ট্রাম্পের কথিত গাজা ‘শান্তি পরিষদ’ জাতিসংঘের জন্য কতটা হুমকি, জানালো রুশ বিশেষজ্ঞ
, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) বিদেশের খবর
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজা নিয়ে সন্ত্রাসী ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ও অনুমোদিত ‘বোর্ড অব পিস’ জাতিসংঘের অস্তিত্বের জন্য কোনো অস্তিত্বগত হুমকি নয়। তবে এটি জাতিসংঘের কর্তৃত্ব ও কার্যকারিতা খর্ব করতে পারে বলে মনে করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল একাডেমি অব ন্যাশনাল ইকোনমি অ্যান্ড পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সহযোগী অধ্যাপক গাপোনেনকো।
রুশ সংবাদমাধ্যম তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সে এই সতর্কবার্তা দিয়েছে।
পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ নিশ্চিত করেছে, গাজা পরিস্থিতি নিয়ে গঠিত এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য পুতিনকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং মস্কো বর্তমানে বিষয়টি বিবেচনা করছে।
গাপোনেনকো বলেছে, বোর্ড অব পিস গঠনের ফলে জাতিসংঘ একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই, কারণ জাতিসংঘ এখনো আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার একটি মৌলিক ভিত্তি। তবে এই উদ্যোগ জাতিসংঘের কর্তৃত্ব ও কার্যকারিতার ওপর গুরুতর চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।
সে ট্রাম্পের এই নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের পেছনে তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য তুলে ধরেছে। প্রথমত, এটি একটি কৌশলগত বয়ান, যার মাধ্যমে ট্রাম্প নিজেকে এমন একজন নেতা হিসেবে উপস্থাপন করতে চায়, যে জাতিসংঘের ‘ব্যর্থ আমলাতন্ত্র’কে সমাধান দিতে সক্ষম।
দ্বিতীয়ত, এই উদ্যোগ জাতিসংঘকে সংস্কার বা নীতিগত পরিবর্তনে চাপ দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তৃতীয়ত, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি ট্রাম্পের ভাবমর্যাদা আরও শক্তিশালী করে।
এ ছাড়া, বোর্ড অব পিস সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত পরিসরে আলোচনা চালানোর একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারে, যেখানে উদ্যোক্তাদের দৃষ্টিতে অনাকাক্সিক্ষত পক্ষগুলোকে বাদ দেওয়া সম্ভব হবে।
গাপোনেনকো সতর্ক করে বলে, এ ধরনের উদ্যোগ সংঘাত নিরসনে জাতিসংঘের প্রধান ও একচেটিয়া ফোরাম হিসেবে ভূমিকা দুর্বল করতে পারে। সে কয়েকটি ঝুঁকির কথাও তুলে ধরে। সেগুলো হলো আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার খ-িত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী জোট গঠনের সম্ভাবনা, বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে তাৎক্ষণিক বা খাপছাড়া চুক্তির বিস্তার এবং জাতিসংঘ সনদ এড়িয়ে বিকল্প কাঠামো তৈরি হলে আন্তর্জাতিক আইনের ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়া।
খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে কয়েকটি দেশকে বোর্ড অব পিসে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। হাস্যকরভাবে আশা করা হচ্ছে, হামাস ও সন্ত্রাসী ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে এই বোর্ড সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করবে। উল্লেখ্য, এই শান্তি পরিকল্পনাটি ২০২৫ সালের অক্টোবরে মিশর, কাতার, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় সম্মত হয়।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সদরদপ্তরে হামলার দাবি ইরানের
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
তিন শর্ত মানলেই যুদ্ধ বন্ধ হবে -মাসুদ পেজেশকিয়ান
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ইরান যুদ্ধে ছয় দিনে আমেরিকার খরচ ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি -ড্রাম্প প্রশাসন
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখলো সন্ত্রাসী ইসরায়েল
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
১ ৩ যোদ্ধাদের সাহসিকতার কারণেই দখলদারদের সামরিক যান পুড়ে ছারখার হওয়ার এই অসাধারণ দৃশ্য আমরা দেখতে পেয়েছি।
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
গোয়েন্দা সদরদপ্তর ও বিমানঘাঁটিতে হামলা
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ইরান সরকারের পতনের কোনো সম্ভাবনা নেই
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ইরানে যুদ্ধে যেতে চায় না অনেক মার্কিন সেনা
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মার্কিন সামরিক বাহিনী ৬টি পারমাণবিক বোমা হারিয়ে ফেলেছে
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এবার ইরান ছুড়ছে ১ টনের মিসাইল, বদলে গেল যুদ্ধক্ষেত্র
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইরান যুদ্ধের চড়া মাশুল দিতে হবে এখন সাধারণ মানুষকে
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












