গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের আবাসন ফ্ল্যাটে চলছে হোটেল ব্যবসা
, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) দেশের খবর
কক্সবাজার সংবাদদাতা:
কক্সবাজারে স্থানীয়দের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন সুবিধা দিতে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ (জাগৃক) ২০২০ সালে ৪৬৯টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করে। প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ছিল নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষকে নিরাপদ ও টেকসই আবাসন সুবিধা দেয়া। তবে নির্মিত ফ্ল্যাটগুলোর ৫২ শতাংশই সরকারি কর্মকর্তা, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারী এবং সংরক্ষিত কোটায় বরাদ্দ দেয়া হয়। সরকারি অর্থায়নে নির্মিত এসব ফ্ল্যাটের বড় অংশই এখন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নিজেরা বসবাস না করে পর্যটকদের জন্য সেগুলো উচ্চমূল্যে ভাড়া দিচ্ছে বরাদ্দপ্রাপ্তরা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি অর্থে গৃহায়নের মূল লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের আবাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেটি এখন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হওয়া গুরুতর অনিয়ম। একদিকে আবাসন সংকটে সাধারণ মানুষ, অন্যদিকে সরকারি ফ্ল্যাটগুলো পরিণত হয়েছে ‘লাভজনক রেন্টাল ব্যবসায়’। তাই পর্যটন এলাকায় এ ধরনের প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্পের যৌক্তিকতা নিয়েও তারা প্রশ্ন তুলেছেন।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রতিবেদনেও বিষয়টি উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাগৃকের ১০টি ভবনের মধ্যে নয়টিই বাণিজ্যিক বা আবাসিক হোটেল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ১২০ ফ্ল্যাট মালিকের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা ওই প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, নিজেরা বসবাস না করে ফ্ল্যাটগুলো আবাসিক হোটেল হিসেবে ভাড়া দিচ্ছেন বলে তাদের ১১৩ জন জানিয়েছেন। এর মধ্যে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকায় ভাড়া দিচ্ছেন ৩৭ জন, ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ভাড়া পাচ্ছেন ৬৫ জন এবং ৩১ হাজার টাকার অধিক নিচ্ছেন ১১ জন ফ্ল্যাট মালিক।
বাস্তবে যদিও এসব ফ্ল্যাট থেকে আরো বেশি আয় আসছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাগৃকের ফ্ল্যাটগুলো বরাদ্দপ্রাপ্তদের থেকে হোটেল ব্যবসায়ীরা লিজ নিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এসব ফ্ল্যাটে একেক রাতের জন্য পর্যটকদের কাছ থেকে ভাড়া নেয়া হয় ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। সে হিসাবে মাসে আয় হয় এক-দেড় লাখ টাকা।
কক্সবাজারের মতো প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে এ ধরনের প্রকল্প যথাযথ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ। তিনি বলেন, আমাদের দেশে যেসব প্রকল্প নেয়া হয় তার টার্গেট গ্রুপ সব সময় সঠিক থাকে না। পূর্বাচলে সরকার যাদের জমি বরাদ্দ দিয়েছে তারা সঠিক টার্গেট গ্রুপ ছিল না বলেই পূর্বাচলে এখনো বসতি গড়ে ওঠেনি। একইভাবে কক্সবাজারে যাদের ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তারা সঠিক টার্গেট গ্রুপ না।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পেঁয়াজ আমদানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে -কৃষিমন্ত্রী
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ডাকাতি দমন ও যানজট নিরসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব হাইওয়ে পুলিশের
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
খেলা নিয়ে ব্যঙ্গ, শিক্ষক পেটালেন ১৭ শিশু শিক্ষার্থীকে
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
‘অপরাধ বৃদ্ধি নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে পুলিশের হিসাবের মিল নেই’
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বন্যার পানি নেমে গেলেও উর্বর কৃষিজমিতে রয়ে গেছে বালুর স্তর
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
অ্যাকাডেমিক সহায়তা জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছাত্রীর সম্ভ্রমহরণ, প্রধান শিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ২
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
চাঁদা না দেয়ায় ১২শ’ কমলা গাছ কেটে দিলো বন কর্মকর্তা প্রীতম বড়ূয়া
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জমিতে ‘অধিক কর’ আরোপ, থমকে গেছে জমি বিক্রি
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বস্ত্র খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












