চড়া মাছ-মুরগি, ভালো নেই নিম্ন আয়ের মানুষ
, ০৫ই রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ৩০ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৪ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) তাজা খবর
নিজস্ব প্রতিবেদক:
মাছ ও গোশতের বাজারে দাম এখনো চড়া। ইলিশের দাম কেজিতে ১০০ টাকা কমলেও এখনো তা সাধ্যের বাইরে। কিছুটা বেড়েছে মুরগির দাম, তবে অন্যান্য গোশত বিক্রয় হচ্ছে একই দামে। ফলে নিত্যপণ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
খিলক্ষেত বাজারে আসা নিরব হেলাল জানান, সংসারে অর্থের যোগান না বাড়লেও সব দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালানো এখন দায়। বাজারে গেলে মনে হয় সব পণ্য হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। মাছ-গোশত যেন বিলাসী খাবার হয়ে গেছে। আমাদের মত নিম্ন আয়ের মানুষের সংসার চালানো অনেক কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
কারওয়ানবাজারে আসা সাংবাদিক জেসমিন আরা ফেরদৌস বলেন, বাজারে কোনো স্থিতিশীলতা নেই। কোনো অজুহাত ছাড়াই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। দেখার কেউ নেই। গত সপ্তাহে সবজির দাম কম থাকলেও আবার বাড়তে শুরু করেছে। বাজারে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বিপদে আছি আমাদের মত সাধারণ মানুষ।
একমাসে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়ার পর ব্রয়লার মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি দরে। সোনালি মুরগিও ২৬০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮০ টাকায় উঠেছে। দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে নতুন বাজারের বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, বাজারে চাহিদা বেড়েছে, সরবরাহ তুলনামূলক কম।
বাজারঘুরে দেখা যায়, মানভেদে প্রতি কেজি ধুন্দল ৪০-৫০ টাকা, শসা ৫০-৮০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, ঝিঙে ৬০-৮০ টাকা, কহি বা চিচিঙ্গা ৫০-৬০ টাকা, আলু ২০-২৫ টাকা, আমড়া ৬০ টাকা ও কচুর মুখি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া প্রতি কেজি করলা ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৭০-৮০ টাকা, টমেটো ১২০-১৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, মূলা ৮০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, বেগুন ৮০-১০০ টাকা ও কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা।
আর প্রতি পিস কদু ৬০-৭০ টাকা ও চালকুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা ও সাদা ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি ডজন হাঁস ও দেশি মুরগির ডিম যথাক্রমে ২২০-২৩০ ও ২৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যান্য মাছের দাম রয়েছে আগের মতোই চড়া। প্রতিকেজি বোয়াল ৭৫০-৯০০, কোরাল ৮০০-৮৫০, আইড় ৭০০-৮০০, চাষের রুই ৩৮০-৪৫০, কাতল ৪৫০, তেলাপিয়া ১৮০-২২০, পাঙাশ ১৮০-২৩৫ এবং পাবদা ও শিং ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চাষের ট্যাংরা ৭৫০-৮০০, কাঁচকি ৬৫০-৭০০ এবং মলা ৫০০-৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজারে কোনো বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। কারওয়ানবাজারের চাল ব্যবসায়ীরা বলেন, নতুন করে দাম বাড়েনি। তবে কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। প্রতিকেজি মিনিকেট চাল ৮০-৮৫ টাকা, নাজিরশাইল ৮৫-৯২ টাকা ও মোটা চাল ৫৬-৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
গাজায় ইসরায়েলি সন্ত্রাসীদের সামরিক যানের বিপক্ষে বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণের ঘটনাচিত্র।
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
২৫০ ছাগল চুরি করে ধরা খেল ইসরাইলি সেনারা
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নদে পানির গভীরতা মাপতে গিয়ে নিখোঁজ পাউবো কর্মীর লাশ উদ্ধার
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
‘আগে ৫০০ টাকায় কাজ করতাম, এখন ১৬০০ চাইছি’
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৪ নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে, আরও এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বৃষ্টিতে পানিবদ্ধতায় নগরীতে ভোগান্তি
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ভঙ্গুর প্রশাসনে গতি ফেরানোর চেষ্টা
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
১.৬ বিলিয়ন ডলারের কঠিন শর্তের ঋণ নিচ্ছে সরকার
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
গাজার খান ইউনিসে দখলদারদের সামরিক আস্তানায় এম্বুশ অপারেশনের পূর্বমুহূর্তের প্রামাণ্যচিত্র।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দাম্পত্য কলহ ও মানসিক সংকটে সন্ত্রাসী সেনারা
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৮ হাজার লিটার জ্বালানি পাচারের চেষ্টা
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সেনাবাহিনীর সদস্যদের ব্যারাকে ফেরানোর বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বার্তা
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












