৩) সবচেয়ে বড় নাফরমান সর্বোচ্চ জান্নাতী
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেন-
اِنَّ رَجُلًا عَصَى اللهَ مِائَتَـىْ سَنَةٍ يَّتَمَرَّدُ وَيَجْتَرِئُ عَلَيْهِ فِيْهَا كُلَّهَا فَلَمَّا مَاتَ اَخَذَ بَنُوْ اِسْرَائِيْلَ بِرِجْلِهٖ وَاَلْقَوْهُ عَلـٰى مَزْبَلَةٍ فَاَوْحَى اللهُ اِلـٰى حَضْرَتْ مُوْسٰى عَلَيْهِ الصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ اَنْ غَسَّلَهٗ وَكَفَّنَهٗ وَصَلّٰى عَلَيْهِ فِـىْ جَمْعِ بَنِـىْ اِسْرَائِيْلَ فَفَعَلَ مَا اَمَرَهُ اللهُ تَعَالـٰى بِهٖ فَتَعَجَّبَ بَنُوْ اِسْرَائِيْلَ مِنْ ذٰلِكَ فَاَخْبَرُوْهُ اَنَّهٗ لَـمْ يَكُنْ فِـىْ بَنِـىْ اِسْرَائِيْلَ اَعْتٰى مِنْهُ وَلَا اَكْثَرَ مَعَاصِىْ مِنْهُ فَقَالَ قَدْ عَلِمْتُ وَلٰكِنَّ اللهَ اَمَرَنِـىْ بِذٰلِكَ فَقَا বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন “খুলুকুন ‘আযীম” অর্থাৎ সর্বোত্তম চরিত্র মুবারক উনার অধিকারী এবং “উসওয়াতুন হাসানাহ্” বা সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
প্রতিটি বিষয়েই তিনি সমগ্র মাখলুকাতের জন্য অনুসরণীয় এবং অনুকরণীয়। উনার মহাসম্মানিত আখলাক্ব মুবারক সবার জন্য অনুসরণীয়। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ছোঁয়াতেই পূর্ণতা পেয়েছেন স্বয়ং উত্তম চরিত্র নিজেই। সুবহানাল্লাহ!
এ প্রসঙ্গে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(৪)
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায আন্দালুসী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وَاحْتَجَّ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيْمُ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ خَالِدِ ۣ الْفَقِيْهُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فِىْ مِثْلِ هٰذَا بِقَتْلِ حَضْرَتْ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيْدِ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ مَالِكَ بْنَ نُوَيْرَةَ بِقَوْلِهٖ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَاحِبُكُمْ
অর্থ: “বিশিষ্ট ফক্বীহ হযরত আবূ ইসহাক্ব ইবরাহীম বিন হুসাইন বিন খালিদ কুরতুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ২৪৯ হিজরী শরীফ) তিনি (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানিকারীদের একমাত্র বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(৩)
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
وَاَفْتٰـى فُقَهَاءُ الْاَنْدَلُسِ بِقَتْلِ ابْنِ حَاتِـمِ ۣ الْمُتَفَقِّهِ الطُّلَيْطِلِـىِّ وَصَلْبِهٖ بـِمَا شُهِدَ عَلَيْهِ بِهٖ مِنَ اسْتِخْفَافِهٖ بِـحَقِّ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَسْمِيَتِهٖ اِيَّاهُ اَثْنَاءَ مُنَاظَرَتِهٖ بِالْيَتِيْمِ وَخَتَنِ حَيْدَرَةَ وَزَعْمِهٖ اَنَّ زُهْدَهٗ لَـمْ يَكُنْ قَصْدًا وَّلَوْ قَدِرَ عَلَى الطَّيِّبَاتِ اَكَلَهَا
অর্থ: “আন্দালুসের সম্মানিত ফক্বীহগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে ইবনে হাতিম তুলায়তিলীকে শরঈ শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদন্ড দেয়ার এবং শূলে চড়ানোর বা আগুনে পুড়ে ফেলার ফতওয়া দেন। কারণ, সে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার নিয়ত করার কারণে মৃত্যুদ- থেকে মুক্তিলাভ
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
اِنَّهٗ كَانَ فِىْ زَمَانِ الْـخَلِيْفَةِ عَبْدِ الْـمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ شَابٌّ حُسْنُ الصُّوْرَةِ فِىْ الشَّامِ وَكَانَ يَلْهُوْ بِرُكُوْبِ الْـخَيْلِ فَبَيْنَمَا هُوَ ذَاتَ يَوْمٍ عَلٰى ظَهْرِ حِصَانِهٖ اِذْ اَجْفَلَ الْـحِصَانُ وَحَـمَلَهٗ فِىْ سِكَكِ الشَّامِ وَلَـمْ يَكُنْ لَّهٗ قُدْرَةٌ عَلٰى مَنْعِهٖ فَوَقَعَ طَرِيْقُهٗ عَلٰى بَابِ الْـخَلِيْفَةِ فَصَادَفَ وَلَدُهٗ وَلَـمْ يَقْدِرِ الْوَلَدُ عَلٰى رَدِّ الْـحِصَانِ فَصَدَمَهٗ بِالْفَرَسِ وَقَتَلَهٗ فَوَصَلَ الْـخَبَرُ اِلَى الْـخَلِيْفَةِ فَاَمَرَ بِاِحْضَارِهٖ فَلَمَّا اَنْ اَشْرَفَ اِلَيْهِ বাকি অংশ পড়ুন...
