ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত আউওয়ালা র্মারাতিন ফী তারীখি খ্বালক্বিল্লাহ্ ‘আলা লিসানি সাইয়্যিদিনা সুলত্বানিন নাছীর মামদূহ্ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্ আলাইহিস সালাম
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৬
, ১৩ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০২ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০২ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ১৯ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
اَلْـحَمْدُ وَالصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ لِشَيْخِنَا مَـمْدُوْحْ مُرْشِدْ قِـبْـلَةْ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ سُلْطَانٍ نَّصِيْـرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَلِاَهْلِ بَـيْـتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ وَالصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ عَلـٰى سَيّـِدِ الْاَنْۢبِيَاءِ وَالْـمُرْسَلِـيْـنَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلـٰى اَهْلِ بَـيْـتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ وَالْـحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِـيْـنَ. اَمَّا بَـعْدُ
এই কিতাব মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত ‘পবিত্র নূর মুবারক’ সম্পর্কিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ‘পবিত্র কুদরত মুবারক’ দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে, পৃথিবীর কারো জানা ছিলো না, সৃষ্টির কারো জানা ছিলো না। তাই, সৃষ্টির ইতিহাসে কেউ বিষয়টি কখনও আলোচনা করেনি। কেউ কোনো কিতাবাদিতে দেখাতেও পারবে না। এই বিষয়ে কেউ কখনও চিন্তা-ফিকিরও করেনি। এই ‘পবিত্র কুদরত মুবারক’ উনার বিষয়টি ‘ইস্তাওয়া’ থেকেও অনেক কঠিন। ‘পবিত্র কুদরত মুবারক’ উনার বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে হলে আগে ‘ইস্তাওয়া’ উনার বিষয়টি বুঝা আবশ্যক।
‘ইস্তাওয়া’ বিষয়ে ৯৬ পৃষ্ঠায় একখানা কিতাব মুবারক প্রকাশিত হয়েছেন। সকলের উচিত সেই কিতাব মুবারকখানা খুব ভালোভাবে অধ্যয়ন করা। সেখানে বলা হয়েছে যে, “হযরত ইমামে আ’যম আবূ হানীফাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনিসহ আরো বড় বড় হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে সুওয়াল করা হয়েছিলো যে, اِسْتَوٰى (ইস্তাওয়া) শব্দের অর্থ কি? উনারা বলেছেন যে, اِسْتَوٰى (ইস্তাওয়া) শব্দের শাব্দিক অর্থ আমাদের জানা রয়েছে, ‘উপবেশন করা, বরাবর হওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি’। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি কিভাবে اِسْتَوٰى (ইস্তাওয়া) হয়েছেন, এটা আমাদের জানা নেই।”
এ সম্পর্কে আল্লামা হযরত ইমাম আবুল বারাকাত নাসাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
{ثُمَّ اسْتَوٰى} اِسْتَوْلٰى {عَلَى الْعَرْشِ} اَضَافَ الْاِسْتِيْلَاءَ اِلَى الْعَرْشِ وَاِنْ كَانَ سُبْحَانَهٗ وَتَعَالٰى مُسْتَوْلِيًا عَلٰى جَمِيْعِ الْمَخْلُوْقَاتِ لِاَنَّ الْعَرْشَ اَعْظَمُهَا وَاَعْلَاهَا وَتَفْسِيْرُ الْعَرْشِ بِالسَّرِيْرِ وَالْاِسْتِوَاءِ بِالْاِسْتِقْرَارِ كَمَا تَقُوْلُهُ الْمُشَبِّهَةُ بَاطِلٌ لِاَنَّهٗ تَعَالٰى كَانَ قَبْلَ الْعَرْشِ وَلَا مَكَانَ وَهُوَ الْاٰنَ كَمَا كَانَ لِاَنَّ التَّغَيُّرَ مِنْ صِفَاتِ الْاَكْوَانِ وَالْمَنْقُوْلُ عَنْ حَضْرَتْ اَلْاِمَامِ الصَّادِقِ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَحَضْرَتْ اَلْحَسَنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ اَبِىْ حَنِيْفَةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ مَالِكٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَنَّ الْاِسْتِوَاءَ مَعْلُوْمٌ وَالتَّكْيِيْفَ فِيْهِ مَجْهُوْلٌ وَالْاِيْمَانَ بِهٖ وَاجِبٌ وَالْجُحُوْدَ لَهٗ كُفْرٌ وَالسُّؤَالَ عَنْهُ بِدْعَةٌ
