্ষ এসে হাজির হচ্ছে।
, ০৭ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০১ সাদিস, ১৩৯৩ শামসী সন , ৩০ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ১৪ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
পাঙ্গাস মাছের দাম কম হওয়ায় অনেকে এটাকে গরিবের মাছ বলে থাকেন।
বেসরকারি চাকরিজীবী সাজেদুর রহমান বলেন, বর্তমান বাজারে ভালো মাছ কেনার সাধ্য আমাদের মতো মানুষের নেই। আমাদের জন্য কিছুটা কম দামের তেলাপিয়া, পাঙ্গাস মাছ ছিল। বর্তমান বাজারে এসব মাছও আমাদের নাগালে নেই। কয়েক দিন আগেও এসব মাছের দাম কম ছিল। এখন কেজিতে এসব মাছের দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার, ঝিগাতলা কাঁচাবাজারসহ বেশ কয়েকটি মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস মাছ প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক বছর আগেও এই দুই মাছের দাম ছিল অর্ধেকেরও কম। যা দিয়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত তাদের মাছের চাহিদা মেটাতো।
খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামারের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। খাবার, শ্রমিক মজুরি আর পরিবহন ভাড়ার চাপ সরাসরি মাছের দামে প্রভাব ফেলছে।
এক বছর আগেও এক কেজি খাদ্য কিনেছি ৯০ টাকা দরে। এখন সেটা কিনতে হচ্ছে ১৩৬ টাকায়। মাছের খাদ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলেও পাইকাররা উপযুক্ত দাম না দেওয়ায় আমাদের পোষাচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে পাঙ্গাস উৎপাদন খাত একটি নীরব সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রোটিনের জোগানে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
একদিকে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়া যাচ্ছে না। এই দ্বিমুখী চাপে পড়ে পাঙ্গাস চাষি ও এই খাতের সঙ্গে যুক্ত মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।
আর্থিক অনিশ্চয়তা, ব্যাংকঋণের বোঝা, খাদ্যের দাম বৃদ্ধি ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের বোঝা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চাষিরা।
অনেকেই লাভের আশায় চড়া সুদে এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন, কিন্তু লাভতো দূরের কথা- মূলধন রক্ষা করাই এখন চ্যালেঞ্জ। এখন প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ ও কার্যকর নীতিমালা, যেন মানুষের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ মাছটি টিকিয়ে রাখা যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ‘আমরা টন হিসেবে খাদ্য কিনি। ২০২৩ সালে পোনা পাঙ্গাসের খাদ্য কিনতে আমাদের প্রতি কেজিতে পাইকারি দাম পড়ত ৯০ টাকা, এখন পাইকারিভাবে ১২৮ টাকা কেজি কিনতে হচ্ছে। খামারিরা আমাদের কাছ থেকে এই খাদ্য ১৩৬ টাকা কেজিতে কিনে মাছকে খাওয়াচ্ছেন। ’
চাষিরা বলছেন, পাঙ্গাস মাছ উৎপাদনে ৭০-৮০ শতাংশ ব্যয় খাবারের পেছনেই যায়। পাঙ্গাস বাজারে সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া গেলেও সাম্প্রতিক সময়ে মাছের খাদ্যের দাম কেজি প্রতি ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে চাষিদের মুনাফা মার্জিন নেমে এসেছে প্রায় শূন্যের কোঠায়। ফলে অনেক খামারি পাঙ্গাস চাষ ছেড়ে দিয়েছেন।
পাঙ্গাস হচ্ছে দেশের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত জনগণের অন্যতম সস্তা প্রোটিন উৎস। পাঙ্গাস মাছের দাম কম হওয়ায় অনেকে এটাকে গরিবের মাছ বলে থাকেন। দেশে সাধারণের আমিষের আধার খ্যাত পাঙ্গাস মাছের উৎপাদন ধীরে ধীরে কমতে থাকলে বাজারে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য মাছ ক্রয় কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।
বর্তমানে মাছের যেসব বড়ো খাদ্য কোম্পানি তথা কর্পোরেট সংস্থাগুলো রয়েছে, তাদের ওপর সরকারের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় তাদের ইচ্ছামতো দাম বাড়ানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার যদি হস্তক্ষেপ না করে, তাহলে শুধু পাঙ্গাস নয়, সামগ্রিকভাবে দেশীয় মৎস্য উৎপাদনে প্রভাব পড়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থাৎ দেশের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও সমৃদ্ধিগুলো একের পর এক ধ্বংস করে দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা ভারত-মার্কিনীদের এজেন্ট কর্তাব্যক্তিরা। জনগণের এক্ষনি সক্রিয় হওয়া উচিত ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুবারক হো! মহিমান্বিত আশূরা শরীফ! পবিত্র আশূরা শরীফ উনার আমল ইহকালীন ও পরকালীন সব সমস্যার সমাধানে মহানিয়ামত। অথচ রাষ্ট্রযন্ত্র তথা সরকার এবং মিডিয়া যুগপৎভাবে সে সম্পর্কে একান্তই বেখবর। ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে পবিত্র আশুরা শরীফ পালনে সরকারী উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা আবশ্যক।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ মুহররমুল হারাম শরীফ! যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আফদ্বালুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই মুহররমুল হারাম শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা, ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা সর্বোপরি উনার নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সব নারীদের জন্য ফরয।
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করতে দেশের স্বার্থ দীর্ঘ মেয়াদে ভয়াবহভাবে বিপন্ন করে মাত্রাধিক নতুন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। সবার আগে বাংলাদেশ দাবীদার সরকারকে এ ধরনের সর্বনাশা চুক্তি থেকে সরে আসতে হবে।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ৫ই মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম এবং সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম উনাদের মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৮৭ হাজার থেকে শিক্ষা খাতে বাজেট বেড়ে ১ লাখ সাড়ে ৩৬ হাজার কোটি টাকা কিন্তু গবেষণায় বরাদ্দ কতটুকু? দুর্নীতি সহায়ক প্রবণতা- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা আর ল্যাপটপ দেয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে এসে শিক্ষার মান বাড়ানোর প্রক্রিয়ায় পর্যাপ্ত অর্থায়ন করতে হবে।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ মহিমান্বিত ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। আবু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খইরুল বাশার, সাইয়্যিদুল আরব, আবুল বাশার, ছহিবু নূরে মুজাসসাম, সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিন।
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র পহেলা মুহররমুল হারাম শরীফ। খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব গ্রহণের সুমহান দিন।
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৯শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৮ যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৭ যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক অর্থাৎ সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এ সুমহান দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন করা গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ পবিত্র ২৬শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিসবাতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এ দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












