আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬ই ছফর শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “গতকাল (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫ই ছফর শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ অর্থাৎ লাইলাতুল ইছ বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যিকির মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আলোচনা মুবারক উনার সাথে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যিকির মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আলোচনা মুবারক করা সমস্ত সৃষ্টির উপর ফরয করে দিয়েছেন:
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন,
لَا يُذْكَرُ اللهُ اِلَّا ذُكِرَ مَعَهٗ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যিকির মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: বাতিল ৭২ ফিরক্বার কেউ কেউ বলে থাকে যে, “হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘লাত্বায়িফুল মাআরিফ’ নামক কিতাবে রোযার ঈদ, কুরবানীর ঈদ, আইয়্যামে তাশরীক্ব এবং জুমু‘আর দিন ব্যতীত অন্য কোনো দিনকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। কাজেই, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ার যমীনে আগমন অর্থাৎ বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের তারীখ ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।” এ বিষয়ে সঠিক জবাব দানে বাধিত করবেন।
জাওয়াব: বাতিল ৭২ ফিরক্বার লোকদের জাতিগত স্ বাকি অংশ পড়ুন...
১৩ জন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নেয়ার ধারাবাহিকক্রম মুবারক অনুযায়ী সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফযালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল হাদিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘আল হাদিয়াহ্ আশার অর্থাৎ ১১তম’। সুবহান বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই আশিক্ব হয়ে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইসিম বা নাম মুবারক উনার সাথে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইসিম বা নাম মুবারক সম্মানিত জান্নাত মুবারক, সম্মানিত ও পবিত্র আরশে আযীম মুবারক এবং সাত আসমানের সমস্ত জায়গায় লিপিবদ্ধ করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
এই বিষয়ে অনেক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছহীহ হাদীছ শরীফ রয়েছেন। যেমন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছহীহ হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: বাতিল ৭২ ফিরক্বার কেউ কেউ বলে থাকে যে, “হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘লাত্বায়িফুল মাআরিফ’ নামক কিতাবে রোযার ঈদ, কুরবানীর ঈদ, আইয়্যামে তাশরীক্ব এবং জুমু‘আর দিন ব্যতীত অন্য কোনো দিনকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। কাজেই, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ার যমীনে আগমন অর্থাৎ বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের তারীখ ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। ” এ বিষয়ে সঠিক জবাব দানে বাধিত করবেন।
জাওয়াব: বাতিল ৭২ ফিরক্বার লোকদের জাতিগত স বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: বাতিল ৭২ ফিরক্বার কেউ কেউ বলে থাকে যে, “হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘লাত্বায়িফুল মাআরিফ’ নামক কিতাবে রোযার ঈদ, কুরবানীর ঈদ, আইয়্যামে তাশরীক্ব এবং জুমু‘আর দিন ব্যতীত অন্য কোনো দিনকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। কাজেই, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ার যমীনে আগমন অর্থাৎ বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের তারীখ ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনাকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। ” এ বিষয়ে সঠিক জবাব দানে বাধিত করবেন।
জাওয়াব: বাতিল ৭২ ফিরক্বার লোকদের জাতিগত স বাকি অংশ পড়ুন...
আরো অন্যান্য কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন:
দুনিয়ার ইতিহাসে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবিউল আউওয়াল শরীফ তারীখটি অত্যন্ত স্মরণীয় দিন। কেননা যাঁহার (অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার) কারণে এই বিশ্বজাহান সৃষ্টি, যাঁহার কারণে এই দিবা-রাত্রির আবর্তন, ভাটা-জোয়ারের সৃষ্টি ও শীত-গ্রীষ্মের আগমন-প্রত্যাগমন, যিনি মানবকুলের সেরা গৌরব, যাঁহার উসিলায় হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার দোয়া ক্ববূল হইয়াছে; যাঁহার কারণে মহাপ্লাবনে হযরত নূহ আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...












