নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘আমি পবিত্র ইলম উনার শহর মুবারক আর হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি উনার দরজা মুবারক।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৩ই রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
তাই সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে এ বরকতপূর্ণ দিনে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ এবং দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা এবং উনার মহাপবিত্র জীবনী মুবারক বেশি বেশি আলোচনা করা।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার মহাপবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা।
, ১৩ই রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৭ ছামিন, ১৩৯২ শামসী সন , ১৪ জানুয়ারী, ২০২৫ খ্রি:, ২৯ পৌষ , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন- নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতম বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক। তাই উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক জিন-ইনসান, তামাম মাখলুকাতের চিন্তা ও কল্পনার বাইরে। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি পবিত্র ইলম উনার শহর মুবারক আর হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি উনার দরজা মুবারক।” সুবহানাল্লাহ!
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস উপলক্ষে নছীহত মুবারক প্রদানকালে তিনি উপরোক্ত ক্বওল শরীফ পেশ করেন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত পিতা উনার নাম আবূ তালিব, মহাসম্মানিত মাতা উনার নাম মুবারক- হযরত ফাতিমা বিনতে আসাদ আলাইহাস সালাম। যিনি উম্মী বা’দা উম্মী আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম নাম মুবারকে প্রসিদ্ধ। উনার বিশেষ উপাধি মুবারক ‘আসাদুল্লাহ’ (মহান আল্লাহ পাক উনার সিংহ), ‘হায়দার’ (বাঘ), ‘মুরতাদ্বা’ (সন্তুষ্টি-প্রাপ্ত)। তিনি ‘আব্দুল্লাহ’ নামে প্রসিদ্ধ তবে উনার মূল নাম মুবারক হযরত আলী আলাইহিস সালাম। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চাচাতো ভাই। তিনি কুরাঈশ বংশের হাশেমী শাখায় পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। পিতৃকুল ও মাতৃকুল উভয় দিক থেকে তিনি কুরাঈশ বংশোদ্ভূত। সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য মতে, আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র নবুওয়াত মুবারক প্রকাশের ১০ বছর পূর্বে তিনি পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার ১৩ তারিখ জুমুয়াবার যোহরের ওয়াক্তে মহাপবিত্র কা’বা শরীফ উনার অভ্যন্তরে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, একদিকে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চাচাতো ভাই। অপরদিকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদরের বানাত উম্মু আবীহা আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত যাওযুল মুকাররম। দ্বিতীয় হিজরীর পবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ উনাদের নিসবাতুল আযীমাহ মুবারক অনুষ্ঠিত হয়। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খিলাফত গ্রহণের পূর্বে তিনি হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম এবং হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাদের খিলাফত আমলে পরামর্শদাতা ছিলেন। হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাতী শান মুবারক উনার পর হিজরী ৩৫ সনে পবিত্র ২৫শে যিলহজ্জ শরীফ তিনি খলীফা হিসেবে দায়িত্ব মুবারক গ্রহণ করেন। ৪ বছর সাড়ে ৮ মাস যাবৎ এ দায়িত্ব যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করেন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হিজরী ৪০ সনের ১৬ই রমাদ্বান শরীফ জুমুয়াবার ফযর নামাযে গমনকালে ইবনে মুলজিম নামক খারিজী লা’নতুল্লাহি আলাইহির তলোয়ারের দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার জ্যেষ্ঠ আওলাদ সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি উনার জানাযার নামায পড়ান। কূফার নাজফে আশরাফ জামে মসজিদের পাশে উনার রওজা শরীফ অবস্থিত অর্থাৎ সেখানে তিনি অবস্থান গ্রহণ করেন। গ্রহণযোগ্য মতে শাহাদাতকালে উনার বয়স মুবারক হয়েছিল ৬৩ বছর ২ মাস ৪দিন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ‘প্রথম ইমাম’ অর্থাৎ ‘ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে উনার বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা বর্ণিত রয়েছে। তাই সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে এ বরকতপূর্ণ দিনে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ এবং দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা এবং মুসলমানদের মাঝে পবিত্র ঈমানী জযবা ও রূহানী কুওওয়াত পয়দা করতে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক বেশি বেশি আলোচনা করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিলের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আজ ঐতিহাসিক স্বাধীনতা দিবস। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যে সকল মুসলমান প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের জন্য সম্মানিত শরয়ী তর্য-তরীক্বা মুতাবিক, যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ খতম, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ এবং তওবা-ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাতের মাধ্যমে তাঁদের রূহে ছওয়াব বখশিয়ে দেয়া সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য।