“(অতঃপর তিনি ইস্তাওয়া করলেন) আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করলেন (পবিত্র আরশ উনার উপর)। মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত মাখলূকাতের উপরই পূর্ণ আধিপত্যশীল, তবুও তিনি পবিত্র আরশ উনার সঙ্গে উনার ইস্তিলা বা আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করাকে বিশেষভাবে সম্পর্কিত করেছেন। কারণ, আরশ হচ্ছেন মাখলূক্বাতসমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ। আর ‘আরশ’ উনাকে কেবলমাত্র ‘সিংহাসন’ এবং ‘ইস্তিওয়া’ উনাকে ‘বসা’ বা ‘স্থায়ী হওয়া’ বলে ব্যাখ্যা করা, যেমনটা ‘মুশাব্বিহাহ্’ ফিরক্বার লোকেরা বলে থাকে- এটি বাতিল। কারণ, মহান আল্লাহ পাক তিনি আরশ সৃষ্টির আগেও ছিলেন, তখন কোনো স্থান ছিলো না। আর এখনো তিনি তেমনই আছেন যেমন তিনি তখন ছিলেন। কেননা, পরিবর্তন ও রূপান্তর সৃষ্টি কুলের বৈশিষ্ট্য, মহান আল্লাহ পাক উনার নয়। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম জা’ফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম) উনার, হযরত ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার, ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানীফাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার এবং হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অর্থাৎ উনাদের থেকে যা বর্ণিত রয়েছেন, তা হলো-
اَنَّ اَلْاِسْتِوَاءَ مَعْلُوْمٌ وَالتَّكْيِيْفَ فِيْهِ مَجْهُوْلٌ وَالْاِيْمَانَ بِهٖ وَاجِبٌ وَالْجُحُوْدَ لَهٗ كُفْرٌ وَالسُّؤَالَ عَنْهُ بِدْعَةٌ
অর্থাৎ ‘ইস্তিওয়া’ উনার অর্থ সকলের জানা; কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি কিভাবে হয়েছেন- তা অজানা। ‘ইস্তিওয়া’ উনার প্রতি ঈমান আনা ওয়াজিব। তা অস্বীকার করা কুফরী। আর এ বিষয়ে প্রশ্ন করা বিদআত।” (তাফসীরে নাসাফী ১/৫৭৩)
মূলত, ১৪০০ বছর অতীত হয়েছে এবং যুগে যুগে অসংখ্য-অগণিত হযরত ইমাম-মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা দুনিয়ার যমীনে আগমন করেছেন। উনাদের কারোই ‘ইস্তাওয়া’ শব্দ মুবারক উনার হাক্বীক্বত সম্পর্কে জানা ছিলো না, এ বিষয়ে কারো কোনো ইলিম-কালাম ছিলো না। কেউ কোনো কিতাবে দেখাতেও পারবে না। শুধু তাই নয়; অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আবার কেউ কেউ ‘ইস্তাওয়া’ শব্দ মুবারক উনার হাক্বীক্বত বুঝতে না পেরে ব্যতিক্রম ব্যাখ্যাও করেছেন। না‘ঊযুবিল্লাহ!
আর পবিত্র কুদরত মুবারক উনার বিষয়টি এর চেয়েও অধিক সূক্ষ্ম ও কঠিন, যা সৃষ্টির ইতিহাসে কেউ কখনও চিন্তা-ফিকির করেননি এবং এ বিষয়ে কিতাবাদিতে কেউ কখনও আলোচনাও করেননি।
কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে উনাদের পরিপূর্ণ অসীম ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করেই পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করিয়েছেন (সৃষ্টি মুবারক করেছেন)। সুবহানাল্লাহ! ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি একক, অনন্য, বেমেছাল ও সীমাহীন শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী, মালিক। তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সব। যিনি খ্বাালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে উনার দায়িমীভাবে এমন মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক রয়েছেন, যেখানে কারো কোনো স্থান সংকুলান হয় না। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! তিনি উনাদের হাক্বীক্বী দায়িমী দীদার, ছোহবত, যিয়ারত ও নিয়ন্ত্রণ মুবারক-এ ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! তাই, সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম একমাত্র উনার পক্ষেই সম্ভব হয়েছে ‘পবিত্র কুদরত মুবারক’ উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ করা, বর্ণনা করা। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (৬)
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ বিষয়ে আপত্তি ও তার খন্ডনমূলক জবাব (৪)
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে মাত্র এক দিরহাম খরচ করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় এক পাহাড় পরিমাণ লাল স্বর্ণ দান করার সমপরিমাণ ফযীলত মুবারক লাভ
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে মেহমানদারী করার মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দায়িমীভাবে সম্মানিত শাফা‘আত মুবারক লাভ
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত মাক্বাম মুবারক সমস্ত সৃষ্টির ঊর্ধ্বে (৪)
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৮
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
অস্তমিত সূর্যের পুনরুত্থান
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৪৬)
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে ‘শব্দ’ ব্যবহারে কতটুকু আদব রক্ষা করা আবশ্যক (২)
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাজায়িজ
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত মাক্বাম মুবারক সমস্ত সৃষ্টির ঊর্ধ্বে (৩)
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