৭০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুছাফা মুবারক نُوْرُ التَّبَارُكِ مُبَارَكٌ নূরুত্ তাবারুক মুবারক
৭১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুয়ানাকা মুবারক نُوْرُ النَّظَافَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নাযাফাত মুবারক
৭২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র স্পর্শ মুবারক نُوْرُ التَّبَرُّكِ مُبَارَكٌ নূরুত তার্বারুক মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(২)
হযরত ইমাম সাহনূন তানূখী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অনুসারী বিশ্বখ্যাত ইমাম ও মুজতাহিদ হযরত ইমাম আহমাদ বিন আবূ সুলায়মান তিনি বলেন,
مَنْ قَالَ اِنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ اَسْوَدَ يُقْتَلُ
অর্থ: “যে ব্যক্তি এ কথা বলবে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত জিসিম মুবারক কালো বর্ণের ছিলেন, না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! তাকে শরঈ শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদন্ড দিতে হবে।” সুবহানাল্লাহ! (শরহুয যারক্বানী ৫/৫৩০, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১২/২৫, বাকি অংশ পড়ুন...
৬৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে এক সাথে গোসল মুবারক نُوْرُ النِّسْبَةِ الْعَظِيْمِ شَرِيْفٌ নূরুন নিস্বাতিল ‘আযীম শরীফ
৬৮ মাসিক স্বাভাবিক অসুস্থতা نُوْرُ الشَّاْنِ الشَّهْرِيَّةُ مُبَارَكٌ নূরুশ শা’নিশ শাহ্রিইয়্যাহ্ মুবারক
৬৯ আওলাদ হলে যে অসুস্থতা نُوْرُ الشَّاْنِ السَّنَوِيَّةُ مُبَارَكٌ নূরুশ শা’নিস সানাওইয়্যাহ্ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার এক অনন্য বেমেছাল বিস্ময়কর মহাসম্মানিত ফয়সালা মুবারক হচ্ছেন, “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত শান মুবারক-এ مُطَهَّرٌ (মুত্বহ্হার) অর্থাৎ পূত-পবিত্র এবং مُطَهِّرٌ (মুত্বহ্হির) অর্থাৎ পূত-পবিত্রতাদানকারী বলতে হবে”। সুবহানাল্লাহ! তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি একটি বিষয় ফিকির বাকি অংশ পড়ুন...
নফসের অনুসারী এবং মন্দ আমলের কারণে সকলের নিকট নিন্দনীয় হওয়া সত্ত্বেও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উনাকে ইন্তেকালের পর মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ ওলী হিসেবে ঘোষণা এবং সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ বিশেষ সম্মান লাভ
কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন-
اِنَّهٗ كَانَ فِـىْ زَمَانِ اَمِيْـرِ الْـمُؤْمِنِيْـنَ هَارُوْنَ الرَّشِيْدِ شَابٌّ فِـى الْبَصْرَةِ مُسْرِفٌ عَلٰى نَفْسِهٖ وَكَانَ اَهْلُ الْبَلَدِ يَنْظُرُوْنَ اِلَيْهِ بِعَيْنِ التَّحْقِيْرِ لِاَجْلِ اَفْعَالِهِ الْـخَبِيْثَةِ غَيْرَ اَنَّهٗ كَانَ اِذَا قَدِمَ شَهْرُ رَبِيْعِ الْاَوَّلِ غَسَّلَ ثِيَابَه وَتَعَطَّرَ وَتَـجَمَّلَ وَعَمِلَ وَلِيْمَةً و বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের সমাজে একটি ফিতনা প্রকট আকার ধারণ করেছে যে, কিছু সংখ্যক অজ্ঞ এবং চরম বেয়াদব শ্রেনীর মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত ‘উম্মী’ শব্দকে কেন্দ্র করে বলে থাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লিখতে ও পড়তে জানতেন না। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
লুগাত বা অভিধান অনুযায়ী উম্মী শব্দের অনেক অর্থ আছে যা সাধারনভাবে আলোচিত হয়। কিন্তু উম্মী শব্দের আরেকটি অর্থ আছে যা পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে প্রমাণিত যা কিনা সাধারনত কেউ উল্লেখ করে না। বরং একশ্রেনীর মিথ্যাবাদী বাতিল ফিরকার অনুসারী বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(১)
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
وَقَالَ بَعْضُ عُلَمَائِنَا اَجْمَعَ الْعُلَمَاءُ عَلـٰى اَنَّ مَنْ دَعَا عَلـٰى نَبِـىٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ مِنَ الْاَنْۢبِيَاءِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ بِالْوَيْلِ اَوْ بِشَىْءٍ مِّنَ الْمَكْرُوْهِ اَنَّهٗ يُقْتَلُ بِلَا اسْتِتَابَةٍ وَاَفْتٰـى حَضْرَتْ اَبُو الْـحَسَنِ الْقَابِسِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فِيْمَنْ قَالَ فِى النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْـحَمَّالُ يَتِيْمُ اَبِـىْ طَالِبٍ بِالْقَتْلِ
অর্থ: “আমাদের কতিপয় সম্মানিত আলিমগণ উনারা বলেন, সমস্ত হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এ মতের উপর ইজমা করেছেন, যে ব্যক্তি হযর বাকি অংশ পড়ুন...