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তাক্বওয়া হাছিল বা মুত্তাক্বী হওয়াই পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মূল শিক্ষা। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মাধ্যমে অর্জিত তাক্বওয়া পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার পরবর্তী মাসগুলোতেও বজায় রাখতে হবে। অর্থাৎ পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার পরবর্তী মাসগুলিতেও ইসলামী শরীয়ত উনার বিরোধী সর্বপ্রকার অশ্লীল-অশালীন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সুমহান পবিত্র বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১লা শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আখাছছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই উনার সুমহান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবসে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা, উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা এবং উনার মুবারক গোলামীতে যথাযথ আঞ্জাম দেয়া সকলের জন্যই ফরয। যা রহমত, বরকত, নিয়ামত, সাকীনা ও নাজাত লাভেরও কারণ।
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র ঈদের নামায ঈদগাহে পড়া, পবিত্র ঈদের নামাযের পর পরস্পর কোলাকুলি করা, মুছাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার বিরোধিতা করা, অবজ্ঞা করা ও সুন্নত মুবারক পালনে বাধা দেয়া কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। নাউযুবিল্লাহ!
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৬শে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ দিবাগত রাতটিই হচ্ছেন পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ২৭ তারিখ রাত। যে রাতে বিশেষভাবে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ তালাশ করার নির্দেশ মুবারক দেয়া হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৫শে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকাতুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ‘আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, বরকতময় এই আইয়্যামুল্লাহ শরীফ যথাযথ তা’যীম-তাকরীমের সাথে উদযাপন করা।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে রমাদ্বান শরীফ ১৪৪৭ হিজরী মুতাবিক ১৯শে আশির ১৩৯৩ শামসী, ১৯শে মার্চ ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ১, ৪, ৭, ১২, ১৪, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪ ও ২৫ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সউদী ওহাবী, ইহুদী সরকার এবং তাদের অনুসারীরা যুগ যুগ ধরে চাঁদ না দেখে আরবী মাস শুরু করে মুসলমানদের পবিত্র ঈমান-আমল অর্থাৎ পবিত্র রোযা, পবিত্র ঈদ, পবিত্র হজ্জ ইত্যাদি নষ্ট করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৩শে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা মালিকাতুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আ’শিরাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এ মহান দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফের আয়োজন করা।
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া অনুযায়ী- ছদকাতুল ফিতরের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে কেবল গম অথবা আটার মূল্যে। সর্বাধিক বিশুদ্ধ মতে, অর্ধ সা’ হচ্ছে ১ সের সাড়ে ১২ ছটাক বা ১৬৫৭ গ্রাম। এ বছর ঢাকা শহরে ভালো আটা ৭০ টাকা কেজি হিসেবে ছদকাতুল ফিতর হলো প্রায় ১১৬ টাকা। এর কম দেয়া যাবে না। তবে ইচ্ছা করলে বেশি দিতে পারবে। দেশের প্রধান খাদ্য দিয়ে ছদকাতুল ফিতর আদায় করা- এটা মূলত বাতিল ফিরক্বা লা-মাযহাবীদের মত।
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যে ব্যক্তি পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর থেকে মাহরুম হবে, সে সমস্ত ভালাই অর্থাৎ খায়ের বরকত থেকেই মাহরুম হবে। নাঊযুবিল্লাহ! প্রত্যেক বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশ দিনের বেজোড় রাত্রিগুলোতে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করার লক্ষ্যে ইবাদত-বন্দেগী ও খালিছ তওবা-ইস্তিগফার ও দোয়া-মুনাজাত করা। যা প্রত্যেকের জন্যই ইহকাল ও পরকালে নাযাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ!
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশ দিন প্রত্যেক জামে মসজিদে ই’তিকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়া। সুবহানাল্লাহ! এ বছর অর্থাৎ ১৪৪৭ হিজরী সনের ই’তিকাফের জন্য পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার বিশ তারিখ অর্থাৎ আগামীকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সূর্য ডুবার পূর্বেই মসজিদে প্রবেশ করতে হবে এবং পবিত্র শাওয়াল শরীফ মাস উনার চাঁদ উঠার সংবাদ পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করতে হবে।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












