আজ মহিমান্বিত ২১শে শাওওয়াল শরীফ! যা বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
কেননা, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র আক্বদ মুবারক ও নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্নের বরকতময় সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
, ২১ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১২ ছানী ‘আশির, ১৩৯০ শামসী সন , ১২ মে, ২০২৩ খ্রি:, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সম্পাদকীয়
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসসমূহকে স্বরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে। (পবিত্র সূরা ইবরাহিম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)
প্রসঙ্গত, আজ আযীমুশ শান ২১শে শাওওয়াল শরীফ উপলক্ষ্যে এ নিবন্ধে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র আক্বদ মুবারক ও মহিমান্বিত নিসবাতুল আযীম শরীফ সম্পর্কে আলোচনার অবকাশ। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে ৬ বৎসর বয়স মুবারক-এ পবিত্র আক্বদ মুবারক করেন এবং ৯ বৎসর বয়স মুবারক-এ পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারক অনুষ্ঠিত হয়। উনাদের পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারক-এ ৫০০ দিরহাম দেনমোহর ধার্য করা হয়। উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয়েছিল পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ২১ তারিখে। মহিমান্বিত এদিন কুল-কায়িনাতের জন্য যে কত বেমেছাল রহমত মুবারক, বরকত মুবারক, সাকীনা মুবারক ও নাজাতের কারণ- তা প্রকাশের ভাষা উম্মাহর জানা নেই। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
সঙ্গতকারণেই ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি এই সুমহান দিবসকে বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে- এবং তোমাদের অন্তর্গত অবিবাহিতদিগের বিবাহ সম্পাদন করো এবং তোমাদের অন্তর্গত সৎকর্মশীল গোলাম এবং বাঁদীগণেরও। (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩২-৩৩)। এই আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বিবাহের কোনো বয়সের কথা উল্লেখ করা হয়নি। সেইসাথে বাল্য বিবাহের বিষয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -আর যে নারীরা স্বাভাবিক মা’জুরতা থেকে নিরাশ হয়ে গেছে তাদের ইদ্দত তিন মাস এবং এরূপভাবে তাদেরও; যাদের এখনো স্বাভাবিক মা’জুরতা শুরু হয়নি- (পবিত্র সূরা ত্বলাক্ব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪) অর্থাৎ এখানে নাবালিকাদের কথা বলা হয়েছে। যার দ্বারা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যেও বাল্য বিবাহ জায়েজ প্রমাণিত হয়েছে।
মুসলমানদের জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আইন অনুযায়ী আমল করা ফরজ। সে ফরজ আমলে রাষ্ট্র যদি বাধা দেয় তাহলে মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার বিঘিœত হয়।
অন্যদিকে, আল্লামা আবূ বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আহকামুল কুরআনে মুহম্মদ ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সূত্রে একটি হাদীছ শরীফ উনার একটি বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলালাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন হযরত আস সাদিসাহ্ আলাইহাস সালাম উনার ছেলে সালামা উনার বিবাহ খুব অল্প বয়সেই হযরত হামযা আলাইহিস সালাম উনার ছোট মেয়ের সাথে করিয়ে দিয়েছিলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তিনি হযরত সালামা উনার বিবাহ হযরত হামযা আলাইহিস সালাম উনার মেয়ের সাথে করিয়ে দেন। তখন উনারা দুজন শিশু ছিলেন। তারপর উনারা দুইজনই বাল্যকালেই পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। (“তাফসীরে আহকামুল কুরআন লিল জাসসাস” উনার ২য় খন্ড ৩৬৪ পৃষ্ঠা)
