তারা প্রত্যেকেই মূর্তিপূজারী ও মুশরিক হয়ে কাট্টা কাফির ও মুরতাদ হয়েছে (৯)
, ৫ই রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ৭ আশির, ১৩৯২ শামসী সন , ৬ মার্চ, ২০২৫ খ্রি:, ১৯ ফালগুন, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
উয্যা মূর্তি ধ্বংস করার নির্দেশ মুবারক:
১ম দলীল
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের পর হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে ৩০ জনের একটি সৈন্যদলসহ নাখলায় অবস্থিত (الْعُزَّى) উয্যা নামক মূর্তি ধ্বংস করার জন্য প্রেরণ করেন। (উয়ূনুল আছার ২/২০৭)
২য় দলীল
হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি মূর্তিটি ভেঙ্গে আসেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জিজ্ঞাসা মুবারক করলেন,
هَلْ رَاَيْتَ شَيْئًا
‘আপনি কিছু দেখেছেন কি’?
হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, না; কোনো কিছু দেখিনি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন,
فَاِنَّكَ لَمْ تَهْدِمْهَا فَارْجِعْ فَاهْدِمْهَا
‘তাহলে আপনি সেটা ভাঙ্গেননি। আবার যান ঐ মূর্তিটি ভেঙ্গে আসুন’। (উয়ূনুল আছার ২/২০৭, তাখরীজুল আহাদীছ ৩/৩৮২)
৩য় দলীল
তখন হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উন্মুক্ত তরবারী নিয়ে সেখানে গেলেন। তিনি সেখানে পৌঁছা মাত্রই উনাদের দিকে কুৎসিত কাল, বস্ত্রহীন ও বিক্ষিপ্ত চুল বিশিষ্ট এক মহিলাকে বেরিয়ে আসতে দেখেন। তাকে দেখে মন্দির প্রহরী চিৎকার দিয়ে উঠলো।
فَاَقْبَلَ عَلَيْهَا حَضْرَتْ خَالِدُ بْنُ الْوَلِيْدِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ ضَرْبًا بِۢالسَّيْفِ فَجَدَلَهَا بِاِثْنَتَيْنِ
‘তখন হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি তার সামনে অগ্রসর হয়ে তরবারী দ্বারা এক কোপ দিয়ে তাকে দ্বিখ-িত করে ফেললেন। ’ সুবহানাল্লাহ! (তাখরীজুল আহাদীছ ৩/৩৮২, আল হাওইয়ী ফী তাফসীরিল কুরআনিল আযীম)
৪র্থ দলীল
তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ এসে ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে বললেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন,
نَعَمْ تِلْكَ الْعُزّٰى وَقَدْ اَيِسَتْ اَنْ تُعْبَدَ فِىْ بِلَادِكُمْ اَبَدًا
‘হ্যাঁ; এটাই হচ্ছে- উয্যা। আপনাদের ভূমিতে পূজা পাওয়ার ব্যাপারে সে এখন চিরকালের জন্য নিরাশ হয়ে গেল। ’ সুবহানাল্লাহ! (যাদুল মা‘আদ, আস সুনানুল কুবরা লিন সানায়ী, উয়ূনুল আছার, ইবনে সা’দ, তাফসীরে কাশ্শাফ ইত্যাদি)
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












