মেগা প্রকল্পে শুধু মেগা দুর্নীতিই নয়
নির্ধারিত সময়ের পরে অতিরিক্ত মেগা সময়ও ব্যয় হয়
এই স্বেচ্ছাচারিতার জবাবদিহীতা নাই কেন?
, ১৯ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৪ সামিন, ১৩৯১ শামসী সন , ০২ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি:, ১৮ পৌষ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
পদ্মা সেতুর নির্মাণের সময়কাল ধরা হয়েছিল ৮ বছর; প্রকল্পটি শেষ হতে সময় লেগেছে ১৪ বছর। কর্ণফুলী টানেলের সময় ধরা হয়েছিল ৪ বছর, যা পরবর্তী সময়ে ৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সাড়ে ৭ বছর সময় বেড়ে ৫ বছরের প্রকল্পটি মেয়াদকাল সাড়ে ১২ বছর হয়েছে। পদ্মা সেতুতে রেল-সংযোগ একটি বড় প্রকল্প। এর মেয়াদ ধরা হয়েছিল ৫ বছর, কিন্তু বাস্তবে সময়টা ৮ বছরেরও বেশি হতে পারে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সময়ক্ষেপণ হয়েছে দোহাজারী-রামু-গুনদুম প্রকল্পটিতে। প্রকল্পটি প্রাথমিক পর্যায়ে সাড়ে ৩ বছরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, তা ১২ বছরেও শেষ করা যাবে না। ৪ বছর মেয়াদি বিআরটি প্রকল্প সময় নিচ্ছে ১১ বছর। সর্বোচ্চ সময়ক্ষেপণ হচ্ছে খুলনা-মোংলা রেলপথ; যা নির্মাণের সময়কাল ধরা হয়েছিল ৩ বছর, এখন তা ১২ বছর লাগবে। তাছাড়া সিরাজগঞ্জ শিল্পপার্ক নির্মাণে অতিরিক্ত সময় লাগবে সাড়ে ৮ বছর আর চিটাগাং সিটি আউটার রিংরোড প্রকল্পে অতিরিক্ত সময় লাগবে ৮ বছর।
কোনো দেশে কোনো বিষয়ে সমস্যা থাকা অস্বাভাবিক বিষয় নয়। সমস্যা চিহ্নিত হলে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। কিন্তু একই সমস্যা বারবার উপস্থিত হওয়া এবং কোনো প্রকার প্রতিকার না করে স্থায়ী রূপ দেয়া কারও কাম্য নয়। আমাদের দেশে সমস্যা সমাধানের প্রধান অন্তরায় হলো নীতিনির্ধারকদের অনীহা। তারা কোনো গুরুতর সমস্যায় বিচলিত না হয়ে তাকে স্বাভাবিক হিসাবেই ধরে নিতে অভ্যস্ত। যে কারণে এ অর্থনষ্টকেও তারা আমলে নিচ্ছে না। তাদের বক্তব্য হলো-এ বাড়তি ব্যয়কে অপচয় বলা যায় না। কারণ অনেক সময় সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় ভুল থাকে। আবার সমীক্ষা ঠিক থাকলে বাস্তবতার কারণে নতুন অঙ্গ অন্তর্ভুক্তি কিংবা পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। আবার বর্তমানে যেমন ডলারের দাম বাড়ায় অনেক ক্ষেত্রে খরচ বাড়ছে। ফলে তখন ব্যয়বৃদ্ধি বা সংশোধন ছাড়া উপায় থাকে না। আর একটি প্রকল্প যখন চলমান থাকে, তখন সেটি শেষ না করলে তো এরই মধ্যে করা বিনিয়োগ নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করতে হয়। ব্যস! এমনতর আত্মতৃপ্তি থাকলে তো আর কথা চলে না। ডলারের দাম বৃদ্ধির সময়টা এক বছরও হয়নি। কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ ৯ বছর বাড়ল কেন? এর কোনো জবাব নেই।
দৈনিক আল ইহসান শরীফের অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশের ৯৫ শতাংশ প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয় না। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত একটি সংবাদেও বলা হয়েছে, ১২০৯ প্রকল্পের মেয়াদ বেড়েছে তিন বৎসরে। নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে না পারায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে গড়ে ব্যয় বেড়ে থাকে প্রায় ২৬ শতাংশ। সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের ৮০ শতাংশ প্রকল্পই নির্ধারিত সময়ে শেষ হয় না। বারবার মেয়াদ বাড়ানোর কারণে অধিদপ্তরের প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় বাড়ে প্রায় ৫৬ শতাংশ। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়া ও খরচ বৃদ্ধির নেপথ্যে সবচেয়ে বড় কারণ হিসাবে ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা এবং কাজের পরিধি পরিবর্তনের বিষয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, জমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রায় ২৭ শতাংশ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি পায়। কাজের পরিধি পরিবর্তনের কারণে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ে ৪৯ শতাংশ।
বেশির ভাগ প্রকল্প পরিচালকেরই প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা কম। প্রকল্প পরিচালক বারংবার বদলও এর জন্য দায়ী। তার পরও জমি অধিগ্রহণের ঝামেলা না থাকলে, বরাদ্দ ঠিকমতো দেয়া হলে এবং ঘনঘন সরকার বা মন্ত্রীর পালাবদল না ঘটলে সময় বৃদ্ধি ব্যতিরেকেই নির্দিষ্ট সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব। অনেক প্রকল্প দেখা যাচ্ছে যথাযথ ফিজিবিলিটি স্টাডি ছাড়াই নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ পুরাটাই অনুমাননির্ভর। এই কারণে প্রকল্প নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হয় না। ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এই জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও নির্দেশনা দিয়েছেন, প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ থাকলে সেগুলিতে কতটা জটিলতা রয়েছে-তা চিহ্নিত করে প্রকল্প নিতে হবে।
