পঞ্চাশ শয্যার অবকাঠামোয় চলছে গাইবান্ধার ২৫০ শয্যার হাসপাতাল
নির্মাণ শেষ হওয়ার ৬ বছরেও চালু হয়নি গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবন। বেড ও অবকাঠামো সংকটে মেঝে ও বারান্দায় শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের। দীর্ঘদিন থেকে নতুন ভবন নির্মাণ সম্পূর্ণ হলেও তা চালু না হওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। এতে ক্ষোভ জানিয়েছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা।
, ০৭ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৩ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ২২ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ০৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) তাজা খবর
জানা যায়, ৫০ বেডের দ্বি-তল অবকাঠামোতে দীর্ঘদিন থেকে চলছে গাইবান্ধা ২৫০ বেডের জেনারেল হাসপাতালের কার্যক্রম। ২৫০ বেডের হাসপাতাল হলেও এখানে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত নিয়মিত রোগি ভর্তি থাকেন প্রায় ৪ শতাধিকের বেশি রোগী আর বহির্বিভাগে সেবা নিতে আসেন প্রতিদিন প্রায় ১২শ’ থেকে ১৫শ’ রোগী।
এতে পর্যাপ্ত জায়গা না হওয়ায় রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে হাসপাতাল চত্বরে ২০১৮ সালে নতুন ৯ তলা একটি ও ৬ তলা একটি ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয় । এতে আশায় বুক বাঁধেন স্থানীরা। কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার দীর্ঘ ৬ বছর অতিবাহিত হলেও নতুন ভবন চালু না হওয়ায় চিকিৎসা নিতে এসে বিড়ম্বনায় পড়ছেন রোগীরা। রোগীর তুলনায় বেড ও জায়গা কম হওয়ায় মেঝে ও বারান্দায় শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের। বাধ্য হয়ে আবার একই বেডে থাকছেন ভিন্ন ভিন্ন রোগের একাধিক রোগী। রোগীর চাপে নোংরা পরিবেশে গাদাগাদি করে চলছে চিকিৎসা সেবা। বহির্বিভাগে একই অবস্থা। চিকিৎসা সেবা নিতে এসে অসুস্থ মানুষ হয়ে যাচ্ছেন আরও অসুস্থ । দীর্ঘ সময়েও নতুন ভবন চালু না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন রোগী, স্বজন ও স্থানীরা।
চিকিৎসা নিতে আসা রোগী আব্দুল হাকিম বলেন, ‘দুই দিন থেকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। বেড না পেয়ে মেঝেতে শুয়ে কোনো রকমে চিকিৎসা নিচ্ছি। এখানে মানুষের চাপে শুয়ে থাকাও যায় না।’
রোগীর স্বজন ফুল মিয়া জানান, শত শত মানুষের ভিড়ে হাসপাতালের পরিবেশ চিকিৎসার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অসুস্থ মানুষ এখানে এসে আরও অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। নোংরা পরিবেশ ও দুর্গন্ধে হাসপাতালে থাকা যায় না।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধাক ডা. মুহম্মদ. শহিদুল্লাহ জানান, রোগীদের পাশাপাশি ভবন অভাবে এমন পরিবেশে চিকিৎসা দিতে চিকিৎসকরাও বিড়ম্ববনায় পড়ছেন। রোগীদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে দ্রুত নতুন ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করার আশ্বাস দেন তিনি।
২০১৮ সালের ৭ জুন ৩৪ কোটি ৫৩ লাখ ৫৯ হাজার ৫৫০ টাকা ব্যয়ে ভবন দুটি নির্মাণের কাজ শুরু হয় পরিবর্তিতে ব্যায় বাড়িয়ে ৩৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা করা হয়। কাজ সম্পূর্ণ করার মেয়াদ ছিল ১৮ মাস।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ডিএমপির অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬২ জন গ্রেপ্তার
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা না করত, আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নিলাম জটে চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে আছে হাজার কোটি টাকার পণ্য
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিটসহ বিশেষ সুবিধা যুক্ত করা হবে: বিমানমন্ত্রী
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশে ফিরেছেন বাংলার জয়যাত্রার নাবিকেরা
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অযত্নে ধ্বংসের পথে রংপুর চিনিকলের হাজার কোটি টাকার সম্পদ
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপে রক্তাক্ত যাত্রীর চোখ
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে সেনাবাহিনীকে যুক্ত করতে চায় ইসি
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাড়ে ৩ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না: ইসি
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
রাত ১টার মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