অভিজ্ঞ আইনজ্ঞদের ভাষায়, আইনের উৎস হলো একটি ঐতিহাসিক ঘটনা যার দ্বারা আচরণবিধি সৃষ্টি হয় এবং আইনের শক্তি অর্জন করে। এক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে পবিত্র বাল্যবিবাহ মুবারক করেছেন তা সর্বশ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক ঘটনা যা মুসলিম আইনের প্রধান উৎস্য। তাই তার বিরোধীতা করা কুফরী এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যারাই বাধা দিবে তারাও কুফরী করবে বা করেছে বলে সাব্যস্ত হবে।
অপরদিকে, দ্বিতীয় খলীফা আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ মুবারক করেছেন। আর চতুর্থ খলীফা আমীরুল মু’মিনীন হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি স্বয়ং নিজেই উনার বানাত বা কন্যা হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম উনাকে ছোট বা বাল্যবস্থায় নিসবাতুল আযীম বা শাদী মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
অভিজ্ঞ আইনজ্ঞদের ভাষায়, আইনের উৎস্য বলতে ওই সকল বিষয়বস্তুকে বুঝাবে, যার মাধ্যমে বিচারকরা আইন সৃষ্টির প্রয়াস পায়। এক্ষেত্রে হযরত ছাহাবায়ে ক্বিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ইজমা শরীফই মুসলিম আইন সৃষ্টির প্রয়াস। এই কারণে আমরা দেখি অনেক শক্ত ব্যবস্থা ও আইন থাকার পরও প্রতিনিয়ত সারাদেশ থেকে বাল্যবিবাহের খবর আসছে যা প্রশাসন ঠেকাতে পারছেনা। মূলত; বাল্যবিবাহ যেহেতু খাছ সুন্নত তাই দ্বীনদার মুসলমানদের কিছুতেই এর থেকে বিরত রাখা যাবেনা।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, পবিত্র কুরআন শরীফ-পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোনো আইন পাশ হবেনা এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সরকার তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে বাল্যবিবাহ নিরোধী আইন ২০১৭ পাশ করেছে। আর এতে পবিত্র কুরআন শরীফ-পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার চরম বিরোধীতার সাথে (নাউযুবিল্লাহ) নানা অসংলগ্নতা, অনিয়ম, অসচ্ছতা তথা সাংবিধানিক বৈষম্য, সংঘাত ইত্যাদি দেখা দিয়েছে। ২০১৭ সালের আইনে অবৈধ সম্পর্কের কারণে ছেলে-মেয়েরা নিজেরা বিয়ে করলে তা সিদ্ধ কিন্তু অবৈধ সম্পর্ক হওয়ার আগে নিষ্কলুষ অবস্থায় বাবা মা যদি ছেলে-মেয়ের বিয়ে দেন তবে তা আইন সিদ্ধ নয় বরং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নাউযুবিল্লাহ! অবৈধ সম্পর্কের কারণে যদি মেয়েটি অনৈতিকভাবে গর্ভবতী হয় তখন তার বিয়ে সিদ্ধ হবে কিন্তু বিয়ে দিয়ে নৈতিক গর্ভবতী হওয়া ২০১৭ সালের আইনে বৈধ নয়। অবৈধ ঘটনার পর বাবা মায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য এবং তখন আদালত নমনীয় এটাই এই আইনের বিধান। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু অবৈধ ঘটনার আগে বাবা মার সিদ্ধান্ত অগ্রহণযোগ্য এবং আদালত চরম কঠিন এটাই এই আইনের বৈশিষ্ট্য। নাউযুবিল্লাহ! এই আইনে ১৪ বছরে একান্তবাস বেআইনি নয়, ১৫ বছর বয়সে গর্ভবতী হলেও বেআইনি নয় কিন্তু ১৮ বছরের আগে বিয়ে হলেই বেআইনি। নাউযুবিল্লাহ! মূলত; এ আইন পরস্পরবিরোধী এবং সম্পূর্ণই অগ্রহনযোগ্য।
প্রসঙ্গত, দেশের প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোরদের উল্লেখ করে বলেছেন, টাকা পয়সা কি আপনারা পরকালে নিয়ে যেতে পারবেন? প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী মন্ত্রী থেকে ইউএনএ/অসি সবাইকে পরকাল সম্পর্কে ভাবতে হবে। কাজেই যে পবিত্র বাল্যবিবাহ মুবারক স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র খাছ সুন্নত মুবারক তাতে বাধা দেয়া, তার জন্য শাস্তি দেয়া কত ভয়ংকর স্পর্ধাজনিত গুনাহর কাজ হতে পারে তা মুসলমান হিসেবে আমাদের গভীরভাবে অনুধাবন করা দরকার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে বোধোদয়ের দরকার এবং সরকারেরও এ আইন ও নীতি পরিবর্তন দরকার। আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১ শে শাওয়াল শরীফ তথা আন্তর্জাতিক ও বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস উপলক্ষ্যে আমরা এমনটিই প্রত্যাশা করি। ইনশাআল্লাহ!
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