প্রকল্প পরিচালকদের কখন কোন কাজ করতে হবে, উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবেই (ডিপিপি) সেই পরিকল্পনা দেওয়া থাকে। সুতরাং প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতার কোনো কারণ থাকা উচিত না। অনেকেই মনে করেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করার ক্ষেত্রে আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠি নাই। অর্থাৎ আমাদের মানসিকতার মধ্যে রয়েছে দীর্ঘসূত্রতার অপসংস্কৃতি। এই মানসিক বন্ধ্যাত্ব হতে বাহির হয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে যারা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন, সেই প্রকল্প পরিচালকদের প্রশিক্ষণের অভাব যাতে না থাকে, প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে তা বিবেচনায় রাখতে হবে। বহুক্ষেত্রেই প্রকল্পে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের কারিগরি জ্ঞান সীমিত থাকে। সুতরাং কেন প্রকল্পের মেয়াদ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বৃদ্ধি করতে হচ্ছে; কেন মনে করা হয়, সময়ের কাজ সময়ে শেষ না-হওয়াটাই স্বাভাবিক- এই অপসংস্কৃতি হতে বাহির হবে। ইতিপূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তিনি প্রায়শই যথাসময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। কিন্তু তার পরও অনেক ক্ষেত্রে বিবিধ সব কারণে প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হচ্ছে না।
প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যদি কারো গাফিলতি কিংবা অন্য উদ্দেশ্য থাকে, তবে অবশ্যই সেখানে সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো প্রকল্পের মেয়াদ বা ব্যয় বাড়ানোর আগে সংশ্লিষ্টদের কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
মেগা প্রকল্পগুলোর সংশোধনের একটি প্রবণতাও লক্ষ্য করা গেছে। ২০টির মধ্যে ৭টি প্রকল্পই বিভিন্ন সময় সংশোধিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় বলে, যদি মানসম্মত সমীক্ষা না থাকে, সমন্বয়ের অভাব থাকে, বাস্তবায়নের ঘাটতি থাকে, কাজ শেষ হতে সময় বেশি লাগে, দুর্নীতি হয়, সামষ্টিক অর্থনীতি দুর্বল থাকে, তাহলে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের সুফল আসে না।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ও ইবনু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস মুবারক। পাশাপাশি সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূলিল্লাহ আর রবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদুল মুজতাহিদীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল হাদী আশার আলাইহিস সালাম উনার সুমহান বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস মুবারক।
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আস সাদিস হযরত ইমাম মুহসিন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খইরুল আবনা ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বইয়িদুল খলায়িক, সাইয়্যিদুল খলায়িক, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার এবং মালিকুল জান্নাত, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরহ্ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল হাদী আশার মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সুমহান বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার দিবস মুবারক।
২২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার শান মান মুবারক অনুভব করা
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাহ, ত্বাহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, যাকিয়াহ, রাদ্বিয়াহ, মারদ্বিয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আশবাহুল খলক্বি বি-রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুল বাশার, আল মুবাশ্শির, আল আর্বারু, আল আজওয়াদ, সাইয়্যিদুনা হযরত আন্ নূরুছ ছালিছ হযরত ত্বাহির আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যা উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান নিসবতে আযীম শরীফ দিবস। একই সাথে জামিউল কুরআন, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন হযরত উছমান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং নবম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ ও নকশ্বন্দিয়া তরীক্বার ইমাম হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নকশ্বন্দ বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বিরোধিতাকারীরা গুমরাহ ও উলামায়ে ‘সূ’র অন্তর্ভুক্ত। এদেরকে পরিহার করা ফরয-ওয়াজিব।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে শুধু পরকালীন শাফায়াত ই একমাত্র চাওয়া পাওয়া নয়;
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংস্পর্শে নাগরিকদের সংশোধনের জন্য পাঠাতে হবে
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












